Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

এখন বিকাশ থেকে টাকা যাবে নগদে আবার নগদ থেকে টাকা পাঠানো যাবে রকেটে-নতুন নিয়ম চালু হল

একটা সময় ছিল মানুষ লেনদেন বলতে শুধুমাত্র অফলাইনে ফেস টু ফেস লেনদেন কেই বুঝে থাকতো তবে সময়ের পরিক্রমায় বা ধারাবাহিকতায় সেই নিয়ম আল্লায় দিলে বদলে গিয়েছে অনেকটাই এখন মানুষ অনলাইনের মাধ্যমে কিংবা ডিজিটালভাবে ও লেনদেন করে থাকেন অর্থ এমন খবর আমরা ইতিপূর্বে অনেক আগেই পেয়েছি।

অথবা আমরা নিজেরাও কিন্তু ডিজিটালভাবে বিভিন্ন সময় লেনদেন করে থাকি ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করা নিরাপদ যদিও ব্যাংকে যাওয়া আসা লাইনে দাঁড়ানো ইত্যাদি অনেক ঝামেলার ব্যাপার-স্যাপার রয়েছে যে কারণে বেশিরভাগ মানুষই ব্যাংকে লেনদেন করতে চায় না তবে সে ধারণাকে পাল্টে দিয়েছিল বিকাশ, রকেট, নগদ এর মত মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস গুলো কারণ এই মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস গুলো ব্যবহার করে এখন যে কেউ চাইলে ঝামেলা ছাড়াই লেনদেন করতে পারে দিনের ২৪ ঘন্টা সপ্তাহে সাত দিন।

তবে এটা ভুলে গেল চলবে না যেই জিনিসের ক্রিড়া রয়েছে সেই জিনিসের প্রতিক্রিয়াও রয়েছে অর্থাৎ প্রতিটা জিনিসেরই রয়েছে ভালো দিক ও মন্দ দিক পৃথিবীর মানুষ রিসার্চ করে দেখে যেই জিনিসের ভালো দিক বেশি সেই জিনিসই গ্রহণ করা হয় আর যে জিনিসের খারাপ দিক বেশি সেই জিনিসগুলোকে বর্জন করা হয় এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী।




যাইহোক মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস গুলো আশাতে মানুষের ভোগান্তি তো অনেকটা কমেছে কিন্তু বেড়ে গিয়েছিল গ্রাহকদের লেনদেন করার ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ কারণ ১ হাজার টাকা লেনদেন করতে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা খরচ করতে হয় যেখানে ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করলে এক হাজার টাকায় মাত্র তিন থেকে চার টাকা খরচ হয় সে দিক দিয়ে বিবেচনা করলে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস গুলো আমাদের সাথে এক ধরনের জুলুম করতাছে বলা যেতে পারে।

ইতিপূর্বে আমরা জানতে পেরেছি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বমোট এখন পাওয়া খবর অনুযায়ী 18 টি ব্যাংকে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস অর্থাৎ মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এর ভিতরে বেশ কিছু কোম্পানি ইতিপূর্বে চালু করে ফেলেছেন আবার অনেক কোম্পানি প্রক্রিয়া দিন রেখেছেন তাদের কার্যক্রম।

আমরা জানি বাংলাদেশের বাজারে কিন্তু এখন বিকাশ বেশ পপুলার ও জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস সেক্টরে পিসিএ নেই আরেকটি কোম্পানি যার নাম হচ্ছে নগদ যদিও নগদ নিয়ে অতীতে আমরা অনেক সমালোচনা শুনেছি কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হচ্ছে বিকাশের পর অবস্থানে রয়েছে নগদের অবস্থান।

যাইহোক এখন কথা হচ্ছে আমরা যখন বিভিন্ন সময় প্রয়োজনে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে লেনদেন করতে চাই তখন আমরা দেখতে পাই ক্যাশ আউট করতে গেলে কোন কোম্পানি ১৮ টাকা ৫০ পয়সা সার্ভিস চার্জ কেটে নিচ্ছে যেটা অনেক বেশি আবার কোন কোম্পানি একটু এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টার কারণে ১৪ টাকা ৫০ পয়সা সার্ভিস চার্জ কেটে থাকেন যাই হোক এখন এটা বলাই যায় যতই এই মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস গুলোর বিরুদ্ধে কমপ্লেন থাকুক না কেন এই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এখন মানুষের লেনদেন করা অনেক সহজ হয়েছে অনেক সময় মানুষের বেঁচে যায় এটা কিন্তু মানতেই হবে বস আর এই সার্ভিসগুলোকে অনুমোদন দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে তো একটা ধন্যবাদ দেওয়াই যায়।

এতদিন আমরা শুনে আসছিলাম বিকাশ থেকে বিকাশে টাকা ট্রান্সফার করা যায় এটা খুবই নরমাল একটা বিষয় নগদ থেকে নগদে টাকা ট্রান্সফার করা যায় কিংবা রকেট থেকে রকেটে বা উপায় থেকে উপায় টাকা ট্রান্সফার করা যায় এই বিষয়গুলো বেশ পুরনো তবে এখন নতুন খবর হচ্ছে আপনারা চাইলে এখন থেকে বিকাশ থেকে টাকা নগদে পাঠাতে পারবেন আবার নগদ থেকে টাকা রকেটে পাঠাতে পারবেন আবার রকেট থেকে টাকা উপায়ে পাঠাতে পারবেন।

অর্থাৎ অনেকটা মোবাইল কোম্পানির সিম সার্ভিস গুলোর মত হয়ে যাচ্ছে যেমন গ্রামীণফোন থেকে banglalink এ কল দেওয়া যায় আবার বাংলালিংক থেকে যেমন রবিতে কল দেওয়া যায় ঠিক অনেকটা ওরকম বলা যেতে পারে উদাহরণ হিসেবে এই সার্ভিসটি আনাতে আমাদের জন্য অনেকেই ভালো হয়েছে এটা আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করে থাকি কারণ ছোট ছোট কোম্পানিরা পিছিয়ে পড়ছিল আর বড় কোম্পানিরা মার্কেট বেশি দখল করার কারণে তারা এক চাটিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছিল যেটা ছোট কোম্পানির গুলোর জন্য অনেক ক্ষতির কারণ হচ্ছিল আর বড় কোম্পানিগুলো মার্কেট বেশি দখল করে এক চাতিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছিল এখন আর সেটা হবে না এখন সবাই সমান অধিকার পাবে যেমনটা আমরা বলে থাকি ছেলে মেয়ে সমান অধিকার ওরকমটা অনেকটা তবে এটা ভুলে গেলে চলবে না কথায় বলে বড়র বড় গুন হইয়া ঘাস খায় ছোটর ছোট গুণ ঠেট দেরি by।





এখন বিকাশ থেকে টাকা যাবে নগদে আবার নগদ থেকে টাকা পাঠানো যাবে রকেটে-নতুন নিয়ম চালু হল





কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে শুনতে পেয়েছিলাম বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদের ভিত্তিতে সেটা হচ্ছে এক মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটর থেকে আরেক মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটরে টাকা পাঠানো যাবে তবে অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে মাঝখানে সরকারি কাজ বলে কথা একটু দেরি হবেই তাই না যাইহোক অনেক জল্পনা-কল্পনার পরে অবশেষে আমরা পেয়েছি এ সার্ভিস এটিই বড় কথা।

এখন অনেকে বলতে পারেন ভাই আমরা কি বিকাশ মেনুতে গেলেই কি নগদে কিংবা রকেটে বা উপায় অ্যাপে টাকা পাঠানোর অপশন পেয়ে যাব? এখানে একটু দ্বিধা দ্বন্দ্ব রয়েছে তবে পুরো আর্টিকেলটি পড়ুন বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

বিকাশ থেকে নগদে কিংবা নগদ থেকে বিকাশে এই ধরনের টাকা পাঠানোর সার্ভিসগুলোর জন্য প্রয়োজন মনে করেছেন নীতি নির্ধারকরা ঠাট পার্টির একটি কোম্পানিকে অর্থাৎ এই সার্ভিসগুলো আপনারা উপভোগ করতে পারবেন বিনিময় নামে একটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যেখানে আপনাদের সঠিক গভমেন্ট থেকে ইসুকিত ডকুমেন্ট সাবমিট করে অ্যাপটিতে আপনাদের রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট করতে হবে যেমনটা আমরা রকেট বিকাশ কিংবা নগদে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় দিয়েছিলাম ইনফরমেশন।

এরপর আপনারা ওই বিনিময় অ্যাপ এর মাধ্যমে এক অপারেটর থেকে আরেক অপারেটরে টাকা ট্রান্সফারের সুবিধা পাবেন এটা হল গিয়া মূল বিষয় যেটি আবার পরিচালনা করতেছেন বলে আমরা জেনেছি সেটি হচ্ছে ভারতের একটি প্রতিষ্টান যারা পেমেন্টই নিয়ে কাজ করে থাকেন এমন একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এই কার্যক্রম যার নাম দেওয়া হয়েছে বিনিময় অর্থাৎ এক হাত থেকে আরেক হাতে যাবে টাকা যার কারণে এই নামটি দেওয়া হয়েছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করে থাকি আপনাদের ব্যক্তিগত মতামত কি? এ বিষয়ে এই সার্ভিসগুলো আশাতে আমাদের প্রয়োজনের খুদা কতটুকু মিটাতে পারবে সেগুলো জানিয়ে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

আর হ্যাঁ এই আর্টিকেলটি তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশ এ প্রচারিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদের ভিত্তিতে আপনারা এ বিষয়ে প্রথম আলো পত্রিকায় একটি আর্টিকেল পেয়ে যাবেন।

Post a Comment

0 Comments