Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

গুগলকে টেক্কা দিতে এলো-How to point network account create

অনলাইন থেকে স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ দিয়ে ইনকাম করার বিষয়টা কমবেশি সকলেরই জানা । কেউ কেউ অনলাইন থেকে ইনকাম করে নিচ্ছে ৫০  হাজার থেকে 1 লাখ টাকা আবার কেউ কেউ এক লাখ থেকে দশ লাখ বা তারও বেশি । এই কথাটি অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য বলে মনে হতে পারে কিন্তু এটাই সত্যি ।  ভাবছেন তাদের মতো আপনিও লাখ টাকা বা তারও বেশি ইনকাম করবেন অনলাইন থেকে । তাহলে এটা কিন্তু অবাস্তব কাল্পনিক কিছু নয় । আপনি চাইলে তার থেকেও অনেক গুণ বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন অনলাইন থেকে । তবে একটি কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন আপনি যে কোম্পানিতে কাজ করতে চাচ্ছেন সে কোম্পানির সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা আপনাকে অর্জন করে নিতে হবে সবার প্রথমেই । তার কারণ হল কোম্পানি সম্পর্কে যদি আপনার জ্ঞান বা ধারণা একেবারেই না থাকে তাহলে আপনি না কাজ করতে পারবেন না পারবেন ইনকাম করতে । কেবলমাত্র নষ্ট হবে আপনার মূল্যবান সময় । এখন ঠিক তেমনই একটি বিশ্বস্ত কোম্পানির সাথে আপনাকে পরিচিত করিয়ে দিব যে কোম্পানিকে সরাসরি ভাবে গুগল এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে । আমরা সকলেই হয়তো জানি গুগলের প্রায় ২০০ টিরও বেশি অনলাইন ভিত্তিক সার্ভিস রয়েছে আর সেগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় কিছু সার্ভিস আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হলো যেখান থেকে মানুষ ইনকাম করে নিচ্ছে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা বা তারও বেশি সম্পূর্ণ ফ্রিতে । শুধুমাত্র সঠিকভাবে কাজ শিখে এবং করে । গুগলের জনপ্রিয় কিছু সার্ভিস আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হলো : ( free crypto mining apps for android )

১ / ইউটিউব

২ / ব্লগার ওয়েবসাইট

৩ / গুগোল অনলাইন শপিং সার্ভিস

৪ / জিমেইল

৫ / গুগোল ড্রাইভ 

৬ / গুগোল ব্রাউজার

৭ / গুগোল ডোমেইন হোস্টিং

৮ / গুগোল সোশ্যাল মিডিয়া

৯ / গুগোল সার্চ ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি ব্যবহার করে



গুগলের উক্ত মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে মানুষ ফ্রিতে অনলাইন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করে নিচ্ছে । তবে আপনি ভাবতে পারেন যে সবগুলো মাধ্যম আপনার কাছে থাকা সত্ত্বেও আপনি কেন ইনকাম করতে পারছেন না তার সহজ উত্তর হল এর মাধ্যম গুলো সম্পর্কে আপনার পর্যাপ্ত জ্ঞান বা ধারণা নেই অথবা কিভাবে এগুলোকে ব্যবহার করতে হয় ইনকাম করার জন্য । যারা ইতিপূর্বেই গুগলের এই সার্ভিস গুলোর কাজ শিখে  ঠিকভাবে কাজ করছে তারা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারছে বা ভবিষ্যতে যারা এই সার্ভিসগুলোর কাজ সঠিকভাবে করতে পারবে তারাও পরবর্তীতে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবে । উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে আপনি যদি একটি চাকুরী করতে চান তাহলে অবশ্যই কিন্তু আপনাকে ২৫ থেকে ২৬ বছর পড়াশোনা করতে হয় চাকরিটি করার জন্য যোগ্যতা অর্জনের জন্য এছাড়াও আপনি যদি বিজনেস করতে চান তাহলেও কিন্তু সে বিষয়ে আপনার জ্ঞান বা ধারণা থাকতে হবে তা না হলে কিন্তু আপনার ব্যবসায় লস হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেশি । তবে তারা যারা গুগোলের এই সার্ভিসগুলোর মাধ্যমে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান তাদেরকে এই সার্ভিসগুলোর উপর সর্বোচ্চ  থেকে  বছর স্টাডি করতে হবে , একটা সময় পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা অর্জন করার পর আপনি কিন্তু সঠিকভাবে কাজ করে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন । ঠিক গুগলের মতই অনেকগুলো অনলাইন সার্ভিস নিয়ে আমাদের মাঝে চলে এসেছে বিশ্বস্ত এক নতুন কোম্পানি যার নাম Point Network । এই কোম্পানিটি এই প্রথম web 3.0 লেটেস্ট ভার্সন নিয়ে মার্কেটে চলে এসেছে । যে web 3.0 এখন পর্যন্ত গুগোল ব্যবহার করেনি তবে করতে চলেছে সেখানে Point Network তাদের পথযাত্রা শুরু করেছে web 3.0 এর মাধ্যমে । তো এখন আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারছেন যে এই কোম্পানিটি কতটা স্ট্রংলি প্রযুক্তি নিয়ে মার্কেটে এসেছে । Web 3.0 একটি ডিসেন্টালাইজড ওয়েবসাইট যেটিকে হ্যাক করা যাবে না বললেই চলে অর্থাৎ এখানে সিকিউরিটি সিস্টেম অনেকটাই কঠোর বলা যায় । এটি সম্পর্কে আপনি আরো বেশি কিছু জানতে পারবেন যখন এই রিভিউতে প্রবেশ করবেন । এখন আমরা জেনে নেব কিভাবে পয়েন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনি আপনার কর্মযাত্রা শুরু করবেন এবং অনলাইন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন । (free crypto mining apps for iphone)



 

গুগলকে টেক্কা দিতে এলো-How to point network account create



Point Network কি ধরনের কোম্পানি ?



উপরের আলোচনায় আপনারা পয়েন্ট নেটওয়ার্ক সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা লাভ করতে পেরেছেন কিন্তু এখন আমরা পূর্ণাঙ্গভাবে পয়েন্ট নেটওয়ার্কের বিষয়গুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরবো । উপরের আলোচনায় আমরা ডিরেক্টলি পয়েন্ট নেটওয়ার্ককে গুগলের সাথে তুলনা করেছি । গুগলের সাথে তুলনা করার কারণটি এখন জেনে নেই । গুগোলের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস পেয়ে থাকি সেগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় কিছু কিছু আমরা উপরে তুলে ধরেছি আর সেই সার্ভিস গুলোর মাধ্যমে অনেকে কিন্তু লাখ লাখ টাকা উপার্জন করে নিয়ে যাচ্ছে অনলাইন থেকে । পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানির কথা যদি আমরা বলি তাহলে তারাও কিন্তু নিয়ে এসেছে তাদের নিজস্ব নতুন ব্রাউজিং সিস্টেম । কোম্পানিতে নিজস্ব যে ব্রাউজার রয়েছে সেখান থেকেই আমরা ব্রাউজিং সুবিধা গুলো খুব সহজে গ্রহণ করতে পারবো । গুগোলের ক্রোম ব্রাউজার থেকে এখন পর্যন্ত ইনকাম করা যায় না তবে আপনি পয়েন্ট ব্রাউজার থেকে ইনকাম করতে পারবেন । এছাড়াও এখানে আপনি যখন ব্রাউজিং করে web 3.0 এর মাধ্যমে নিবন্ধন শেষ করবেন তাহলে কিন্তু আপনাকে ফ্রিতেই তারা একটি ডোমেন এবং সাব ডোমেন দিয়ে দিবে কোম্পানির পক্ষ থেকে  । তাদের দেওয়া ডোমেইনগুলো ডিসেন্টালাইজড ডোমেন হওয়ার কারণে এগুলো কেউ কেড়ে নিতে পারবে না বা হ্যাক করতে পারবে না । গুগোল ড্রাইভে ঠিক যেভাবে আপনি আপনার বিভিন্ন তথ্য নিরাপদ ভাবে রাখার সুবিধা পেয়ে থাকেন ঠিক তেমনি Point Network কোম্পানিতেও ডিসেন্ট্রি স্টোরেজ সুবিধাটি রাখা হয়েছে যেখানে আপনিও বিভিন্ন তথ্য রাখতে পারবেন এবং যেগুলো কেউ হ্যাক করতে পারবে না । পয়েন্ট নেটওয়ার্ক একটি বিশ্বস্ত কোম্পানী হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে বেশি একটা সময় লাগবে না তার কারণ হলো বিটকয়েন , বিটকয়েনিস্ট , কয়েন রাইস , কয়েন টেলিগ্রাফ এর মত বড় বড় প্রতিষ্ঠান পয়েন্ট নেটওয়ার্কের সাথে পার্টনারশিভ করে তুলেছে । তো এখন আপনি হয়তো বুঝতে পারছেন যে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো তো আর ফেক কোম্পানির সাথে পার্টনারশিপ করে তুলবে না । এক্ষেত্রে পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানির উপর আমাদের আস্থা অনেক বেড়ে যায় । এছাড়াও আরো একটি বিষয় আপনাদের মাঝে তুলে ধরি সেটি হল বিশ্বের দ্বিতীয়তম আমেরিকান দেশ থেকে পরিচালিত ডিজিটাল কারেন্সি FTX Exchange  wallet । সেই FTX পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিতে পার্টনারশিপ রয়েছে আপনি এখন খুব সহজেই অনুমান করতে পারছেন যে point Network এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি হতে পারে । এখানে আরো একটি বিষয় আপনাদের মাঝে তুলে ধরি সেটি হল আপনি ব্লাউজিং এর মাধ্যমে নিবন্ধন করার পর আপনার অ্যাকাউন্টটি আইডেন্টিটিফাই করতে পারবেন এটি একটি বাড়তি সুবিধা । গুগোলে আমরা কিন্তু মেইল করার সুযোগ পেয়ে যাই যেটিকে জিমেইল বলা হয়ে থাকে । আর এই মেইল ছাড়া অনলাইনে কোন কাজ করা যায় না । উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে আপনি স্মার্ট ফোনের মধ্যে সিম ছাড়া যেমন কথা বলতে পারবেন না ঠিক তেমনি ইমেইল ছাড়া অনলাইনের কোন কাজ করতে পারবেন না । ঠিক গুগলের মতোই পয়েন্ট নেটওয়ার্ক নিয়ে এসেছে পয়েন্ট মেইল । যেটার কাজ করার ক্ষমতা গুগোলের ইমেইলের মতোই । এছাড়াও আমরা পয়েন্ট নেটওয়ার্কে একটি পয়েন্ট সোশ্যাল ওয়েবসাইট খুঁজে পাবো যেখানে ফেসবুকের মতোই সামাজিক গণমাধ্যম উপভোগ করা যাবে পয়েন্ট সোশ্যাল এর মাধ্যমে । যেখান থেকে টাকাও উপার্জন করা যাবে ।


পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিতে কাজ করার জন্য কি প্রয়োজন ?


আমরা আগে আলোচনা করেছি যে যদি কোন কোম্পানিতে কাজ করতে হয় তাহলে আমাদেরকে সর্বপ্রথম সেই কোম্পানির নিয়ম কানুন এবং রুলস সবার প্রথমে জানতে হবে । পয়েন্ট নেটওয়ার্ক সম্পর্কে উপরের আলোচনায় আমরা কিছুটা হলেও আইডিয়া পেয়েছি । তবে আপনি যদি চান যে আরও বেশি জ্ঞান অর্জন করবেন পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানি সম্পর্কে তাহলে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তাদের হোয়াইট পেপার এবং রোড ম্যাপ দেখলেই আপনি বুঝে যাবেন তাদের সব পরিকল্পনা এবং তাদের ওয়েবসাইটে কিভাবে কাজ করতে হবে এবং তারা কি কি নিয়মে কাজগুলো ফ্রিতে অফার করেছে । তবে আমি মনে করি পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিতে কাজ করার জন্য আপনার সর্বপ্রথম যে দুটি জিনিসের প্রয়োজন হবে সেটি হল ধৈর্য এবং স্মার্টফোন । তার কারণ হলো কোম্পানিগুলো যখন মার্কেটে নতুন আসে তখন কিন্তু হুট করেই নিজে রা মার্কেটপ্লেস তৈরি করতে পারে না এজন্য তাদেরকে এক বা দুই বছর সময় লেগে যায় । আর সেজন্যই আমি বলব পয়েন্ট নেটওয়ার্কে কাজ করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ধৈর্যের । আর যদি আপনি বলেন যে না আমি স্মার্টফোন নয় আমি একটি ল্যাপটপের মাধ্যমে পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিতে কাজ করতে চাই হ্যাঁ তবে সেটাও করতে পারবেন । 

Point Network কোম্পানিতে স্টুডেন্টদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ?

অনেক সময় দেখা যায় অনেক স্টুডেন্ট রয়েছে যারা তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি অনলাইন ইনকামের উপর ঝাপিয়ে পড়ে বা অনলাইন থেকে ইনকাম করার আগ্রহ খুঁজে পায় । আর তাদের জন্য পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিটি অন্যতম একটি ইনকাম সোর্স হতে পারে । তাছাড়া এখানে তেমন কোন বাড়তি কাজ নেই কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট সময় পর মাইনিং অপশনটি চালু করে এবং কোম্পানিনীতিতে অন্য কোন কাজ থাকলে সেটি সমাধান করার পর আপনি বাহির হয়ে যেতে পারবেন আর এজন্য আমার মনে হয় না সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ড এর বেশি সময় লাগবে । যে কারণে স্টুডেন্টরা তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি এই কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ করে নিতে পারে এজন্য তাদের লেখাপড়ার উপর কোনরূপ ব্যাঘাত ঘটবে না । এখানে মাইনিং করেও ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে যার কারণে স্টুডেন্টরাও এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারে । স্টুডেন্ট সহ যে কেউ চাইলেই এখানে অন্যান্য কাজগুলো করেও টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।  

Point network কোম্পানিতে একাউন্ট কিভাবে খুলবো ?


পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিতে জয়েন হওয়ার জন্য আপনার যে বিষয়টি সর্বপ্রথম জরুরী সেটি হল টুইটার একাউন্ট । পরবর্তীতে আপনি তাদের ওয়েবসাইট থেকে টুইটার লিংকে ক্লিক করার মাধ্যমে point network  কোম্পানির অফিসিয়াল ব্রাউজিংএ চলে যাবেন । সেখানে আপনারা দেখতে পারবেন পয়েন্ট নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট সেখানে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনাকে অটোমেটিকলি নিয়ে যাওয়া হবে ডাউনলোড আলফা এপ ইনস্টল সাইটে । সেখান থেকে আপনাকে ডাউনলোড করে নিতে হবে আলফা । সফটওয়্যারটি ইন্সটল হওয়ার পর অ্যাপটিতে ঢোকার পর আপনাকে নেক্সট আইকন সিলেক্ট করে এগিয়ে যেতে হবে বরাবরের মতোই অন্যান্য সফটওয়্যার এর মত । তবে আপনি যদি ল্যাপটপ অথবা পিসির মাধ্যমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে চান তাহলে কিন্তু আপনাকে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ ইন্সটল করে নিতে হবে । ইন্সটল কমপ্লিট করার পর একাউন্ট তৈরি করে আপনি কিভাবে ১০ কয়েন ফ্রিতে নিয়ে নিবেন সেই বিষয়টি তুলে ধরা যাক । আপনার টুইটার একাউন্ট থেকে আপনার নামটি সিলেক্ট করে সেটি ওয়ালেট এক্সচেঞ্জে যুক্ত করলেই আপনি 10 করেন ফ্রিতে পেয়ে যাবেন । এটি কিন্তু খুবই সহজ একটি প্রসেস । পরবর্তীতে কিন্তু পয়েন্ট নেটওয়ার্ক কোম্পানিটি এই অফারটি চালু নাও রাখতে পারে । মাইনিং করে একটা সময় যখন পয়েন্ট কোম্পানি মার্কেটে চলে আসবে তখন তারা কয়েন লিস্ট করে দিবে আর সেই কয়েন গুলোকে আপনি বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট এর মাধ্যমে দেশ অনুযায়ী লোকাল কারেন্সি মাধ্যমে ওঠাতে পারবেন । এখন আপনারা বলতে পারেন যে ১০ টি ফ্রী কয়েনের মূল্য কত হতে পারে ? প্রতিটা কয়েনের মূল্য ভবিষ্যতে ১০০$ ডলার থেকে 1,000$ ডলারও হতে পারে । তবে দশটি কয়েন অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনি তখনই পাবেন যখন আপনি টুইটার একাউন্ট ভেরিফাই করতে সফল হবেন পয়েন্ট নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের সাথে । তবে এটা তো গেল শুধু একাউন্ট খুলে ইনকাম করা এছাড়াও মাইনিং এর মাধ্যমে বেশি কয়েন উপার্জন করার সুযোগ তো পাবেনই । একবার ভেবে দেখুন সেখান থেকে আপনি যদি 50,000 কয়েন ইনকাম করতে পারেন আর সেগুলোর মূল্য যদি ১$ থেকে শুরু করে ১০০$ কিংবা তারও বেশি ডলার করে হয়ে যায় তাহলে ক্যালকুলেশন করে দেখুন আপনি কত টাকার মালিক । 


ওয়েবসাইটটিতে একাউন্ট খোলার জন্য প্রবেশ করতে এখানে ক্লিক করুন এবং যদি একাউন্ট খুলতে কোন রকমের সমস্যা হয় তাহলে এখানে ক্লিক করে ইউটিউব থেকে ভিডিওটি দেখে নিন।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ