Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

সরকার থেকে নিন প্রতি মাসে ৬৫ হাজার টাকা করে সারা জীবন-এখন সবাই সরকারি পেনশন সুবিধা নিন

সরকারি চাকরি করার আকুলতা বা প্রবণতা যেটাই বলি না কেন সেটা কিন্তু প্রায় প্রতিটা মানুষের মধ্যেই রয়েছে । সরকারি কাজগুলোর বিভিন্ন সেক্টরে  কাজ করার জন্য কিছু শর্তাবলী দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে । যার কারণে সবাই চাইলেই কিন্তু এই সরকারি কাজগুলো করতে পারে না । যাদের মধ্যে সরকারি কাজগুলো করার এক এবিলিটি বা যোগ্যতা রয়েছে সেটা এখন শিক্ষাগত হোক বা বডি ফিটনেস সেটা যাদের মধ্যে রয়েছে কেবলমাত্র তারাই সরকারি কাজ করতে পারে । এই বিষয়ে আপনারা হয়তো অনেকে তথ্য জানেন আবার অনেকেই হয়তো জানেন না । আবার বেশ কিছু সময় সরকার কিন্তু বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন সেক্টরে লোক নিয়ে থাকে । ঠিক তখন কিন্তু আপনাদেরকে সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে সরকারি কাজ পেতে হয় । আশা করি বিষয়টি যারা না জানেন তারা এখন বুঝতে পেরেছেন । এখন আবার অনেকেই সরকারের বিভিন্ন সেক্টরের কাজে অবস্থিত তাদেরকে আর নতুন করে কিছু বলার প্রয়োজন নেই । আর এই সরকারি কাজগুলো বেছে নেওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো সরকারি পেনশন । আমরা সকলেই হয়তো একটি বিষয় জানি আর সেটি হল সরকারি কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রতি মাসে কিছু পারসেন্টেজ তারা তাদের আওতায় নিয়ে নেয় এবং সেই সরকারি কর্মচারীর যখন কাজের সময় শেষ হয়ে যায় এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর সে সরকারের কাছ থেকে পেনশন গ্রহণ করে । বাংলাদেশে একজন সরকারি কর্মচারীর রিটায়েড বা কর্মজীবনের সময় হচ্ছে ৫৯ বছর পর্যন্ত । অর্থাৎ একজন সরকারি কর্মচারীর যখন ৫৯ বছর হয়ে যাবে তখন সে তার কর্মজীবন থেকে রিটেয়েট গ্রহণ করবে এবং সরকারের কাছ থেকে পেয়ে যাবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পেনশন । তবে একটি বিষয় জেনে রাখি সরকারের কিন্তু বিভিন্ন কাজের সেক্টর রয়েছে তাদের সবার পেনশনের পরিমাণ কিন্তু একরকম নয় । পেনশন পাওয়ার জন্য কিন্তু আপনাদেরকে অবশ্যই সরকারি কর্মচারী হতে হবে বা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে হবে । দেখা গেল আপনি সরকারি কাজ করার সময় টানা ২৫ বছর চলাকালীন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন সে ক্ষেত্রে কি আপনি পেনশন পাবেন ? আপনার কাজের বয়স যদি ২৫ বছর হয় তাহলে আপনি পেয়ে যাবেন সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী । আবার দেখা গেল আপনি কাজ শেষ করে রিটায়ার্ড হলেন কিন্তু পেনশন নেওয়ার আগে মারা গেলেন তাহলে আপনার পরিবারের যেমন আপনার মা , বাবা , স্ত্রী , সন্তান তারা কিন্তু আপনার পেনশনটিকে গ্রহণ করতে পারবে । আর এই পেনশন টিকে কিন্তু বর্তমানে সরকার সকলের জন্যই উন্মুক্ত করছে । যেটাকে গ্রহণ করতে হলে আপনাদেরকে সরকারি কর্মচারী হতে হবে না । এই বিষয়ে সরকার বেশ কিছু নীতিমালা প্রদান করেছে যদি সেগুলোর মধ্যে পেনশন পাবেন সারা জীবন । এক কথায় বলা যেতে পারে সরকার ব্যবস্থার এটি একটি ভালো উদ্যোগ যেটার মাধ্যমে তার ভূখণ্ডে বা মাটিতে অবস্থানরত প্রায় প্রতিটা মানুষ সরকারি পেনশন পেয়ে যাবে এবং যেটা সারা জীবনের জন্য অর্থাৎ পার্মানেন্ট । আমরা এই রিভিউতে আলোচনা করব কিভাবে সরকারের দেওয়া পেনশনে অংশগ্রহণ করব । ( পেনশন কত প্রকার ও কি কি )


আরো পড়ো: ই পাসপোর্ট এ টু জেড






সার্বজনীন পেনশন বলতে কি বুঝায় ?

উপরে আমরা সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পেয়েছি । সেখানে আলোচনা করা হয়েছে সরকার সরকারি কর্মচারীদের উপর কি পরিমাণ পেনশন ধার্য করে থাকে এবং কখন ধার্য করে থাকে । এছাড়াও বর্তমানে সরকার কিন্তু তার সকল নাগরিকদের জন্য অর্থাৎ তার দেশে যে জনগণ রয়েছে তাদের সবার জন্য পেনশন নীতিমালা তৈরি করেছে । যেহেতু সরকার সবার জন্য পেনশন উন্মুক্ত করেছে সেহেতু এটাকে সার্বজনীন পেনশন বলা হয়ে থাকে । এখন কিন্তু এখানে আপনি চাইলে অংশগ্রহণ করতে পারেন আবার আপনি না চাইলে নাও অংশগ্রহণ করতে পারেন কিন্তু পরবর্তী সময়ে এটাকে বাধ্যতামূলক করা হতে পারে । এখানে  আপনাদেরকে প্রতিমাসে কিছু পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হবে সেটা নির্দিষ্ট পরিমাণ করা হয়েছে সরকারের কাছ থেকে । এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পর আপনি যে টাকাগুলো জমা রেখেছেন সেটার উপর কিছু মুনাফা ধার্য করে আপনাকে সম্পূর্ণ টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হবে । এক্ষেত্রে কিন্তু এখানে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে তেমন কোন যোগ্যতা অর্জন করতে হবে না । তবে সরকার কর্তৃক বেশ কিছু নীতিমালা প্রদান করা হয়েছে সেগুলোকে মেনে আপনাকে এখানে অংশগ্রহণ করতে হবে এবং কাজ চালিয়ে যেতে হবে । আমরা সকলেই জানি সরকার যখন কোন কাজকর্ম প্রণয়ন করে তখন কিন্তু বেশ কিছু নীতিমালার মাধ্যমে প্রণয়ন করে থাকে । আমাদের কিন্তু সেই নীতিমালা কোন অনুসরণ করতে হয় সরকারি কাজগুলো করার জন্য । এখানেও কিন্তু সেম ভাবেই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে । আরেকটি বিষয় জেনে রাখুন এখানে অংশগ্রহণ করার জন্য এখন কিন্তু কোন ধরাবাঁধা নেই তবে একটা সময় চলে আসবে যখন কিনা সরকার এখানে অংশগ্রহণ করা প্রতিটি নাগরিকরেই বাধ্যতামূলক করে দিবে । আমাদের দেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে যেমন ভারত বা পাকিস্তান সহ পৃথিবীর অনেক দেশেই এই পেনশন ব্যবস্থাটি চালু হয়েছে । অবশেষে বাংলাদেশেও সবার জন্য এই পেনশন ব্যবস্থাটি চলে আসলো । ( সার্বজনীন পেনশন কি )


কি কি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে ?

সার্বজনীন এই পেনশনটির উপর সরকার যে কয়টি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে এখন সে বিষয় গুলো আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করা হলো । যাতে করে আপনারাও এই পেনশনটির নীতিমালা সম্পর্কে জানতে পারেন । মন্ত্রিসভা থেকে এই নীতিমালার উপর যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে সেগুলো আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হলো । 

১ / 18 থেকে 50 বছর বয়সী সকল পেশার মানুষ এখানে অংশগ্রহণ করতে পারবে । পুরুষ বা মহিলা ভেদে , কর্মহীন বা কর্মরত প্রত্যেকটা মানুষই এখানে অংশগ্রহণ করতে পারবে তবে আপনার বয়স ১৮ থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকতে হবে । কিন্তু যাদের বয়স ৫০ এর উপরে তাদের জন্য সরকার অন্যান্যভাবে পেনশন নেওয়ার সুবিধা দিবে ।

২ / যারা বিভিন্ন দেশে কর্মরত অবস্থায় রয়েছে বা যাদেরকে আমরা প্রবাসী বলে জানি তারাও কিন্তু এখানে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়ে যাবে । 

৩ / যারা সরকারের বিভিন্ন কাজে কর্মচারী রয়েছে তাদেরকে আগে থেকেই সরকারের পেনশনে যুক্ত করে রাখার কারণে নতুন এই সার্বজনীন পেনশন থেকে সাইড করে রাখা হয়েছে । তবে সরকার বলেছে ভবিষ্যতে তাদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিবে । 

৪ / জাতীয় পরিচয় পত্র এন আইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী নির্ধারিত বয়স সীমার মধ্যে সকলকেই এই সুবিধাটি প্রদান করা হবে । 

৫ / যাত্রার শুরুতে বা প্রাথমিকভাবে স্বেচ্ছাধারীরা অর্থাৎ যাদের ভালো লাগবে তারাই কেবল এখানে অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং পরবর্তীতে একটা সময় কিন্তু সকলের উপরে বাধ্যতামূলক করা হবে ।

৬ / ধারাবাহিকভাবে আপনাকে কিন্তু এখানে দশ বছর চাঁদা দেওয়ার কারণে আপনি একটা সময় মুনাফা সহ সম্পূর্ণ টাকা উঠানোর যোগ্যতা লাভ করবেন । এজন্য বলে দেওয়া হয়েছে আপনাকে ধারাবাহিকভাবেই টানা ১০ বছর চাঁদা দিয়ে যেতে হবে ।


পৃথিবীর সেরা ইনকাম অ্যাপ থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


৭ / যারা এখানে অংশগ্রহণ করবে বা প্রতিটা নাগরিকের জন্য আলাদা একটি পেনশন হিসাব ( Account ) দেওয়া হয়ে থাকবে । এ সময়ে দেখা যাবে আপনি চাকরি চেঞ্জ করলেও আপনার পেনশন হিসাব ( একাউন্ট ) কিন্তু অপরিবর্তিতই থাকবে । 

৮ / এখানে সার্বজনীন পদ্ধতিতে চাঁদা দেওয়া যাবে এখানে আপনি কি পরিমান চাঁদা দিবেন সেটা সম্পূর্ণ পেনশন কর্তৃপক্ষ নির্ধারন করে দেবে । আর তাদের নির্ধারিত পরিমান চাঁদা আপনাদেরকে নির্দিষ্ট সময় প্রদান করতে হবে ।

৯ / সর্বনিম্ন একটি চাঁদার পরিমাণ দেওয়া হবে যেটা কতৃপক্ষ থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে সেটা হতে পারে ৫০০ , ১,০০০ , ২,০০০ , ৩০০০ , ৪,০০০ বা  আরো বেশি । আপনার চাঁদা দেওয়ার পরিমাণ যেমন হবে ঠিক তেমনি আপনি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন । এখন যারা প্রবাসে রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু নির্ধারিত সময়ে চাঁদা প্রদান করা অনেকটা কঠিন হয়ে যেতে পারে । এজন্য তারা তিন মাস পর পর চাঁদা প্রদান করার সুবিধা পাবে । এই সিদ্ধান্তের জন্য সরকারকে একটি ধন্যবাদ দেওয়া যেতেই পারে । 

১০ / এখানে যারা অংশগ্রহণ করে চাঁদা দিয়ে যাবে বা বার্ষিক জমা করবে । এর বিপরীত হলে কিন্তু তার সাময়িক হিসাব স্থগিত হয়ে যাবে এবং পরবর্তী সময় জরিমানা ফি প্রদান করে একাউন্টটি আবার চালু করতে হবে । 

১১ / এখানে যারা অংশগ্রহণ করবে এবং তাদের আর্থিক সক্ষমতার কারণে তারা কিন্তু বাড়তি পরিমাণ চাঁদা প্রদান করতে পারবে । অর্থাৎ ধরেন আপনার আর্থিক অবস্থা ভালো এখন আপনি এখানে চাইলে ৫,০০০ , ১০,০০০ কিংবা তারও বেশি চাঁদা দিতে পারবেন মাসিক চাঁদা , এবং যে পরিমাণ চাঁদা প্রদান করবেন ঠিক সে পরিমাণ সুবিধা আপনি পেয়ে যাবেন ।

১২ / তাদের নির্ধারিত বয়সসীমার উপরে যাদের বয়স চলে যাবে তাদেরকে তাদের সম্পূর্ণ চাঁদার পরিমাণ এর পাশাপাশি একটি নির্ধারিত পরিমান পেনশন দেওয়া হয়ে থাকবে অর্থাৎ এখানে আপনি ১০ বছর যে টাকা চাঁদা দিবেন একটা সময় পর সেটা মুনাফা সহ পেয়ে যাবেন ৬০ বছর পর । অর্থাৎ ৬০ বছর পর থেকে আপনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন সরকারের পক্ষ থেকে পেনশনের টাকা পেতে থাকবেন ।

১৩ / সার্বজনীন এই পেনশনে যে নিযুক্ত হবে সে সারা জীবন অর্থাৎ মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত এখান থেকে পেনশন গ্রহণ করতে পারবে । 

১৪ / টাকা জমা দানকারী অর্থাৎ যিনি এখানে অংশগ্রহণ করে চাঁদা দিয়েছে সে যদি ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার এই পেনশনের টাকা অর্থাৎ ৭৫ বছর পর্যন্ত তার নমিনি গ্রহণ করতে পারবে । উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে কোন চাঁদা জমা দানকারী যদি ৭০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করে তাহলে সে যাকে নমিনি দিয়েছিল সে পাঁচ বছর পেনশন গ্রহণ করবে । 

১৫ / আপনি এখানে যে চাদা জমা করবেন সেগুলো কিন্তু এককালীন এক সময়ে উত্তোলন করতে পারবেন না । এজন্য জমাদানকারীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার যে টাকা জমা রয়েছে সে টাকার ৫০% তাকে ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে এবং একটি সময় পর তাকে আবার সেই ঋণের টাকা মুনাফা সহ পরিশোধ করতে হবে ।

১৬ /  এখানে ১০ বছর চাঁদা জমা দানকারী দশ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই মারা গেলে তার নমিনিকে তার সমস্ত জমা করা টাকা একটি মুনাফার সহকারে দেওয়া হবে । 

১৭ / আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর এখানে যে চাঁদা প্রদান করবেন সেখান থেকে কর কেটে নেওয়া হবে কিছু অংশ আর বাকি অংশ আয় করমুক্ত অবস্থায় জমা থাকবে । 

১৮ / এখানে যে চাঁদা প্রদানকারী থাকবে সবসময় কিন্তু তাদের অবসর সুবিধা অব্যাহত থাকবে । অর্থাৎ এখানে আপনি জায়গা বা স্থান পরিবর্তন করলেও আপনাকে কিন্তু চাঁদা প্রদান করতে হবে ।

১৯ / নির্ধারিত চাঁদা জমাদানকারীর নিচে যাদের বয়স রয়েছে অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে রয়েছে তাদের জন্য সরকার কর্তৃক একটি মাসিক অনুদান সরকার দিতে পারে । 

২০ / পেনশন কর্তৃপক্ষ সহ এখানে অন্যান্য যে ব্যয়গুলো থাকবে অর্থাৎ যে খরচ পাতি থাকবে সেগুলো সম্পূর্ণই সরকার দিয়ে দিবে । 

২১ / পেনশন কর্তৃপক্ষ তহবিলে জমা করা টাকা নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বিনিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিসভা । এখানে আমাদের যে জমা করা টাকা থাকবে সেটা সরকার একটি নীতিমালা মেনে বিনিয়োগ করবে এবং সেখান থেকে আমাদেরকে পেনশন হিসেবে টাকা দেওয়া হবে । 



উপরের আলোচনায় আমরা পেনশন ব্যবস্থার 21 টি নীতিমালা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পেরেছি । আপনি যদি ২১ টি নীতিমালা পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই বুঝতে পারবেন এখানে কারা কারা চাঁদা গ্রহণ এবং প্রদান করবে । এই পেনশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার তার দেশে অবস্থিত প্রতিটি নাগরিককে পেনশন অধিকার দেওয়ার সুযোগ করে দিবে । আর যারা ১৮ বছরের নিচে রয়েছে তাদেরকেও কিন্তু একটি মাসিক অনুদান দিয়ে যাবে । আর এমনটাই তথ্য আমরা পেয়েছি বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার কাছ থেকে । এখানে বাংলাদেশের নাগরিক পেনশন এর মাধ্যমে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পেনশন পাবে । এছাড়াও আরো একটি বিষয় আমরা পূর্বে আলোচনা করেছি আর সেটি হল ধনী গরিব নির্বিশেষে প্রায় প্রতিটা মানুষ এখানে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়ে যাবে । বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে যেমন ধরেন নেপাল বা পাকিস্তান পৃথিবীর অন্যান্য দেশেই ইতিমধ্যেই কিন্তু এই পেনশন ব্যবস্থাটি চালু রয়েছে । তবে আপনার কাছে আরো একটি প্রশ্ন থাকতে পারে আর সেটি হল যেহেতু এখানে মুনাফা সহ অর্থ প্রদান করা হবে তাহলে সেটা কি সুদের অন্তর্ভুক্ত থাকবে কিনা ( পেনশন কি হালাল ? ) সে বিষয়ে আপনি একটি সহিহ আলেমের কাছ থেকে ধারনা অর্জন করে নিতে পারেন । এছাড়াও আপনাদের মনে আরও একটি প্রশ্ন জাগতে পারে আর সেটি হল এখানে কিভাবে একাউন্ট খোলা যাবে ? বা কবে থেকে এই পেনশন ব্যবস্থাটি চালু হবে ? সরকারের এই ব্যবস্থাটি সম্পর্কে আরো বিভিন্ন ধরনের আপডেট আসতে চলেছে এবং সেগুলো জানতে হলে আমাদের Digital Bangla 360 ওয়েবসাইটটিতে নিয়মিতভাবে ভিজিট করতে পারেন । ( সরকারি পেনশন অ্যাকাউন্ট কিভাবে খুলবো )

তবে মনে রাখবেন সরকারিভাবে যে পেনশনের টাকা দেওয়া হবে সেখানে বলা হয়েছে সর্বোচ্চ ৬৫ হাজার টাকা মাসিক এবং সর্বনিম্ন 18000 টাকা মাসিক পেনশন দেওয়া হবে এ বিষয়ে আগামীতে আমাদের ওয়েবসাইটে আরো আর্টিকেল পাবলিশ হবে তাই নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

সূত্র বাংলাদেশ গণমাধ্যম:

এবং আরো এ সম্পর্কে আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে জয়েন করতে পারেন এখানে ক্লিক করে

Post a Comment

0 Comments