Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

টিকটক একাউন্ট ভাইরাল করতে কত গুলা ফলোয়ার লাগে?-Tiktok viral krte kto-gula follower lage?

ডিজিটাল সময়ের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হল টিকটক এবং এর ব্যবহারকারির সংখ্যা দিন যত এগোচ্ছে ততই কিন্তু বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনপ্রিয়তার কথা যেহেতু চলে এসেছে তাহলে আপনাদেরকে একটি ধারণা দিয়ে দেওয়া যাক। facebook কে ছাড়িয়ে প্লে স্টোরে সর্বোচ্চ ডাউনলোড এর তালিকায় এখন tiktok এর অবস্থান রয়েছে সবার প্রথমে। এছাড়াও জনপ্রিয় ইউটিউব প্লাটফর্মের কথা আমরা সকলেই হয়তো জানি আর সেটিকেও পিছনে ফেলে ভিউ এর তালিকায় এগিয়ে tiktok। জনপ্রিয় দুইটি ‌সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মকে পিছনে ফেলে tiktok এর অবস্থান সবার প্রথম সাড়িতে। বিনোদন নেওয়া থেকে শুরু করে টিকটক থেকে ইনকাম করার জন্য  ভিডিও তৈরি করা হয়ে থাকে। টিকটকের পথযাত্রা শুরুর থেকে তারা শর্ট ভিডিও তৈরি করার সুযোগ দিত কিন্তু বর্তমান সময়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করার ফলে তারা তাদের গ্রাহাকদেরকে বিভিন্ন ধরনের ফেসিলিটি দিয়ে থাকি আর এজন্য এখন কিন্তু আমরা দশ মিনিটের ভিডিও আপলোড করতে পারি। ভবিষ্যতে হয়তো এর থেকে বেশি দৈর্ঘ্য সময়ের ভিডিও আপলোড করতে পারব। ( টিকটক ব্যবহারের নিয়ম )


আমরা অনেককেই দেখতে পেয়ে যাবো যারা tiktok মার্কেট প্লেসে ভিডিও তৈরি করে থাকে নিজেদের আগ্রহের উপর ডিপেন্ড করে আবার কেউ কেউ তৈরি করে থাকে ইনকাম করার জন্য। তো যাইহোক আপনাদেরকে টিকটক থেকে ইনকাম করার জন্য সর্বপ্রথম বেশ কিছু রুলস মেনে চলতে হবে এবং আপনাদের ভিডিওগুলোকে ভাইরাল করতে হবে‌। আপনি এখানে যে ভিডিও গুলো আপলোড করবেন সেগুলো ভাইরাল না হলে কিন্তু আপনারা ইনকাম করতে পারবেন না। আমরা অনেক সময় দেখে থাকি বিভিন্ন সেলিব্রিটিদের আপলোড করা ভিডিও গুলোতে যে পরিমাণ ভিউ হয় সে পরিমাণও ভিউ কিন্তু নতুন অবস্থায় আমাদের আপলোড করা ভিডিওতে হয় না। এটার বেশ কিছু কারণ রয়েছে আর যেগুলোকে আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করা হবে। কিভাবে আপনারা tiktok মার্কেট প্লেসে সেলিব্রিটি হতে পারবেন এবং আপনাদের পোস্ট করা ভিডিও গুলোতে অনেক বেশি বেশি ভিউ হবে। এছাড়াও আমাদের যে tiktok একাউন্ট রয়েছে সেটার নাম Digital Bangla 360। সেখান থেকেও আপনারা ধারনা অর্জন করে নিতে পারবেন। তো এখন কথা না বাড়িয়ে মূল কথায় চলে আসি কিভাবে আপনারা আপনাদের আপলোড করা ভিডিও গুলোকে ভাইরাল করতে পারবেন। ( টিকটকে ভাইরাল হওয়ার উপায় )




আমরা যারা tiktok মার্কেট প্লেসে ভিডিও আপলোড করি তাদের সকলেরই কিন্তু কোন না কোন উদ্দেশ্য আছে। কারো কারো উদ্দেশ্য তারা এখানে ভিডিও তৈরি করে প্রায় সকলের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করা বা Celebrity হওয়া। তাছাড়াও একেকজনের উদ্দেশ্য কিন্তু একেক রকম হতে পারে। এখানে আপনাদের কি কি উদ্দেশ্য রয়েছে সেটা আপনাদের ব্যক্তিগত মেটার। ইতিমধ্যে আমরা যারা tiktok মার্কেটপ্লেসের ভিডিও তৈরি করে থাকি কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী পোস্ট করতে পারিনা বিধায় সেগুলো কিন্তু ভাইরাল হয় না। আর আপনাদের এই সমস্যাটির সমাধান দেওয়ার জন্য আপনাদের মাঝে এই আর্টিকেলটি তৈরি করেছি। আমরা সচরাচর দেখে থাকি যে ভিডিওগুলো ফরইউপেইজে চলে আসে সেগুলোই মূলত ভাইরাল হয়ে থাকে। tiktok অ্যাপ্লিকেশনটি ওপেন করলেই আমরা দেখতে পেয়ে যাই ফরইউপেইজে হাজার হাজার কিংবা লক্ষ লক্ষ ভিডিও চলে আসে সেগুলোই কিন্তু ভাইরাল ভিডিও। বেশ কিছু রুলস বা প্রক্রিয়া রয়েছে যেগুলো ফলো করে টিকটক ভিডিও আপলোড করলে আপনার ভিডিওটি ভাইরাল হবেই হবে। প্রক্রিয়াগুলো আপনাদের মাঝে নিচে আলোচনা করা হলো। ( টিকটক ব্যবহারের নিয়ম


টিকটক একাউন্ট ভাইরাল করতে কত গুলা ফলোয়ার লাগে?-Tiktok viral krte kto-gula follower lage?




সেলিব্রিটিদের সাথে ডুয়েট করতে হবে


টিকটক মার্কেটপ্লেসে যাদের ভিডিও গুলোতে ভিউ বেশি হয় এবং যারা সেলিব্রিটি রয়েছে তাদেরকে বেশি মানুষ চিনে এবং tiktok তাদের পোস্ট করা ভিডিও গুলোকে বেশি বেশি ভাইরাল করে দেয়। এক্ষেত্রে আপনারা যদি তাদের সাথে ডুয়েট এর মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে পোস্ট করেন তাহলে কিন্তু মানুষ তাদের মাধ্যমে আপনার পোস্ট করা ভিডিও গুলো বেশী বেশী দেখবে। এক্ষেত্রে আপনারা চেষ্টা করবেন যাদের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের সাথে ডুয়েট বেশি করা। আপনারা যদি tiktok এ আপনাদের পোস্ট করা ভিডিও গুলোকে প্রায় সকলের মাঝে পৌঁছে দিতে চান বা ভিউ বাড়াতে চান তাহলে এটা কিন্তু অনেকটাই কাজে আসার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। বিশেষ করে আমরা অনেক সময় দেখে থাকবো যারা সেলিব্রিটি রয়েছে তাদের সাথে ডুয়েট করে অনেকেই কিন্তু ভিডিও তৈরি করে থাকে। এটা চাইলে আপনারাও করতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে আপনার একাউন্টে ফলোয়ার এবং আপনার ভিডিওতে ভিউ দুইটাই বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ( টিকটক ডুয়েট করার কৌশল )


ট্রেন্ডিং বা নতুন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সাউন্ড ব্যবহার করা


মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য আপনার পোস্ট করা ভিডিও গুলোতে একটি মনরোচক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সাউন্ড ব্যবহার করা প্রয়োজন। আমরা যখন tiktok এ ভিডিও দেখি তখন কিন্তু সেখানে দেখতে পেয়ে যাবো For You নামক অপশনে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও। আর সেই ভিডিওগুলোতে যে মিউজিক গুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলোই মূলত Trending বা নতুন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। এখানে অবশ্যই আপনারা চাইলে আপনাদের নিজেদের ভয়েস এর মাধ্যমেও ব্যাকগ্রাউন্ড ক্রিয়েট করতে পারবেন। তবে সব সময় আপনি চেষ্টা করবেন আপনি যে ভিডিওগুলো পোস্ট করবেন সেগুলোতে যেন নতুন মিউজিক সাউন্ড থাকে। আর সেটা ব্যবহার করার ফলে মানুষ কিন্তু আকৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে এবং ভিডিওটি দেখে এতে করে কিন্তু আপনার ভিউ এর সংখ্যাও বাড়ে। আর আপনি যদি পুরনো সাউন্ড ব্যবহার করেন তাহলে মানুষ সেগুলোকে অনেকটা এড়িয়ে যাবে বা দেখবে না। আপনাদের পোস্ট করা ভিডিওগুলোকে ভাইরাল করার জন্য এদিকে নজর রাখতে হবে। ( tiktok এ কিভাবে মিউজিক ব্যবহার করা হয় )




ট্রেন্ডিং টাইটেল এবং হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করা


আপনি একটি ভিডিও তৈরি করেছেন এবং সেটিকে টিকটকে আপলোড করার জন্য আপনাকে কিন্তু একটি ভালো মানের এবং ট্রেন্ডিং টাইটেল বা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার জন্য এটা কিন্তু খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আর আপনি আপনার ভিডিওতে হ্যাশট্যাগ এবং টাইটেল ব্যবহার করার সময় অনেকটা সচেতন থাকবেন তার কারণ হলো আপনি যে বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরি করেছেন ঠিক সেই বিষয়ে একটি হ্যাশট্যাগ বা টাইটেল তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে আপনি যে টপিকের উপর ভিত্তি করে ভিডিও তৈরি করেছেন সে টপিক থেকে কয়েকটি ট্রেন্ডিং হ্যাশটেক ব্যবহার করবেন। কিছু কিছু সহজ টেকনিক রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনারা অতি দ্রুত সময়ে ভাইরাল হতে পারবেন। আপনার ভিডিওগুলো হ্যাশট্যাগ এবং টাইটাল এর উপর ভিত্তি করে ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তো এক্ষেত্রে আমাদেরকে অনেকটা লক্ষ রাখতে হবে। ( হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম )


ভিডিওতে নতুনত্ব বজায় রাখা


আপনি সবসময় লক্ষ্য রাখবেন আপনি যে ভিডিওগুলো তৈরি করবেন সেগুলোতে যেন অবশ্যই আকর্ষণীয় কিছু থাকে। যদি আপনার ভিডিও গুলোতে আকর্ষণীয় কিছু থেকে থাকে তাহলে কিন্তু সেটা সবার কাছে মোটামুটি প্রাধান্য পাবে। মানুষ তাহলে আপনার ভিডিওটিকে দেখবে। আর সব সময় ভিডিওতে নতুনত্ব বজায় রাখতে হবে। আপনারা যদি একই স্টাইলে ভিডিও তৈরী করতে থাকেন তাহলে কিন্তু মানুষ অনেকটা বিরক্ত হতে পারে। ভিডিও তৈরি করার সময় অবশ্যই এই দিকে গুরুত্ব আরোপ করতে হবে আমাদেরকে। আপনি যদি আপনার ভিডিওর মাধ্যমে নতুন নতুন কিছু নিয়ে আসেন তাহলে কিন্তু আপনার ফলোয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। আর সবসময় ট্রাই করতে হবে হাই কোয়ালিটি অর্থাৎ ভালো মানের ভিডিও তৈরি করা। আর এজন্য আপনাকে ভালো মানের এডিট করা শিখতে হবে। ভিডিওতে খুবই আকর্ষণীয় মানের ইমপ্রেসন তৈরি করতে হবে। আর যদি আপনি এগুলো ভালোভাবে করতে পারেন তাহলে আপনার ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়। তবে আপনি অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন আপনার ভিডিওতে নতুনত্ব আনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে সেটা সাধারণ মানুষের উপর খারাপ কিছু বয়ে আনতে পারে অথবা ধর্মের উপর হস্তক্ষেপ করতে পারে এই ধরনের কাজগুলো থেকে আমাদেরকে বিরত থাকতে হবে। আপনার ভিডিওতে নতুনত্ব ফুটিয়ে তোলার জন্য এমন কিছু করবেন না যেটা সমাজের ক্ষতি হতে পারে বা ধর্মের উপর আঘাত আসতে পারে। যদি এই ধরনের কাজগুলো করেন তাহলে আপনার ক্ষতি হতে পারে।
( টিক টক কিভাবে করে )


অ্যাকাউন্ট সাজানো এবং ক্যাটাগরি সিলেক্ট


আপনি যদি প্রফেশনাল ভাবে টিকটক ভিডিও তৈরি করে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে চান তাহলে কিন্তু আপনাকে আপনার tiktok অ্যাকাউন্টটি ভালোভাবে সাজাতে হবে। এই বিষয়টি কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা। আপনার অ্যাকাউন্টটি যদি প্রফেশনাল মানের করে বানাতে চান তাহলে আপনাকে সর্বপ্রথম একটি আকর্ষণীয় মানের প্রোফাইল পিকচার সিলেক্ট করতে হবে। প্রোফাইল পিকচার সিলেক্ট করার পর একটি কাভার ফটো সিলেক্ট করে হবে। এছাড়াও আপনারা বিও নামক অপশনে আপনাদের সম্পর্কে কিছু কথা লিখে রাখতে পারেন। এরপরে টিকটক ভিডিও তৈরি করার জন্য আপনাদেরকে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করতে হবে। অর্থাৎ আপনি কোন ক্যাটাগরির উপরে ভিডিও করবেন সেটা সিলেক্ট করতে হবে। আপনি যদি ফানি ভিডিও তৈরি করতে চান তাহলে ফানি ক্যাটাগরি সিলেক্ট করবেন , আর যদি এন্টারটেইনমেন্ট ভিডিও তৈরি করতে চান তাহলে এন্টারটেইনমেন্ট ক্যাটাগরি সিলেক্ট করতে হবে। এটা করার পর আপনাদের অ্যাকাউন্ট এর ভ্যালু অনেকটা বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। ( কিভাবে টিকটক আইডি খুলতে হয় )


আপনারা এই পদক্ষেপ গুলো ছাড়াও আরো বেশ কিছু পদক্ষেপ রয়েছে যেগুলো ফলো করে খুব সহজেই আপনাদের ভিডিওগুলোকে ভাইরাল করতে পারবেন।


tiktok এর গাইডলাইন না মেনে কি এখানে কাজ করা যাবে ?




আমরা যদি কোন ব্যবসা করে থাকি তাহলে কিন্তু আমাদেরকে সেই ব্যবসার পলিসি মেনে কাজ করতে হয় , আবার যদি কেউ চাকরি করে থাকি তাহলে কিন্তু বিভিন্ন রুলস মেন চাকরি করতে হয়। অর্থাৎ প্রতিটা কাজের একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা থেকে থাকে। ঠিক তেমনি tiktok মার্কেট প্লেসে ভিডিও আপলোড করা থেকে শুরু করে প্রতিটা কাজই আপনাদেরকে গাইডলাইন ফলো করে করতে হবে। এখানে আপনারা অন্য কারো ভিডিও কপি করে এনে আপলোড করতে পারবেন না, এছাড়াও আপনারা ১৮ প্লাস কোন কনটেন্ট এখানে আপলোড করতে পারবেন না। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আপনাদের ভিডিওগুলো হতে হবে সম্পূর্ণ আপনাদের নিজস্ব তৈরি। এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের গাইডলাইন রয়েছে যেগুলোকে অমান্য করে ভিডিও আপলোড করলে আপনারা ইনকাম তো পাবেনই না আপনার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। tiktok এর গাইডলাইন গুলো আপনারা যদি আরো ভালোভাবে জানতে চান তাহলে টিকটক থেকে বা গুগোলে tiktok গাইড লাইন লিখে সার্চ করে জেনে নিতে পারেন। এখানে গাইডলাইন না মেনে কাজ করার কোন সুযোগ কিন্তু থাকছে না। গাইডলাইন না মেনে যে কোন কাজ করার ফলে আপনার একাউন্টটি কিন্তু চলে যেতে পারে। ( টিকটক গাইড লাইন )




টিকটক থেকে কিভাবে ইনকাম করা যাবে ?


কেবলমাত্র বিনোদন জন্য নয় অনেকেই রয়েছে যারা টিকটক থেকে ইনকাম করার জন্য ভিডিও তৈরি করে থাকে। টিকটক থেকে ইনকাম করার বিষয়টি আমরা অনেকে হয়তো জানতাম না। তো আজকে এই রিভিউ এর মাধ্যমে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দিব কিভাবে টিকটকে ভিডিও তৈরি করার মাধ্যমে আপনারা ইনকাম করে নিতে পারবেন। youtube এর মতো টিকটক থেকে মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে ইনকাম করে যেতে পারবো কিন্তু পৃথিবীর প্রতিটা দেশে এই সিস্টেমটি এখন পর্যন্ত চালু হয়নি বেশ কিছু দেশে এই সিস্টেমের মাধ্যমে ইনকাম করা যায় টিকটক থেকে। এছাড়াও আপনারা যদি টিকটক থেকে হিউজ পরিমান ইনকাম করতে চান তাহলে স্পন্সরের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। আপনার ভিডিওগুলোতে যদি ভিউ বেশি হয় তাহলে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পন্যগুলোকে স্পন্সর ভিডিও আপনার মাধ্যমে করিয়ে নিবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অ্যামাউন্ট দেওয়ার মাধ্যমে। এছাড়াও আপনারা গিফট কার্ড এবং গিফট বক্স এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যদি ভিডিও বানান তাহলে আপনার যে ভিউয়াররা রয়েছে তারা আপনাকে গিফট বক্সের মাধ্যমে ডলার বা টাকা প্রদান করতে পারবে বা অনেকে করে থাকে সেখান থেকেও কিন্তু আপনারা হিউজ পরিমান ইনকাম করে নিতে পারবেন। তবে এখানে আপনারা একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন টিকটকে যদি আপনাদের ভিডিও ভাইরাল না হয় তাহলে কিন্তু আপনারা কোন ভাবেই ইনকাম করতে পারবেন না। আর যদি আপনাদের ভিডিওগুলো ভাইরাল হয় তাহলে এই tiktok থেকে আপনারা অনেক রকম ভাবে ফ্রিতে বা বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন লাইফ টাইম বা সারা জীবন ধরে। আপনার ভিডিও যদি মানসম্মত ও চলমান বিষয়গুলো নিয়ে হয়ে থাকে তাহলে কিন্তু ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেশি থাকে। আর আপনারা যদি এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের ভিডিওগুলো তৈরি করতে পারেন তাহলে টিকটক তাদের অ্যালগরিদম এর মাধ্যমে আপনাদের ভিডিওগুলোকে ভাইরাল করে দিবে। ( টিকটক থেকে টাকা ইনকাম 2022 )


টিকটক থেকে কত টাকা ইনকাম করতে পারব এবং কিভাবে টাকাগুলো উঠাবো ?


টিকটক মার্কেটপ্লেস থেকে আপনারা কি পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন সেটা নির্ভর করবে আপনাদের কাজের উপর। সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনাদের ফলোয়ারের সংখ্যার যত বেশি হবে এখান থেকে আপনারা তত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনাদের যত বেশি ফলোয়ার হবে আপনাদের ভিডিও গুলোতে কিন্তু তত বেশি ভিউ হবে, আপনাদের ভিডিওগুলোতে বেশি ভিউ হলে টিকটক কোম্পানি আপনাদের ভিডিও গুলোতে মনিটাইজেশনের মাধ্যমে বেশি বেশি অ্যাড বসাবে। আর এখান থেকে আপনারা প্রতি মাসে ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর যদি আপনার চ্যানেল আরো বেশি বড় হয় তাহলে কিন্তু এখান থেকে আপনারা আরো বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর এই টাকাগুলো আপনারা youtube অথবা facebook এর মত ব্যাংক ট্রান্সফার কিংবা ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড বা ভিসা কার্ডের মাধ্যমে টাকাগুলো উঠাতে পারবেন। এখান থেকে পেমেন্টের বিষয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই এখান থেকে আপনারা ১০০% গ্যারান্টি সহকারে পেমেন্ট হাতে পেয়ে থাকবেন তবে শর্ত হচ্ছে এখানে নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। ( টিকটক থেকে টাকা ইনকাম )



আশা করি এখান থেকে আপনারা কিন্তু টিকটক মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে মোটামুটি একটি আইডিয়া পেয়েছেন এবং এখানে ফেমাস হওয়ার জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়ে ধারণা পেয়েছেন। এরপরেও যদি আপনাদের এই বিষয় কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট করে আমাদেরকে জানাতে পারেন এবং পরবর্তী সময়ে ঐ মতামত নিয়ে আপনাদের সামনে আর্টিকেল তৈরি করব। (new tik tok bangla)


সম্মানিত বন্ধুরা আরো যদি এই সংক্রান্ত আপডেট পেতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করে টেলিগ্রাম চ্যানেলে জয়েন করুন।

Post a Comment

0 Comments