Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

Online income top 10 Sites | অনলাইন থেকে সারা জীবন টাকা ইনকাম করার জন্য সেরা ১০টি সাইট

Online income top 10 site in global


অনলাইন থেকে ইনকাম করাটা এখন অসম্ভবের কিছু নয় । তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বিশ্বব্যাপী মানুষগুলো অনলাইন থেকে ইনকাম করার আগ্রহ খুঁজে নিয়েছে । অনলাইন জগতে যারা একেবারে নতুন অথবা বিগিনার তাদের কাছে কিন্তু একটি বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যায় , আর সেটি হলো অনলাইন থেকে কি আসলেই ইনকাম করা যায় । (earn money online )


 হ্যাঁ , অনলাইন থেকে ইনকাম করা যাবে । অনলাইন থেকে ইনকাম এর মাধ্যমে অনেকেই সাফল্য অর্জন করে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পেরেছে তাদের ভবিষ্যত ফিউচারকে । অনলাইন থেকে ইনকাম এর বিষয়টি অনেককেই অবাক করে দিতে পারে । অবাক হওয়ার মতো হলেও অনলাইন জগতে এই বিষয়টি একটি অন্যতম বাস্তব ঘটনা । ( online earning websites for students without investment )


 তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির ফলে মানুষ এখন খুব সহজেই হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়ে অনলাইন থেকে উপার্জন করে নিতে সাফল্য অর্জন করেছে । প্রায় প্রতিটি মানুষের ভেতরে এখন অনলাইন থেকে ইনকাম করার আগ্রহ দেখতে পাওয়া যায় । অনলাইনে কাজ করে টাকা ইনকাম করা একটি বহুল প্রচলিত পেশা ।  ( ঘরে বসে মোবাইলে আয় )


আপনি যদি একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন তাহলে একটা সময় লাখ লাখ টাকা উপার্জন করতে পারবেন । অনেকেই মনে করে ঘরে বসেই স্মার্টফোন অথবা ল্যাপটপ টিপে অনলাইন থেকে ইনকাম করা অনেকটাই সহজ । হ্যাঁ , সহজ তবে কাদের জন্য সহজ সে বিষয়ে আমাদেরকে সবার আগে জেনে নিতে হবে ।( ঘরে বসে অনলাইনে চাকরি )


ঢাকা ব্যাংকের মাধ্যমে মাত্র দুই ঘন্টায় মোবাইল দিয়ে লোন নেওয়ার উপায


 অনলাইনের কাজ গুলো বিষয়ে যাদের অভিজ্ঞতা ভালো এবং ধারণা বেশি তারা অনলাইনে তাদের সাফল্য অর্জন করতে বেশি সময় লাগবে না । অনলাইন থেকে ইনকাম করাটা সবার পক্ষে সহজলভ্য নয় । তবে কাজগুলো শিখার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত যে কারো কাছেই কঠিন লাগতে পারে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয় । (how to income by online ) 


তবে একবার আয়ত্তে আনতে পারলে কাজগুলো নির্দেশক বলে মনে হবে এবং এর সাথে সাথে করতে পারবে ইনকাম । সাধারণ মানুষ গুলোর মধ্যে অনলাইন থেকে ইনকাম করার আগ্রহ দেখতে পাওয়া যায় তার মূল কারণ হলো অন্যান্য কাজগুলোর মধ্যে বাধ্যবাধকতা দেখতে পাওয়া যায় । ( how to make money online for free )


 কিন্তু অপরদিকে অনলাইনের কাজগুলোর ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেগুলোর সক্রিয় অথবা দীর্ঘস্থায়ী কোনো প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি । এখানে মানুষ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে । উন্মুক্ত ভাবে কাজ করার জন্য মানুষ খুব সহজেই অনলাইন কাজগুলোকে গ্রহণ করে থাকে । ( how to make money online for beginners 


অনলাইন কাজগুলো করার জন্য নির্ধারিত কোন প্রতিষ্ঠান এর সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন পড়ে না যে কারণে যে কেউ চাইলেই এই কাজগুলো করতে পারবে । কর্ম ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই , তবে অবশ্যই আপনাকে কাজগুলো সম্পর্কে ধারণা অর্জন করে নিতে হবে সবার প্রথমেই । (অনলাইন থেকে ইনকাম করার কৌশল )


মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার নতুন স্মার্টফোন 


অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য অবশ্যই আপনি যে কাজটি করে নিবেন সেটি হল অনলাইনে কাজগুলো সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা অর্জন করে নিতে হবে ।অনলাইনের কাজ গুলো সহজ মনে হলেও এই কাজগুলো কিন্তু সবার পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে । তার মূল কারণ হল অনলাইন থেকে ইনকাম করাটা আসলে যতটা সহজ বলে আমাদের কাছে মনে হয় কর্মক্ষেত্রে কিন্তু এর পার্থক্য দেখা যাবে । ( ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে আয় )


অনলাইনের কাজ গুলো করার জন্য আপনাকে অবশ্যই বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন হবে । টেকনোলজি এবং নন টেকনোলজি বিষয়বস্তু গুলো সম্পর্কে অবশ্যই ধারণা থাকতে হবে । টেকনোলজি বলতে আমরা প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং নন টেকনোলজি বলতে আমরা ধারণা এবং অভিজ্ঞতা বুঝে থাকি । আমাদের ভেতরে যদি প্রযুক্তিগত বিদ্যা না থেকে থাকে তাহলে অনলাইন থেকে ইনকাম করাটা অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পড়বে ।( The advantage of online income )


 কারণ আপনি যে ডিভাইসগুলো যেমন মোবাইল , কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ দিয়ে অনলাইন ভিত্তিক কাজগুলো করে থাকবেন সেই বিষয়ে যদি আপনার জানা না থাকে তাহলে অনলাইন থেকে ইনকাম তো দূরের কথা কাজ করাটা আপনার পক্ষে অনেকটাই কঠোর হয়ে দাঁড়াবে । ( Online income for smartphone )


অনলাইন থেকে ইনকাম করাটা অনেকের পক্ষে সম্ভব হলেও কারো কারো কাছে কিন্তু শেষটা ফল হীন থেকে যায় । তার কারণ হলো এই কাজগুলো করতে হলে আপনার থাকতে হবে আগ্রহ এবং ধৈর্য । ( BD best job )


এমন অনেকেই খুঁজে পাওয়া যাবে যারা অনলাইনে কাজ গুলো করতে এসে মাঝ পথে রাস্তা হারিয়ে ফেলে অথবা ধৈর্য্য না থাকার কারণে কাজগুলো করে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়নি । তবে এক্ষেত্রে আমি সবথেকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি আগ্রহকে । ( how to make money online for beginners without investment )


তার কারণ হলো কোন কাজ সম্পর্কে অথবা সে কাজগুলো করে সাফল্য অর্জন করতে আপনার ভেতরে যদি তীব্র আগ্রহ থেকে থাকে তাহলে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি সাফল্যের আস্বাদন খোজে না পাবেন ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনার পথ থেকে কখনো পিছপা হবেন না । ( লাইফ টাইম ইনকাম করার জন্য অনলাইন পেশা )


অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার কতদিন লাগবে সেটা নির্দিষ্ট ভাবে বলে দেওয়া যাবে না তবে আপনি যদি কাজগুলো করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন এবং আপনার ভেতরের যদি এবিলিটি থাকে তাহলে খুব সহজেই অনলাইন ভিত্তিক এই কাজগুলোকে করতে পারবেন এবং মার্কেটপ্লেসে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ততটা বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না । ( Online income marketplace )


 অনলাইনে আপনি যে কাজগুলো করবেন সে কাজগুলো সম্পর্কে আপনাকে অন্ততপক্ষে ধারণা থাকতে হবে এবং প্রযুক্তি অথবা ইন্টারনেটের ব্যবহার করে অনলাইন থেকে কাজগুলো করে দেওয়ার মাধ্যমে আপনি বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । ( অনলাইনে কাজ গুলো করার জন্য কিসের প্রয়োজন )


 আর যদি অনলাইনে আপনি কি কাজ করবেন সে বিষয়ে কোনো ধারনাই না থাকে তাহলে কিন্তু সাফল্য আপনাকে কখনো সাপোর্ট দিবে না । অনলাইন ইনকাম বিষয়ে আপনি যদি একেবারেই বিগিনার অথবা নতুন হয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু প্রথমে আপনি ইনকাম করতে পারবে না এক্ষেত্রে আপনাকে অনেকটা সময় ব্যয় করতে হবে । ( অনলাইন থেকে ইনকাম করার সহজ উপায় )


ফ্রিতে ডিভি লটারি পাওয়ার উপায়


 অনলাইন ভিত্তিক কাজগুলো সম্পর্কে যাদের ধারনা একেবারেই কম । ইনকাম করার কথা শুনে তাদের আগ্রহ থাকলেও অনলাইন থেকে কাজগুলো করার জন্য তাদের ভিতরে নেই ক্রিয়েটিভিটি অর্থাৎ ভালো  মানের অভিজ্ঞতা । ইনকাম করার জন্য আপনার সর্বপ্রথম এই অভিজ্ঞতাকেই অর্জন করে নিতে হবে । ( টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে )


অভিজ্ঞতা অর্জন করতে যদি ব্যর্থ হন তাহলে একটা কথা সবসময় মাথায় রাখবেন আর সেটি হচ্ছে কখনো হাল ছাড়া যাবেনা । ব্যর্থ হতে হতেই একদিন না একদিন সাফল্যের দারগোড়ায় পৌঁছে যাবেন । তবে এক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন ধৈর্য এবং পরিশ্রম । ধৈর্যসহকারে সঠিকভাবে অনলাইন ভিত্তিক এই কাজগুলো করতে পারলে ইনকাম করাটা আপনার জন্য ততটা কঠিন হবে না । ( অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার হতে হলে কি করতে হবে )


আপনি যদি একজন অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে শর্টকাট পদ্ধতি বাদ দিতে হবে । অনলাইনে কাজ গুলোর মাধ্যমে ইনকাম করতে হলে আপনাকে অনেক ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং এক্ষেত্রে অনেকটা সময় প্রয়োজন হবে । ( online income marketplace )


সময় বাঁচানোর জন্য আপনি যদি শর্টকাট পদ্ধতি অবলম্বন করেন তাহলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে এবং অনলাইন জগত থেকে ছিটকে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে । আপনাকে অবশ্যই অনলাইন জগতে অনেকটা সময় ব্যয় করতে হবে সাফল্যের দারগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য । ( online marketplace list )


 ধৈর্য ধরে এই এই কাজগুলো করতে পারলে একটা সময় নিজেকে অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার বলে দাবি করতে পারবেন । অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সার বলে ঠিক তখনই দাবি করতে পারবেন যখন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে ইনকাম করা শুরু হবে অথবা ইনকাম করতে পারবেন । ( ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে )


অনলাইন ভিত্তিক কাজগুলোতে বেশকিছু ক্যাটাগরি রয়েছে যেগুলো থেকে আপনি ইনকাম করে নিতে পারবেন লাখ লাখ টাকা বা তারও বেশি । উল্লেখযোগ্য ক্যাটাগরি গুলো হলো । এখন অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে আর সেটি হল অনলাইন ভিত্তিক এই কাজগুলো থেকে কত টাকা ইনকাম করা যাবে । ( অনলাইন কাজ করে বেশি টাকা ইনকাম )


আরো পড়ুন নতুনদের জন্য আউটসোর্সিং


অনেক প্রফেশনাল মানের ফ্রিল্যান্সার রয়েছে যারা মাসে 500 থেকে 1000 ডলার ইনকাম করতে পারে যেটাকে বাংলা টাকা কনভার্ট করলে 40 থেকে 80 হাজার টাকার মত হয় । আবার অনেকেই রয়েছে যারা মাসে 2 হাজার থেকে 5 হাজার ডলারের মত ইনকাম করে থাকে বা তারও বেশি । যা বাংলা টাকা কনভার্ট করলে 1 লক্ষ 60 হাজার কিংবা 4 লাখ টাকা । ( কোটি টাকা আয় করার উপায় )




Online income top 10 site | অনলাইন থেকে সারা জীবন টাকা ইনকাম করার জন্য সেরা ১০ ইনকাম সাইট



(১) ফেসবুক থেকে আয়

ফেসবুক ইনকাম কি?


সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি প্লাটফর্ম হল ফেসবুক । আমরা অনেকেই হয়ত জানি ফেসবুক কেবলমাত্র বিনোদনের ও যোগাযোগ করার জন্য   মাধ্যম  ব্যবহার করা হয়ে থাকে । কিন্তু বিনোদনের পাশাপাশি ফেইসবুক ইনকাম করার বিষয়টিকে উন্মুক্ত করে রেখেছে । ( ফেসবুক থেকে ইনকাম করার উপায় )


যারা নতুন তাদের কাছে হয়তো এই বিষয়টি কিছুটা হলেও অবাক করে দেওয়ার মতো । আমরা হয়তো সবাই ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়া হিসাবে ব্যবহার করে থাকি বিনোদনের জন্য কিন্তু এর পাশাপাশি অনেকেই রয়েছে যারা ফেসবুক থেকে ইনকাম করছে ধুমচে । ( online income by Facebook ) 


ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে । মনিটাইজ এর মাধ্যমে ইনকাম করতে হলে ফেসবুক পেইজ এর প্রয়োজন হবে । পেজগুলোতে ভিডিও অথবা লাইভ করে ইনকাম করা যায় । এই মাধ্যমে অনলাইন থেকে ইনকাম করার পদ্ধতিকে ফেসবুক অ্যাডস ব্রেক বলা হয়ে থাকে । ( facebook monetization eligibility )


আপনার পেইজটিতে মনিটাইজেশন অন করার ফলে ভিডিও এবং লাইভ এর মাধ্যমে ইনকাম করা যাবে । তবে মনিটাইজেশন অন করার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে সেগুলো অবশ্যই পুরন করতে হবে । আপনার তৈরি করা পেইজটিতে 10 হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে কেবলমাত্র তাই নয় এর পাশাপাশি থাকতে হবে 6 লক্ষ মিনিট ওয়াচ টাইম । ( ফেসবুক পেজ মনিটাইজ করার নিয়ম )


ফেসবুকের মাধ্যমে আপনি ব্যবসা করেও ইনকাম করতে পারবেন । এখানে আপনি নিজেই চাইলে আপনার পণ্যগুলোকে বিক্রি করতে পারবেন অথবা স্পন্সার হিসেবে অন্যের পণ্যগুলোকে বিক্রি করে দিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে এমাউন্ট উপার্জন করতে পারবেন । ( how to monetize facebook
 videos )


 আপনার ফেসবুক পেজ অথবা গ্রুপে যখন বেশি ফলোয়ার হয়ে যাবে তখন কিন্তু লোকজন আপনার দেওয়া প্রডাক্ট গুলোকে দেখতে পাবে এবং এগুলো অনলাইন থেকে অর্ডার এর জন্য আগ্রহ দেখাবে ।
ফেসবুক গ্রুপ বড় করার উপায় )


 এখানে আপনি যদি সততার সাথে পন্য ডেলিভারি করতে পারেন তাহলে হাজারো মানুষ আপনার পেইজটিতে ভিড় জমাবে পণ্য অর্ডার করার জন্য । লংটাইম এবং লাইফ টাইম ইনকাম করার জন্য ফেসবুক দিচ্ছে এই সুবিধাটি যেটি গ্রহণ করে আপনিও পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করতে সফল হবেন । ( জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ )


এছাড়াও ফেসবুক পেজ থেকে ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মাধ্যমে ইনকাম করা যাবে । এখান থেকে আপনি পেজ খোলার সাথে সাথেই ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর সুবিধা পাবেন না । যার কারণে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে । ( ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মাধ্যমে ইনকাম )


এছাড়াও ফেসবুকে পেইজ এর মাধ্যমে ইউটিউব এর মতো ভিডিও আপলোড এর মাধ্যমে ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে । ভিডিও আপলোড করে সেটাকে মনিটাইজ করে ইনকাম করা যাবে তবে অবশ্যই ভিডিওগুলি নিজস্ব হতে হবে । ভিডিও আপলোড এর মাধ্যমে ইনকাম করার জন্য ফেসবুকের কর্তপক্ষ হতে কিছু কন্ডিশন দেওয়া হয়েছে । ( ফেসবুক থেকে ইনকাম করার কন্ডিশন )



 দুই মাসের ভিতরে 6 লক্ষ ওয়াচ টাইম ভিউ এবং আপনার ফেসবুক পেজটিতে 10 হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে । 10 হাজার ফলোয়ার যেকোনো সময় হলেই হবে তবে ওয়াচ টাইম দুই মাসের ভিতরে 6 লক্ষ থাকা প্রয়োজন । তবে ভবিষ্যতে এই কন্ডিশনের পরিবর্তন হতে পারে । ( Facebook page থেকে কিভাবে আয় করা যায় )



সাথে আরো থাকছে ফেসবুক গ্রুপ থেকে ইনকাম করার সুযোগ । ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে মনিটাইজ করে টাকা ইনকাম করা যায় । এছাড়াও যদি আপনার ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপ বড় হয়ে থাকে তাহলে বিভিন্ন স্পন্সর এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যাবে । এছাড়াও আরো অন্যান্য ভাবে ফেসবুক থেকে ইনকাম করার অপারচুনিটি রয়েছে । ( ফেসবুক থেকে কত টাকা আয় করা যায় )



 আপনারা জেনে খুশি হবেন যে ফেসবুক থেকে ইনকাম করার আরও কিছু সুযোগ রয়েছে আপনারা চাইলে টেকনোলজি ও নিউজ রিলেটিভ  কোন তথ্য শেয়ার এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । এখানে কিন্তু শেষ নয় ফেসবুকের মাধ্যমে ইনকাম করার আরও অনেক মাধ্যম রয়েছে । ( ফেসবুকে আয় বিকাশে পেমেন্ট )
 


এখন অনেকের কাছে একটি প্রশ্ন রয়ে যায় ফেসবুকের এই কাজগুলো কি স্মার্ট ফোন দিয়ে করা যাবে ? ফেসবুকের বেশ কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো এ স্মার্টফোনটি করা যাবে তবে কিছু কিছু কাজ করার জন্য ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপের প্রয়োজন হবে । 
স্মার্ট ফোনের সাহায্যে ফেসবুক থেকে আয় )



(২) ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন


ইউটিউব ইনকাম কি ?


ভিডিও কনটেন্ট এর সাথে পাল্লা দিয়ে ইউটিউব এর অবস্থান বর্তমানে অনেক এগিয়ে । ইউটিউব থেকে আয় করার বিষয়টি সকলের কাছেই লাভ করেছে 
জনপ্রিয়তা । ইউটিউব থেকে আয় করার বিষয়টি প্রায় সকলেরই জানা । ( ইউটিউব এর মাধ্যমে ইনকাম করার উপায় )


ইউটিউব থেকে ভিডিও ক্রিয়েট করে টাকা ইনকাম করার জন্য অবশ্যই আপনাকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে । তাদের দেওয়া শর্তগুলো পূরণ করতে পারে ইউটিউব থেকে ইনকাম করাটা কঠিন কিছু নয় । অনেকেই ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করে থাকে ইনকাম করার জন্য । তবে সবার ভিডিওতে ক্যাটাগরির নয় ।
ইউটিউব চ্যানেলের ক্যাটাগরি )


 এখানে রয়েছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিডিও । এই ভিডিওগুলো থেকে লং টাইম ইনকাম করা যাবে । ইনকাম করার জন্য তাদের নির্ধারিত কিছু শর্ত রয়েছে সেগুলো হলো ইউটিউব চ্যানেল থেকে 1000 সাবস্ক্রাইব থাকতে হবে এবং এর পাশাপাশি থাকতে হবে 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম সর্বোচ্চ এক বছরের ভেতরে ।   ( ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম করার কন্ডিশন )



1000 সাবস্ক্রাইবার যেকোনো সময়ে হলেই হবে কিন্তু 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম 1 বছরের ভেতরে থাকা প্রয়োজন । তবে এই কন্ডিশন ভবিষ্যযতে চেঞ্জ হতে পারে । এছাড়াও আপনি ইউটিউবে পার্টনার প্রোগ্রামের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায় । ইউটিউবে পার্টনার প্রোগ্রামের বিষয়টি মনিটাইজেশন ( অ্যাডসেন্স ) নামে পরিচিত । ( মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে ইউটিউব থেকে ইনকাম )


এর পাশাপাশি আপনি ইউটিউব থেকে পণ্য বিক্রি করেও ইনকাম করতে পারবেন । এক্ষেত্রে পাবলিক ফিগার এর কাছে আপনার  মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে এফিলিয়েট লিংক যা দেখে লোকজন আপনার কাছ থেকে পণ্যগুলো সম্পর্কে ধারণা অর্জন করে অর্ডার দিতে পারবে । ( এফিলিয়েট লিংক এর মাধ্যমে ইনকাম 



আপনি যদি কোন শিক্ষামূলক ইউটিউব চ্যানেল খুলে থাকেন তাহলে ইউটিউব চ্যানেলে অনলাইন কোর্স এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন । অনলাইন কোর্স এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করাটা ইউটিউব এর একটি অন্যতম জনপ্রিয় বিষয় । ( শিক্ষামূলক ভিডিওর মাধ্যমে ইনকাম )



ইউটিউব থেকে ইনকাম করার আরও অনেক ধরনের রাস্তা রয়েছে । যেমন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংং যেটি ডিজিটাল মার্কেটিং নামে সকলের পরিচিত । আপনার ভিডিও ডেসক্রিপশন বক্সে  থাকা অ্যাফিলিয়েট লিংক থেকে যখন কোনো ভিউয়ার ক্লিক করে কোন পণ্য ক্রয় করবে তখন আপনি কিছু নির্ধারিত অ্যামাউন্ট উপার্জন করতে পারবেন । ( ফেসবুক ভিডিও থেকে আয়  )



আপনার দেস্ক্রিপশন বক্সে থাকা লিংকটি অ্যামাজন অথবা আলীএক্সপ্রেস এছাড়াও যেকোনো মার্কেটপ্লেস থেকেই তৈরি করে পারবেন । ইউটিউব থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং অথবা ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয়তা আস্তে আস্তে বিভিন্ন দেশে ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এক্ষেত্রে আমাদের দেশটিও কিন্তু পিছিয়ে নেই ।
পৃথিবীজুড়ে ইনকাম করার জন্য ইউটিউব এর ভূমিকা )



 তবে আপনিও চাইলে ইউটিউব চ্যানেল থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অথবা ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন । ( ইউটিউব থেকে বেশি টাকা ইনকাম করার উপায় )


এখন চলমান পৃথিবীতে মানুষ পণ্য কেনার পূর্বে পণ্যের ( মোবাইল ও ল্যাপটপসহ অন্যান্য নিত্যনতুন প্রযুক্তির ) বিস্তারিত সম্পর্কে জানতে চায় । আপনি চাইলে বিভিন্ন টেকনোলজির  রিভিউ বানানোর জন্য ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারেন । পন্যের ভালো দিক এবং মন্দ দিক সম্পর্কে জানা পাবলিকের অনেক আগ্রহ রয়েছে ।
how to learning YouTube by income )



 কোন পণ্যের প্রাইস কেমন এ বিষয়ে জানার আগ্রহ পাবলিক এর মধ্যে দেখা যায় । বিভিন্ন টেকনোলজির ভিডিও এবং বিস্তারিত সম্পর্কে সম্পর্কে ভিডিও বানিয়ে অনলাইন থেকে ইনকাম করার রাস্তা রয়েছে ।
how to create a youtube channel and make money )


আপনি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে যাচ্ছেন কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোন ক্যাটাগরির ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন । বর্তমান প্রেক্ষাপটে পৃথিবীর শীর্ষে থাকা কিছু ইউটিউব চ্যানেলের ক্যাটাগরি তুলে ধরা হলো । ( how to start a youtube channel for beginners )


1 / Technology Others YouTube channel

2 / Sports YouTube channel

3 / Blogging YouTube channel

4 / Science and technology YouTube channel

5 / entertainment YouTube channel 

6 / news YouTube channel

7 / funny YouTube channel

8 / education YouTube channel

9 / how to life style YouTube channel

10 / travel and event YouTube channel

11 / gaming YouTube channel

12 / make money YouTube channel

13 / freelancing YouTube channel

14 / Islamic YouTube channel


জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা বেশকিছু ইউটিউব চ্যানেল এর ক্যাটাগরি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো । এছাড়াও আরো অন্যান্য ক্যাটাগরির ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে । তবে যে ক্যাটাগরির বিষয়ে আপনার আগ্রহ বেশি সে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করলে আল্লাহ দিলে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি । ( ইউটিউব চ্যানেলের ক্যাটাগরি )


মোটামুটি মানের একটি স্মার্ট ফোন দিয়েও ইউটিউব এর কাজগুলো করতে পারবেন ‌‌। তবে ল্যাপটপ এবং ডেক্সটপ হলে ভালো হয় । ( কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন মোবাইলে )



(৩) ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে ইনকাম


ডিজিটাল মার্কেটিং কি ?


অনলাইন থেকে ইনকাম করার আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং । ডিজিটাল মার্কেটিং এর উন্নতির ফলে এখন মানুষ ঘরে বসেই তাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি পণ্য-সামগ্রী অনলাইন থেকে বিক্রি করে থাকে । ( ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা )



যেহেতু এখন বর্তমানে অনলাইন থেকে পণ্য অর্ডার করার চাহিদা অনেক বেশি সেহেতু বলা যেতে পারে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনেক টাকা উপার্জন করা যাবে । ( how to income from digital marketing )


তবে মনে রাখবেন অনলাইন মার্কেটিং করার জন্য আপনার প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হতে 
পারে । তবে আপনি চাইলে কোন কোম্পানিতে যুক্ত না হয়েও ঘরে বসেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ গুলো করতে পারবেন । তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ হতে হবে । ( ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে ইনকাম করার কৌশল )


আপনি কি কি পণ্য লোকজনের কাছে সেল দিতে চান সে পণ্যগুলোকে ভিডিওর মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে । লোকজন যখন আপনার ভিডিও দেখে আপনার পণ্যগুলো কিনতে আগ্রহী হবে তখন তাদেরকে সততার সাথে পণ্য ডেলিভারি করে দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে । ( ঘরে বসেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম )


এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে ডিজিটাল 
মার্কেটিং কি ? পূর্বে মানুষ কোন পণ্য বিক্রি করার জন্য দোকানের মাধ্যমে বা ক্রেতাদের কাছে গিয়ে সেল দিতে হতো । কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ফলে বিক্রেতা অনলাইনে বিভিন্ন মাধ্যমে পণ্য গুলো বিক্রি করতে পারে । অনলাইন থেকে পণ্য বিক্রি করার এই মাধ্যমটি ডিজিটাল মার্কেটিং বলে পরিচিত । ( ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে কি বুঝায় )


ধরুন আপনার কাছে পণ্য রয়েছে এগুলোকে চাইলেই আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন । যে কোন দেশ অথবা যেকোন জায়গা থেকে আপনি যেকোনো পণ্য অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন । ( অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি )


আর যদি আপনার কাছে বিক্রি করার জন্য পণ্য না থাকে তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে করবেন ? সেক্ষেত্রে আপনাকে অন্য মার্কেটপ্লেসের সহযোগিতা নিতে হবে । ( ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য মার্কেটপ্লেস ) 



এজন্য আপনাকে আলীএক্সপ্রেস , অ্যামাজন অথবা অন্যান্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে এফিলিয়েট লিংক জেনারেট করে সেটাকে বিভিন্নভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারেন । ( ইনকাম করার জন্য ই-কমার্স সাইট )


যদি আপনার লিঙ্কে ক্লিক করে কেউ পণ্য কিনে তাহলে আপনি যে -কমার্স সাইট থেকে এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করেছেন সে মার্কেটপ্লেস থেকে একটি নির্ধারিত পরিমাণ এমাউন্ট পেয়ে যাবেন । যদি আপনি মানুষদের কাছে এই বিষয়টিকে ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন তাহলে 500 থেকে 1000 ডলার কিংবা তারও বেশি  ইনকাম করতে পারবেন । ( ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম )



আমরা সকলেই জানি ফেসবুক এবং ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করা যায় কিন্তু যারা নতুন তারা হয়তো জানি না ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায় । আপনি জানলে হয়তো অবাক হতে পারেন ।
ডিজিটাল মার্কেটিং মাসে কত টাকা ইনকাম করা যাবে )


 ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে বেশি টাকা ইনকাম করা যায় তার কারণ হলো পৃথিবী জুড়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ।  বাংলা কনটেন্ট থেকে ইংরেজি কন্টেন্টে কাজ করে অতি স্বল্প সময়ের মধ্যেই লাভবান হওয়া যায় । 


ডিজিটাল মার্কেটিং এর উন্নতির ফলে এখন গ্রাহকরা ঘরে বসেই অনলাইন থেকে তাদের পছন্দের পণ্য গুলো সম্পর্কে গুণগতমান জেনে এবং দাম সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝে তার কাছে যদি এই পণ্যটি ভালো লাগে তাহলে সে অর্ডার করে নেয় । ( অনলাইন থেকে অর্ডার এর জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা )



অনলাইন থেকে অর্ডার এর মাধ্যমে যেহেতু পণ্যগুলোকে গ্রাহকের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয় সেহেতু গ্রাহককে পণ্য কেনার জন্য সরাসরি শপিং মলে গিয়ে সময় নষ্ট করতে হয় না । এই কারণেই এই মাধ্যমটি বেশ জনপ্রিয় পৃথিবীজুড়ে হয়ে উঠেছে । ( Best online income site )




আপনি যদি সামাজিক গণমাধ্যমগুলির মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে চান তাহলে এই নির্দেশনাটি আপনাকে ফলো করতে হবে । যেমন ইউটিউব , ফেসবুক , ইনস্টাগ্রাম , লিনকেদিন , টুইটার , ইত্যাদি ইত্যাদি । তবে সব থেকে ভালো হয় এর পাশাপাশি যদি আপনার নিজস্ব  ওয়েবসাইট থাকে । ( ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য সামাজিক গণমাধ্যম )



 এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলো ব্যবহার করে আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ সম্পন্ন করতে হবে । আপনি নিজেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট তৈরি করে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । ( ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে ইনকাম করার উপায় )



এখন আপনি যদি অনলাইনে স্পন্সর হিসেবে অথবা অন্যের পণ্যগুলোকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিক্রি করতে চান তাহলে ইউটিউব অথবা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে অ্যামাজন , আলীএক্সপ্রেস , ফ্লিপকার্ট , ইনভেটো এর মত মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে লিংক কালেক্ট করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন । ( এফিলিয়েট লিংক এর মাধ্যমে ইনকাম )



 তবে আপনি যদি নিজের পণ্যগুলোকে ডিজিটাল মার্কেটিং মাধ্যমে বিক্রি করতে চান তাহলে একই কৌশল অবলম্বন করে আপনার পণ্যগুলোকে বিক্রি করতে পারবেন । ( অনলাইনে পণ্য বিক্রির চাহিদা )


ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি 3 রকম ভাবে ইনকাম করতে পারবেন । প্রথমটি ও দ্বিতীয়টি আপনারা উপরে দেখতে পেয়েছেন । ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে ইনকাম করার তৃতীয় উপায়টি হল ধরুন আপনি একটি ওয়েব সাইট খুলেছেন অপরদিকে অ্যামাজনে একটি নতুন স্মার্টফোনের আবির্ভাব দেখে সেই স্মার্টফোনটির বিস্তারিত আলোচনা আপনি আপনার ওয়েবসাইটে তুলে ধরতে পারেন । ( ওয়েবসাইটে কিভাবে এফিলিয়েট লিংক যুক্ত করা যাবে  )



এক্ষেত্রে আপনি যদি ভাল মানের কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন তাহলে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং এর পাশাপাশি আলাদা ভাবে ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে । আপনার ওয়েবসাইটে কনটেন্ট লেখার পরে অ্যামাজন থেকে নেওয়া লিংকটি থেকে ক্লিক করে যখন ভিউয়র স্মার্টফোনটি ক্রয় করবে তখন কিন্তু আপনি আলাদা ভাবে কিছু কমিশন পেয়ে যাবেন অ্যামাজন মার্কেটপ্লেস থেকে । ( গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং )



এক্ষেত্রে আপনি যে মার্কেটপ্লেস থেকে এই লিঙ্কটি শেয়ার করবেন ঠিক সেই মার্কেটপ্লেস থেকেই আপনি কমিশন গুলো পেয়ে যাবেন । এই কাজগুলো আপনি চাইলে মোবাইল দিয়েও করতে পারবেন । ( ডিজিটাল মার্কেটিং এ টু জেড )





(৪) ব্লগ লিখে টাকা ইনকাম


ব্লগিং ইনকাম কি ?


আমাদের মধ্যে অনেকের ভিতরে বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখির এক্সপেরিয়েন্স রয়েছে । আর সেই এক্সপেরিয়েন্সকে কাজে লাগিয়ে লেখালেখির মাধ্যমে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায় । অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জনের জন্য ব্লগিংকে একটি কার্যকারী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয় । ( পোষ্ট লিখে ইনকাম )



ব্লগিং থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার প্রযুক্তিগত বিদ্যার বেশি প্রয়োজন না হলেও এখানে আপনার লেখালেখি সম্পর্কে এক্সপেরিয়েন্স ভালো থাকতে হবে । আপনি ওয়েবসাইটগুলোতে যে বিষয়ে লিখে ইনকাম করতে চান সে বিষয়গুলোকে লেখালেখির মাধ্যমে সবার কাছে ভালো ভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে অথবা সুবিধা এবং অসুবিধা দিকগুলো তুলে ধরতে হবে । 
লেখালেখির মাধ্যমে কিভাবে ইনকাম করা যাবে )



এই কাজ গুলো সঠিক ভাবে পালন করতে পারলেই ওয়েবসাইটগুলো থেকে লেখালেখির মাধ্যমে অর্থাৎ ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আপনি অনেক টাকা উপার্জন করতে পারবেন । লেখালেখি করে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে ওয়েবসাইট গুলো থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । ( ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করার কৌশল ) 



আপনার লেখা ব্লগিং সাইটে অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর প্রতি ক্লিকে 0.01 ডলার থেকে 50 ইউএস ডলার পর্যন্ত ইনকাম করা যায় । আপনার মানসম্মত ব্লগিং বিষয়ের উপর নির্ভর করে গুগল এডসেন্স দেওয়া হবে । অর্থাৎ আপনি যে বিষয়গুলো নিয়ে লেখালেখি করবেন সেই বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এডসেন্স দেওয়া হবে ।   লেখালেখির মাধ্যমে ইনকাম করার জন্য এডসেন্সের প্রয়োজন হয়ে থাকে । ( বাংলা ব্লগ সাইট থেকে ইনকাম )


আপনার ব্লগিং সাইটে যখন এডসেন্স পেয়ে যাবেন তখন থার্ড পার্টির এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেও বাড়তি ইনকাম করতে পারবেন । ব্লগিং সাইট এ অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভে হওয়ার পূর্বে থার্ড পার্টি এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যাবে না । যদি আপনি ভালো মানের কনটেন্ট দিতে পারেন অথবা আপনার ব্লগিং সাইটে ভালো ভিউ আসা শুরু যখন হবে তখন আপনি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে স্পন্সর নিয়ে ইনকাম করতে পারবেন । ( অনলাইনে টাকা ইনকামের পদ্ধতি )



 এখন আপনারা এর পরিমাণ নির্ভর করবে কতজন সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করছে অথবা বিজ্ঞাপনটি দেখছে । ব্লগের কোন জায়গায় বিজ্ঞাপন দিলে পাঠকের চোখে পড়বে এবং ক্লিক করতে উৎসাহিত হবে সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে তাহলে বেশি টাকা ইনকাম করা সম্ভব অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে লেখালেখির মাধ্যমে । ( ব্লগিং করার জন্য মার্কেটপ্লেস )



এখন নতুনরা প্রশ্ন করতে পারেন ব্লগিং কি ? ব্লগিং হলো বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করা , এটা যে কোন বিষয় হতে পারে । তবে যে বিষয়গুলো নিয়ে লেখালেখি করলে সমাজে সৃষ্টি হতে পারে অস্থিরতা বা অশ্লীলতা এমন বিষয়গুলো নিয়ে লেখালেখি করা যাবে না । এক কথায় বলতে গেলে সমাজের মানুষের জন্য অকল্যাণ অথবা অমঙ্গল হয় এমন কিছু নিয়ে লেখালেখি করা যাবে না ।
ব্লগিং তৈরি করার নিয়ম )


ব্লগিং করার ক্ষেত্রে জনপ্রিয় কিছু মাধ্যম তুলে ধরা 
হলো । ( ব্লগিং এর বিভিন্ন ক্যাটাগরির ) 

1/ Earn money Vlog

2/ news Vlog

3/ sports Vlog

4 / technology Others Vlog

5 / Technology Reviews Vlog

6 / lifestyle Vlog

7 / travel and event Vlog

8 / entertainment Vlog

9 / sports Vlog

10 / Love story Vlog

11 / News Vlog

12 / Earn Money Vlog

13 / Gaming Vlog

14 / Education Vlog

15 / freelancing Vlog

15 / Islamic Vlog


এছাড়াও আরও জনপ্রিয় ক্যাটাগরি রয়েছে । আপনার কাছে যে ক্যাটাগরি ভালো মনে হয় আপনি ওই ক্যাটাগরি নিয়ে লেখালেখি করে এগিয়ে যেতে পারেন ।
ব্লগিং এর বিষয়বস্তু )



ব্লগিং কি এবং ব্লগিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যাবে এই বিষয়ে জানা গেল । কিন্তু ব্লগিং কোথায় করা যাবে এই বিষয়টি অনেকের ভেতরেই ঘুরপাক খেতে পারে ।  ব্লগিং কিভাবে করবো ? ব্লগিং করার জন্য দুটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হলো গুগোল ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস । ( ব্লগিং ওয়েবসাইট )

ব্লগিং সম্পর্কে আরো জানতে এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত দেখে নিন


। ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানানোর মাধ্যমে ব্লগিং এর কাজগুলো করা যায় । আমরা যেমন ইউটিউব এর মাধ্যমে চ্যানেল খুলি ঠিক এখানেও ওয়াডপ্রেস অথবা গুগোল ব্লগের মাধ্যমে ওয়েবসাইট খুলে নিতে হবে । একাজগুলো মোবাইল দিয়ে করা যাবে । ( মোবাইল দিয়ে ব্লগিং করার উপায় )



(৫) অ্যাপস বানিয়ে টাকা ইনকাম করার উপায়


অ্যাপ্সস বানিয়ে ইনকাম বলতে কি বুঝায় ?


আপনি চাইলে বিভিন্ন ক্যাটাগরির অ্যাপ্লিকেশন নিজেই তৈরি করে গুগলের প্লে স্টোর , ফেইসবুক অ্যাপ্লিকেশন, হুয়াওয়ের অ্যাপ গ্যালারি এবং অ্যাপেলের অ্যাপস্টোরের মাধ্যমে অ্যাপ আপলোড করে টাকা উপার্জন করতে পারবেন । ( অ্যাপস বানিয়ে উপার্জন )



এখন কথা হচ্ছে আপনি কিভাবে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করবেন ? আমরা যেমন গুগোল ব্লগার অথবা ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করি ঠিক তেমনি গুগোল স্টুডিও এর মাধ্যমে এপ্লিকেশন তৈরী করে নিতে হবে ।  ( অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার কৌশল )




এছাড়াও আরও জনপ্রিয় সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা যায় । আপনি কোন বিষয়ে এপলিকেশন তৈরি করবেন এই বিষয়ে কিছু ধারণা তুলে ধরা হলো । আমি ধরে নিলাম আপনি বড় মাপের ডেভেলপার না ‌‌। ( সফটওয়্যার এর মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ) 



কারণ বড় মাপের ডেভলাপাররা উন্নত মানের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে থাকে । কিন্তু একজন নতুন ডেভেলাপারের ক্ষেত্রে সেগুলো সম্ভব নয় । একজন নতুন ডেভেলপার এর জন্য কিছু সহজ জনপ্রিয় অ্যাপ নিয়ে ক্যাটাগরি আলোচনা করা হলো । ( অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নাম )


1 / news application

2 / game application

3 / education application

4 / technology application

5 / review application

6 / make money application

7 / freelancing application

8 / make money application

9 / entertainment application

10 / lifestyle application

11 / Love Story application

12 / Islamic application etc


প্রাথমিক অবস্থায় কাজ করার জন্য সহজ ও মোটামুটি জনপ্রিয় কিছু ক্যাটাগরি তুলে ধরা হলো । এছাড়াও আরও অনেক ক্যাটাগরি রয়েছে আপনার কাছে যে ক্যাটাগরি বা টপিকগুলো ভালো লাগে অথবা আপনার আগ্রহ রয়েছে সেগুলো নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে পারেন । ( how to income by make software )



অ্যাপ্লিকেশন ও বানালেন সেগুলো আপলোড ও করলেন এখন কথা হল কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন ? অ্যাপ্লিকেশন বানানোর পরে যখন আপনি এটিকে আপলোড করবেন বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে তখন ওই মার্কেটপ্লেসের নিজস্ব এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে আপনাকে টাকা উপার্জন করতে হবে । ( সফটওয়্যার তৈরি করে মার্কেটপ্লেস থেকে ইনকাম )


যেমন উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যদি আপনি গুগল প্লে স্টোর এর জন্য অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে থাকেন সেটি যদি গুগল প্লে স্টোরে আপলোড করেন টাকা ইনকামের জন্য । ( সফটওয়্যার আপ লোডের 
মাধ্যমে )



 আপনাকে গুগল এডমোব এর জন্য এপ্লাই করতে হবে অর্থাৎ আমরা যখন ওয়েবসাইট কিংবা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করি সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইউটিউব অথবা ওয়েবসাইট থেকে টাকা উপার্জন করতে গেলে আমাদের গুগল এডসেন্স এর প্রয়োজন হয় ঠিক ওরকম ভাবেই অ্যাপ্লিকেশন থেকে ইনকাম করতে হলে গুগল এডমোব এর প্রয়োজন পড়বে । ( প্লে স্টোরে অ্যাপস আপডেট )




 ঠিক ওরকমই ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে হলে অ্যাপ্লিকেশন বানিয়ে তাহলে অ্যাড অডিয়েন্সের মাধ্যমে আপনাকে অর্থ উপার্জন করতে হবে এছাড়া বাকি যেই মার্কেটপ্লেসগুলোর রয়েছে ওখানে যদি আপনি অ্যাপ্লিকেশন বানিয়ে টাকা উপার্জন করতে চান তাহলে তাদের নিজস্ব এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে হবে । ( অ্যাপ তৈরি করে ইনকাম )



এই ভাবে যদি আপনি অর্থ উপার্জন করতে চান বা এইভাবে যদি নিজেকে তৈরী করে নেন তাহলে আল্লায় দিলে লাইফ টাইম আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন । ( লাইফ টাইম ইনকাম করার জন্য অ্যাপ ডেভেলপার )


আর যদি আপনি থার্ড পার্টির কোনো এক নেটওয়ার্ক প্রথমে ব্যবহার করতে চান বা করে ফেলেন তাহলে কিন্তু গুগল প্লে স্টোরের ফেসবুকের বা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে যে নিজস্ব এড নেটওয়ার্ক গুলো  রয়েছে তারা কিন্তু অ্যাপ্রুভ করবেনা । ( টাকা ইনকাম করার অ্যাপ বাংলাদেশ )


আর বুঝতেই পারতেছেন third-party অ্যাপ নেটওয়ার্ক যদি আপনি ব্যবহার করেন যদি আপনার কনটেন্ট দুর্বল হয় সেক্ষেত্রে তাহলে বুঝতেই পারতেছেন যেকোনো সময় ওই এড নেটওয়ার্ক কিন্তু বন্ধ হয়ে যেতে পারে কিন্তু গুগল-ফেসবুক ,  অ্যাপেল ,  হোয়াওয়ে এই ধরনের প্রোডাক্ট কিন্তু কখনো বন্ধ হবে না তো বুঝতেই পারতেছেন যে আপনি কোনটি নিয়ে কাজ করা আপনার উচিত হবে । ( বিভিন্ন এন্ড্রয়েড ভার্সন এর জন্য অ্যাপস তৈরি ) 



আরেকটি জিনিস আপনাদের বলাটা খুবই জরুরী সেটা হচ্ছে আপনারা নিজের মন মত করে অ্যাপ্লিকেশন কিংবা কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন না গাইডলাইন মেনে আপনাদেরকে সেগুলো তৈরি করতে হবে তাহলেই কেবল অর্থ উপার্জন করতে পারবেন অন্যথায় মার্কেটপ্লেস গুলো আপনার অ্যাপ্লিকেশন পাবলিশ করবে না । অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রাথমিক কাজগুলো স্মার্টফোন দিয়ে করা গেলেও পরবর্তী কাজগুলোর জন্য অবশ্যই কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ এর প্রয়োজন 
হবে । ( মোবাইল দিয়ে অ্যাপ তৈরি )


(৬) ওয়েবটক থেকে টাকা ইনকাম


ওয়েবটক কি ?


পৃথিবীর প্রায় 95 পার্সেন্ট মানুষ সামাজিক গণমাধ্যম গুলো ব্যবহার করে থাকে । অর্থাৎ যারা অনলাইনে থাকে তাদের একশজনকে টার্গেট করলে আমরা দেখতে পাব 95 জন সামাজিক সোশ্যাল মিডিয়া গুলো ব্যবহার করে থাকে । এর মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই বুঝে যাই সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যমগুলোর চাহিদা মানুষের মধ্যে কেমন রয়েছে ।
ইনকাম করার জন্য সামাজিক গণমাধ্যম ) 


সামাজিক সোশ্যাল মিডিয়া গুলো বলতে আমরা বুঝি ইউটিউব , টিক টক , লিনকেদিন , ইনস্টাগ্রাম , ফেসবুক  , টুইটার ইত্যাদি ইত্যাদি এর মতো বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া অথবা সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যম । ( বাংলাদেশের গণমাধ্যমের বর্তমান অবস্থা )


এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলো কেউ কেউ ব্যবহার করে  চিত্তবিনোদন নেওয়া বা ফেমাস হওয়ার জন্য আবার কেউ ব্যবহার করেছে অনলাইন ভিত্তিক ইনকামের জন্য ‌‌। ( ফেইসবুকের মাধ্যমে আয় )


এইসব সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর মত আরো একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হল ( webtalk ) ।
খুব শীঘ্রই অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলো থেকে ওয়েবটক প্ল্যাটফর্ম জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর শীর্ষ স্থানে পৌঁছে যাবে বলে আশা করাা যায় । ( বাংলাদেশের গণমাধ্যমের বর্তমান অবস্থা 


তার কারণ হলো এখানে রয়েছে অন্যান্য সামাজিক সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর সমন্বিত ফিচার । অর্থাৎ একটি মানুষ যেমন ফেসবুক , টিকটক, ইউটিউব , ইনস্টাগ্রাম  অথবা টুইটার থেকে যে সুবিধাগুলো পাবে তার সকল ফিচার পাওয়া যাবে একত্রিত ভাবে ওয়েবটক প্ল্যাটফর্মটিতে । ( the advantage of social media )



এছাড়াও ওয়েবটক পিছিয়ে নেই ইকমার্স সার্ভিসেও । অ্যামাজন এবং আলি এক্সপ্রেস এর মত তাদের রয়েছে নিজস্ব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম । তাদের -কমার্স প্ল্যাটফর্ম গুলো থেকে আপনি চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । ( E-Commerce platform )



অন্যদিকে আপনার কাছে যদি প্রোডাক্ট বা পণ্য থাকে তাহলে তাদের মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন আবার পণ্য কিনতে পারবেন পৃথিবীর প্রায় যেকোন দেশ থেকে । তাদের -কমার্স ওয়েবসাইট এর নাম হচ্ছে Swag Shop । ( Swag Shop E-Commerce marketplace )


অনলাইন দুনিয়ায় আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং । ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরেও কিন্তু ওয়েবটক পিছিয়ে নেই । ফাইবার , আপওয়ার্ক এর মত তাদের রয়েছে নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম । যেখানে নতুনরা খুব সহজেই প্রোফাইল তৈরি করে কাজ করতে পারবেন । যেটা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে এতটা সহজ হয় নয় । 
online income marketplace )


আপনি যদি ঘুরতে ভালোবাসেন তাহলে ওয়েবটক আপনার জন্য তৈরি করে রেখেছে ট্রাভেল সার্ভিস । যেটার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন দেশের হোটেল , মোটেল অথবা বুকিং দেওয়াসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে জানতে পারবেন পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশ থেকেই ।
travel advantage by webtalk )


এছাড়াও আপনি যদি জ্ঞান অর্জন করতে চান তাহলে নিতে পারেন ওয়েবটক এর সুবিধা ও অনলাইন থেকে আমরা অনেক সময় বিভিন্ন চাকরির জন্য বিভিন্ন কোম্পানি অথবা প্রতিষ্ঠান এপ্লাই করে থাকি । তবে আপনি চাইলে ওয়েবটকের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরির এপ্লাই করতে পারবেন । 
how to find job by webtalk ) 


পৃথিবীতে এখন বেকারত্বের হার অনেকটাই বেড়েছে যার জন্য ওয়েব টক অনলাইন ভিত্তিক কাজগুলোর সন্ধানে অনেকেই কাজ মিলিয়ে দিচ্ছে । সহজ কথায় বলতে গেলে এখানে আপনারা চাকরি সন্ধান করতে পারবেন খুব সহজেই । ( webtalk earn money )



বর্তমানে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় অনলাইন ভিত্তিক ডিজিটাল কারেন্সির চাহিদা লক্ষ্য করা যায় । এখন অনলাইন থেকে মার্কেটপ্লেস গুলো বিটকয়েনকে ব্যাপক প্রাধান্য দিয়ে থাকে । কারণ বিটকয়েনের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া । ( the value of bitcoin )



 এক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই ওয়েব টক । তারাও নিয়ে এসেছে নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সি । যেটার মাধ্যমে বিটকয়েন এর মতোই লেনদেন করা যাবে অনলাইন দুনিয়ায় । এছাড়াও তাদের আরও বিভিন্ন সার্ভিস রয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি । ( the value of bitcoin in dollars )




তাহলে আপনারা বুঝতেই পারছেন ওয়েবটক এর জনপ্রিয়তা পৃথিবী জুড়ে কেমন । এখন অনেকের কাছেই একটি প্রশ্ন থাকতে পারে আর সেটি হল অনলাইন প্লাটফর্ম যেমন ফেসবুক , টুইটার , ইউটিউব থেকে চিত্ত বিনোদন এর পাশাপাশি ইনকাম করা যায় কিন্তু ওয়েবটক থেকে চিত্ত বিনোদনের পাশাপাশি কি ইনকাম করার রাস্তা রয়েছে কি না ? ( ওয়েবটক থেকে ইনকাম )


এই প্রশ্নটির উত্তরে এক কথায় বলা যায় অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গুলো থেকে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যাবেে এছাড়াও বাড়তি কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে ওয়েবটক থেকে । ( ওয়েবটক এর সুবিধা )


উপরের আলোচনায় আমরা বুঝতে পারলাম যে ওয়েবটক থেকে টাকা ইনকাম করা যাবে । কিন্তু এখন একটি প্রশ্ন হল ওয়েবটক থেকে আমরা কিভাবে টাকা ইনকাম করতে পারব । ওয়েবটকের মূল কাজ হলো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা অর্থাৎ সাইটটিতে মেম্বার অথবা সদস্য এড করা । ( how to add member in webtalk )


 আমরা সকলে হয়তো জানি যখন কোন নতুন প্রতিষ্ঠান খোলা হয় তখন কিন্তু সেখানে নাম্বার অথবা সদস্য সংখ্যা কম থাকার কারণে রাতারাতি বড় ধরনের ইনকাম করা যায় না । ( How to income Online )


 আবার যখন প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেক মেম্বার এবং সদস্য থাকে তখন কিন্তু ইনকামটা অনেক বেশি হয়ে থাকে । ঠিক এমনটাই লক্ষ করা যায় ওয়েবটক প্ল্যাটফর্মটিতে । ওয়েবটক প্ল্যাটফর্মটিতে যত বেশি ইউজার বা সদস্য এড করানো যাবে ঠিক ততো বেশি ইনকাম করার সুবিধা রয়েছে । ( how to increase income streams )



আপনি যখন ওয়েবটক প্ল্যাটফর্মটিতে একাউন্ট খুলবেন ঠিক তখন একটি রেফারেল লিংক পেয়ে যাবেন । আপনি এই রেফারেল লিংকটি দিয়ে অন্য কাউকে একাউন্ট করালে আপনি পেয়ে যাবেন 5 ডলার । 1 ডলার = 80 টাকা হলে 100 জনকে অ্যাকাউন্ট খুলে দিলে আপনি পেয়ে যাবেন 40000 টাকা । 
webtalk payment proof )



এখন আপনি বুঝতেই পারছেন ওয়েবটক থেকে কাজ করে টাকা ইনকাম করা কতো সহজ ।রেফার করার কারণে সে সারাজীবন যে কাজ করবে তার 5 পার্সেন্ট কোম্পানি আপনাকে দিবে সারা জীবন 5 লেভেল পর্যন্ত । ওয়েবটক এর কাজগুলো আপনি সকল ডিভাইস দিয়েই করতে পারবেন । ( Web talk income by 
Smartphone )



(৭) এনভাটো থেকে ইনকাম করার উপায়


এনভাটো ইনকাম কি ?


এনভাটো কতগুলো মার্কেটপ্লেস এবং ওয়েবসাইট এর সংমিশ্রণে গঠিত । একটি লিভিং রুম থেকে 2006 সালে প্রথমবারের মতো এনভাটো যাত্রা শুরু করেছিল যার বর্তমান মেম্বার সংখ্যা দেড় লক্ষ । যাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে উন্নত মানের সার্ভিস প্রদান করা । এনভাটোর অনেকগুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে সেগুলো হলো । ( envato elements ) 

  •  ThemeForest
  •  Codecanyon
  •  GraphicRiver 
  •  VideoHive
  • AudioJungle
  •  3docean
  •  Photodune



উল্লেখিত মার্কেটপ্লেস গুলো আলাদা আলাদা হলেও এদের কার্যক্রম কিন্তু প্রায় একই রকম টেকনোলজি নির্ভর । অন্যান্য মার্কেটপ্লেসগুলোর তুলনায় থিমফরেস্ট জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে । আপনি যেকোনো একটি মার্কেটপ্লেসে রেজিস্ট্রেশন করলেই বাকি মার্কেটপ্লেসগুলোতে একাউন্ট খুলতে পারবেন । 
এনভাটো একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম )


এনভাটো এবং এর মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আমরা জানলাম । এখন অনেকের একটি প্রশ্ন রয়ে যায় আর সেটি হল এনভাটো মার্কেটপ্লেসে গুলো থেকে কিভাবে ইনকাম করা যাবে । এনভাটো মার্কেটপ্লেসে গুলোতে ওয়েবসাইট ডিজাইন , থিম তৈরি ্টেমপ্লেট ক্রয় বিক্রয়ের মাধ্যমে ইনকাম করা যাবে । এটি হলো এনভাটোর সবচেয়ে জনপ্রিয় সেবা । ( Envato market login )


আপনি যদি এনভাটো মার্কেটপ্লেসে গুলোর মধ্য দিয়ে ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং টেইমপ্লেট বা থিম তৈরির করে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে থিমফরেস্ট ওয়েবসাইটটি বেছে নিতে হবে । থিমফরেস্ট ওয়েবসাইট থেকে ওয়েব সাইট ডিজাইন এবং টেম্পলেট তৈরি করে অনেকেই বিপুল পরিমাণ উপার্জন করতে পারবে । 
How to income with Envato )


এনভাটো মার্কেটপ্লেসে যারা ওয়েব ডিজাইন বা অন্যান্য প্রোগ্রাম বিক্রি করে থাকে তাদেরকে Author বা লেখক বলা হয়ে থাকে । এনভাটো মার্কেটপ্লেসে আপনি সম্পূর্ণ নতুন হয়েও লেখক হিসেবে যেকোনো ওয়েবসাইটে টেম্পলেট তৈরি করতে পারবেন । একটি মানসম্মত টেমপ্লেট করতে পারলে আপনি সেটিকে ফরমের  সাহায্যে যেকোনো এনভাটোর এর ভিতরে গিয়ে থিমফরেস্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করতে পারবেন । ( Theme forest website )


আপলোড করার পর সাইটের কতৃপক্ষ আপনার টেমপ্লেটে যাচাই করে যদি আপনি মানসম্মত টেম্পলেট তৈরি করতে পারেন তাহলে তারা সেটিকে একটি নির্ধারিত মূল্য দিয়ে সাইটে আপলোড করে দিবে অর্থাৎ সকলে দেখতে পাবে ‌‌। এতে আপনি বুঝতে পারবেন এই মার্কেটপ্লেসে আপনি কাজ করার যোগ্য । আর যদি আপনি মানসম্মত টেম্পলেট তৈরি করতে না পারেন তাহলে আপনাকে টেমপ্লেট পরিবর্তন করার দিকনির্দেশনা জানাবে । ( টেম্পলেট তৈরি করার 
নিয়ম )


আর সেই জন্যই আপনি যদি টেম্পলেট তৈরি করে এনভাটো মার্কেটপ্লেসে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে সর্বপ্রথম মানসম্মত টেম্পলেট তৈরি করা জানতে হবে , সেটা হতে পারে ওয়ার্ডপ্রেস , পিএসপি অথবা গুগোল ব্লগার ওয়েবসাইটের জন্য । তা না হলে মার্কেটে প্লেসে আপনার আপলোড করা টেমপ্লেটে গ্রহণযোগ্য হবে না । তারা আপনাকে ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দিবে টেমপ্লেট পরিবর্তন করার কথা । 
template advantage )


আর যদি আপনার তৈরি করা থিম বা টেম্পলেটগুলো মার্কেটে আপলোড করার জন্য গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে যায় , তাহলে মার্কেটপ্লেসে প্রতিবার বিক্রির কারণে আপনি কিছু নির্দিষ্ট পরিমান অ্যামাউন্ট পেয়ে যাবেন । 
এনভাটোর মাধ্যমে ইনকাম )



এক্ষেত্রে আপনি যদি কোন থিম বা টেমপ্লেট থিমফরেস্টে একবার আপলোড করে থাকেন তাহলে সেটি কিন্তু দ্বিতীয়বারের মতো এনভাটোর অন্যান্য মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপলোড করতে পারবেন না এবং আপনি যে মার্কেটপ্লেসগুলোতে টেম্পলেটগুলো আপলোড করবেন সেগুলোর বিকৃত মূল্যের 40 পার্সেন্ট সে মার্কেটপ্লেস থেকে আপনাকে দেওয়া হবে । 
theme forest income source )



আর ঠিক এভাবেই এক্সক্লুসিভ ব্যবহারকারীকে তার টেমপ্লেট এর জন্য সর্বোচ্চ 70 পার্সেন্ট দেওয়া হয়ে থাকে । তবে আপনি যদি পিএসডি ফরমেটে টেম্পলেট তৈরি করতে পারেন তাহলে প্রতিটি টেমপ্লেট এর জন্য আপনি 5 থেকে 20 ডলার ইনকাম করতে পারবেন ।   ( এনভাটোর এর মাধ্যমে ইনকম )



 অন্যদিকে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে তৈরি টেমপ্লেট গুলো 60 থেকে 70 ডলারের মধ্যে বিক্রি হয়ে থাকে । ওয়াডপ্রেস থেকে টেমপ্লেট তৈরি করা বেশি লাভজনক । এনভাটো মার্কেটপ্লেসে গুলো থেকে কেবলমাত্র টেমপ্লেট অথবা ওয়েবসাইট ডিজাইন তৈরি করেও আপনি ইনকাম করতে পারবেন । ( themeforest html template )



টেম্পলেট তৈরি করে যেভাবে এনভাটো মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে ইনকাম করা যাবে আপনি ঠিক একই দিক নির্দেশনা মেনে ওয়েব ডিজাইন এবং বানিয়েও উপার্জন করতে পারবেন একই নিয়মে ।
themeforest html templates for ecommerce )



এনভাটো মার্কেটপ্লেস থেকে ওয়েব মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম করা যাবে । অ্যামাজন অথবা আলি এক্সপ্রেস মার্কেটপ্লেসগুলোতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম করে থাকি অথবা আমাদের যদি কোন পণ্য থাকে তাহলে সেগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অ্যামাজন অথবা আলি এক্সপ্রেস এর মাধ্যমে বিক্রি করে থাকি আবার ক্রয় করে থাকি । ( online marketplace )



 ঠিক এনভাটো মার্কেটপ্লেসে গুলোতেও আমরা ওয়েভ মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবো । অ্যামাজন অথবা আলীএক্সপ্রেস মার্কেটপ্লেসগুলোতে বিভিন্ন ধরনের পণ্য ক্রয় এবং বিক্রয় করা যাবে অপরদিকে এনভাটো মার্কেটপ্লেসে গুলোতে ওয়েব মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করা যাবে । ( online marketplace examples )



আমরা যখন ই-কমার্স বিশ্বের কোন ওয়েবসাইটে কাজ করি সেটাকে বলা হয় ডিজিটাল মার্কেটিং আর যখন আমরা টেকনোলজি সংক্রান্ত কোন কাজ করি তাকে বলা হয় ওয়েব মার্কেটিং । ( Digital marketing )


ওয়েব মার্কেটিং কি ?


আমরা যখন কোন অনলাইন ইনকাম ওয়েবসাইটে কাজ করি তখন একাউন্ট খোলার পর একটি রেফারেল লিংক পাই । সেই রেফারেল লিংকের মাধ্যমে অন্য কেউ যখন হয় তখন সে যখন কাজ করে সেখান থেকে একটি কমিশন পাওয়া যায় এটাকে বলা হয় এফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফার করা । ( Web marketing )



টেকনোলজি সংক্রান্ত বিভিন্ন ওয়েবসাইটে  আমরা যখন একাউন্ট খুলি এখানেও আমরা একটি অ্যাফিলিয়েট লিংক পেয়ে যাই । সেটা আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অথবা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে কিংবা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করলে , অন্য যে কেউ প্রোডাক্ট কিনলে একটি কমিশন পাই ।
how to income affiliate marketing )



এটাকে বলা হয় ওয়েব মার্কেটিং এফিলিয়েট মার্কেটিং । তবে আশ্চর্য একটি বিষয় হলো ইনভেটার তাদের একটিি ডিজিটাল  প্রডাক্টট বিক্রি করে দিতে পারলে ন্যূনতম তিরিশ পার্সেন্ট কমিশন দিয়ে থাকে । এটা বেশিরভাগ মার্কেটপ্লেসগুলোর পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না । ( affiliate marketing commission ) 



ধরুন আপনি 100 টাকা দামের একটি থিম বিক্রি করেছেন সেখান থেকে আপনাকে দেওয়া হবে 30 টাকা । তো বুঝতেই পারছেন তাদের আফিলিয়েট কমিশন কতটা বেশি । এই কাজগুলো আপনারা স্মার্ট ফোন দিয়েও করতে পারবেন তবে ল্যাপটপ , ডেক্সটপ হলে ভালো হয় । ( Web marketing income site )



ওয়েভ মার্কেটিংয়ের কাজ আপনার আই স্মার্ট ফোন দিয়ে করতে পারবেন তবে থিম তৈরি করার জন্য ল্যাপটপ অথবা ডেক্সটপ এর প্রয়োজন হবে । ( Web Marketing by smartphone or computer )




(৮) টিকটক থেকে ইনকাম করার উপায় ?


টিকটক ইনকাম কী ?


বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য পিছিয়ে নেই সোশ্যাল মিডিয়া গুলো । আমরা সকলেই হয়তো কমবেশি ইউটিউব , ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সাথে পরিচিত । আমরা অনেকেই হয়তো আবার এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর থেকে বিনোদনের পাশাপাশি ইনকাম করে নিয়েছি । ( social media ) 


কিন্তু পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী আরো অন্যতম  একটি সোশ্যাল যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে  যার নাম টিকটক । অ্যাপ্লিকেশনটির ডাউনলোড এর দিক দিয়ে পৃথিবীজুড়ে ফেসবুক কেও ছাড়িয়ে গেছে এবং ওয়াচ টাইম এর ক্ষেত্রে কিছু কিছু দেশে ইউটিউব এর চেয়েও এগিয়ে রয়েছে । ( Tiktok management )


তো বুঝতেই পারছেন টিকটক ইতিমধ্যেই কিরকম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং বাকি দেশগুলোতেও জনপ্রিয়তার শীর্ষে যাওয়ার পথে রয়েছে ।  টিকটকের সাথে আমরা প্রায় সকলেই জড়িত । কেবলমাত্র বিনোদনের জন্য নয় টিকটক পৃথিবীজুড়ে জনপ্রিয়তার পাহাড় গড়ে তুলেছে ইনকাম করার জন্য । ( টিকটক থেকে ইনকাম )


 ইউটিউব এর মত টিকটকেও রয়েছে ভিন্ন ভিন্নভাবে চ্যানেল বা একাউন্ট খোলার সুবিধা । এখানে আপনি তিন ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন যেমন tiktok business account , tiktok personal account , tiktok creator account । ( tiktok account category )



এখানে আপনি বিজনেস করার জন্য অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে পারবেন অথবা আপনি যদি চান কনটেন্ট তৈরি করে আপলোড করতে সেটাও পারবেন । আবার অনেকেই টিকটকে পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট খুলে বিনোদন অথবা ফেমাস হওয়ার জন্য । আপনি চাইলে এই সুবিধাটিও নিতে পারবেন । ( tiktok business category ) 



ইনকাম করার সাথে সাথে দেশ অনুযায়ী লোকাল কারেন্সির মাধ্যমে টাকা তোলার সুবিধা থাকার জন্য টিকটক সকলের কাছে প্রাধান্য লাভ করেছে । ইনকাম করার বিষয়টি আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকেই জানিনা । যারা না জানি তাদের কিন্তু ইনকাম করার বিষয়টি চোখ ঝলসে দিতে পারে । ( is tiktok for business free )


তবে প্রথম পর্যায়ে কিন্তু টিকটক ইনকাম করার বিষয়টি মানুষদের কাছে উপস্থাপন করে নি কিন্তু পরবর্তীতে তারা নিজেদের জনপ্রিয়তা লাভ করার জন্য ইনকামকে উন্মুক্ত করে দেয় । যার কারণে আমরা এমন অনেক মানুষকে খুঁজে পাবো যারা প্রফেশনাল ভাবে ইনকাম থেকে উপার্জন করে থাকে লক্ষ লক্ষ টাকা । (টিকটক থেকে মাসিক আয় ) 


টিকটক এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা যায় এই বিষয়টি আমরা এখন অনেকেই ক্লিয়ার । এখন আমরা জানবো কিভাবে টিকটক থেকে ইনকাম করা যাবে । টিকটক থেকে ইনকাম করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি সহজ উপায় হলো রেফার করে আয় । ( টিকটক রেফার করে ইনকাম )


অর্থাৎ আপনি যখন টিকটকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলবেন তখন কিন্তু আপনি পেয়ে যাবেন একটি রেফারেল লিংক । যার মাধ্যমে আপনি আপনার কোন বন্ধুকে টিকটকে জয়েন করাতে পারলে টিকটক কতৃপক্ষ হতে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা পেয়ে যাবেন ।
টিকটক রেফার অফার ) 


কেবল মাত্র এখানেই শেষ নয় আপনার রেফারেল লিংকের মাধ্যমে যে টিকটক অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে টিকটকে কিছু সময় ভিডিও দেখার মাধ্যমে কাটাবে । তার জন্য আপনি ইনকাম করতে পারবেন , তবে এটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ।
How to income by tiktok for refer )



টিকটক থেকে টাকা ইনকাম করার একটি জনপ্রিয় উপায় হল লাইভ স্ট্রিম । লাইভ স্ট্রিম এর মাধ্যমে টিকটক থেকে হিউজ পরিমাণে টাকা ইনকাম করা যায় । ( টিকটক লাইভ স্ট্রিম )


লাইভ স্ট্রিম করে অর্থাৎ সরাসরি ভিডিওর মাধ্যমে ভিউয়ারদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি হিউজ পরিমান টাকা উপার্জন করা যায় । ( লাইভ স্ট্রিম এর মাধ্যমে টিকটক থেকে ইনকাম )


লাইভ স্ট্রিম থেকে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে অনেক কৌশল অবলম্বন করতে হবে । টিকটক থেকে লাইভ স্ট্রিম এর মাধ্যমে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় এ বিষয়ে একটি প্রশ্ন কিন্তু থেকে যায় । ( How to income by live stream )


টিকটক প্লাটফর্মে আপনার  লাইভ স্ট্রিমে যত বেশি ভিউ হবে আপনি ঠিক তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন । সহজ কথায় আপনার লাইফ স্ট্রিমে ভিউর উপর বিবেচনা করে ইনকাম করা হয় । ( টিকটকে ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম )



তবে মনে রাখবেন টিকটক লাইভ স্ট্রিমে (18+) টপিক নিয়ে কাজ করবেন না । লাইভ স্ট্রিমে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরি রয়েছে সেগুলো ফলো করে লাইভ স্ট্রিম এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন । ( লাইভ স্ট্রিম করার নির্দেশনাবলী ) 


টিকটক থেকে ইনকাম করার খুবই জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হচ্ছে শর্ট ভিডিও । এখন যদি আপনি টিকটক প্লাটফর্মে শর্ট ভিডিও শেয়ারিং এর মাধ্যমে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে কনটেস্টে অবশ্যই উপস্থিত হতে হবে । শুধু অংশ গ্রহণ করলেই হবে না তাদের দেওয়া রুলস মোতাবেক কাজ করতে হবে । 
টিকটক কনটেন্ট তৈরি )



শটস ভিডিওর মাধ্যমে ইনকাম করতে হলে আপনাকে ট্রেন্ডিং এ আসতে হবে । টিক টকে বেশীরভাগ সময় কনটেন্ট তৈরির টপিকগুলো তারাই দিয়ে থাকে । বিপুল পরিমাণ টাকা উপার্জন করার জন্য আপনাকে সে টপিক গুলো ফলো করতে হবে । ( ইনকাম করার জন্য ট্রেন্ডিং ভিডিও টিকটক )


যদি আপনি ট্রেন্ডিং এর টপিক গুলো নিয়ে শর্ট ভিডিও তৈরি করতে পারেন । তাহলে অন্যদের তুলনায় আপনি অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন টিকটক থেকে । ( ইনকাম করার জন্য শর্ট ভিডিও ) 

টিকটক প্লাটফর্মে রয়েছে ভিডিওগুলো মনিটাইজ এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার সুযোগ । কিছু দেশেই ভিডিও মনিটাইজ এর মাধ্যমে ইনকাম করা চালু হলেও এখন পর্যন্ত অনেক দেশেই রয়েছে যেখানে মনিটাইজ এর মাধ্যমে ইনকাম এর সুযোগ হয়ে ওঠেনি । ( টিকটক প্ল্যাটফর্ম মনিটাইজ )


তবে আস্তে আস্তে পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই মনিটাইজ এর মাধ্যমে ইনকাম করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে । তবে এখানে রয়েছে কিছু কন্ডিশন মনিটাইজ করার জন্য রিয়েল ভাবে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে টাকা ইনকাম করার জন্য । ( ইনকাম করার জন্য ভিডিও মনিটাইজ )


বেশ কিছু ভিডিওতে এক লক্ষ ভিউ উপরে থাকতে হবে এবং একাউন্টে 10000 এর বেশি ফলোয়ার থাকতে হবে । তাহলেই মনিটাইজ করার অপশনটি পাওয়া যাবে । যেমন আমরা ইউটিউব এর ভিডিও গুলো গুগোল এডসেন্সের মাধ্যমে মনিটাইজ করে ইনকাম করে থাকি । ওরকমই ব্যবস্থা রয়েছে টিকটকেও । ( টিকটক মেক মানি )


আপনার টিকটক একাউন্ট যদি মোটামুটি বড় মাপের হয়ে থাকে তাহলে বিভিন্ন কোম্পানি থেকে স্পনসর নিয়েও মাসে হাজার হাজার ডলার উপার্জন করতে পারবেন । ( স্পন্সর এর মাধ্যমে ইনকাম )


স্পন্সর দেওয়ার জন্য আপনাকে মানুষের ধারে ধারে যেতে হবে না । আপনার টিকটক একাউন্টে ইমেইল দিয়ে রাখলেই আপনার কনটেন্ট রিলেটিভ কোম্পানিগুলো স্পনসর দেওয়ার জন্য অফার করে থাকবে । ( tiktok sponsor for make money )


এছাড়াও আপনার যদি কোন কোম্পানি থাকে সেটার এডভাইটিজ করতে পারবেন টিকটক এর মাধ্যমে ‌‌। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে ধরুন আপনার একটি সাবানের কোম্পানি রয়েছে এখানে আপনি চাইলে টিকটকে আপনার কোম্পানির পণ্যগুলোর প্রচারণার কাজ করতে পারবেন । ( tiktok sponsorship rates )


উপরে আপনারা ইউটিউব চ্যানেলের যে ক্যাটাগরি গুলো দেখেছিলেন ঠিক ওরকম ভাবে আপনারা চাইলে টিকটকের চ্যানেল খুলে মাসে হাজার হাজার ডলার উপার্জন করতে পারবেন । টিকটকের কাজগুলো একটি মানসম্মত স্মার্টফোনের মাধ্যমে করা যাবে । ( স্মার্টফোনের মাধ্যমে টিকটক থেকে ইনকাম )



(৯) বিটকয়েনের মাধ্যমে ইনকাম ?


এয়ারড্রপ কি ?


অনেককে খুঁজে পাওয়া যাবে যারা এখন পর্যন্ত বিটকয়েন সম্পর্কে কিছুই জানে না তাদের কাছে বিটকয়েন থেকে ইনকাম করার বিষয়টি অনেকটাই আশ্চর্যজনক বলে মনে হতে পারে । যাই হোক সবার প্রথমে জেনে নেওয়া যাক বিটকয়েন কি ? ( বিটকয়েন কি ও কেন ) 


বিটকয়েন হলো একটি ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রটোকলের মাধ্যমে লেনদেন করার জন্য সাংকেতিক মুদ্রা । বিটকয়েনের একক সাতোশি নামে পরিচিত । যেটি ব্লকচিন এর মাধ্যমে পরিচালিত হয় । বিটকয়েন থেকে লেনদেনের জন্য কোন প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান বা নিকাশ ঘরের প্রয়োজন হয়না । ( বিটকয়েন এর পরিচিতি )


 2008 সালে সর্বপ্রথম সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রার প্রচলন শুরু করেন । বিটকয়েনের লেনদেন করার নিয়ম হচ্ছে পিয়ার to পিয়ার অর্থাৎ গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কাছে । ( বিটকয়েন নিউজ )



যখন কোন ক্রিপ্টোকারেন্সি কোম্পানি উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে বিটকয়েন , লাইট কয়েন এবং ডগি কয়েন ইত্যাদি  যখন মার্কেটে প্রথম বার আসে তখন সেই ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম কম থাকে । ( ক্রিপ্টোকারেন্সি আইন )


আর এমন অবস্থায় তারা অনলাইনে তাদের ক্রিপ্টোকারেন্সির পরিচিতি লাভ করানোর জন্য কিছু কয়েন ফ্রিতে দিয়ে থাকে যা এয়ার্ড্রপ নামে পরিচিত । তবে সব কয়েন কিন্তু আপনি ফ্রিতে নিতে পারবেন না । টাকা ইনভেস্ট ছাড়া ক্রিপ্টোকারেন্সি গুলোতে ফ্রিতে যেভাবে কয়েন পাওয়া যায় এটাকে এয়ার ড্রপ বলা হয়ে থাকে । ( এয়ারড্রপ কি )



বিটকয়েনের যাত্রার শুরুর দিকে এর মার্কেট কিন্তু এক ডলারেরও কম ছিল কিন্তু বর্তমান সময়ে একটি বিটকয়েন এর দাম মার্কেট প্লেসে হাজার ডলারের বেশি প্রায় লাখ ডলারের কাছাকাছি । ( bitcoin marketplace )



এটার প্রাইজ সবসময় ওঠানামা করে । প্রথমদিকে যারা হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন যে বিটকয়েনের মূল্য আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাবে ভেবে বিটকয়েন জমা করে রেখেছিল তারা পরবর্তী সময় অনেক টাকার বিনিময়ে বিট কয়েন বিক্রি করতে পেরেছে । ( বিটকয়েনের মাধ্যমে ইনকাম )


বিটকয়েনের মূল্য শেয়ারবাজারের মতো ওঠানামা 
করে । এখন আপনি গুগলে সার্চ করে বিটকয়েনের যে মূল্য দেখতে পাবেন কালকে সেটি দেখতে নাও পারেন । কারণ এটির দাম প্রতি সেকেন্ডে উঠানামা করে থাকে ।
বিটকয়েন ইনকাম সাইট )



আপনি যদি একটি নির্দিষ্ট মূল্যের মাধ্যমে বিটকয়েন কিনে রাখেন এবং পরবর্তী সময়ে যখন বিটকয়েনের মূল্য বৃদ্ধি পাবে তখন আবার বেশি টাকা লাভের আশায় বিক্রি করে দিলেন এতে করে কিন্তু আপনি কিছু টাকা উপার্জন করতে পারবেন । ( ফ্রি বিটকয়েন সাইট )



 কিন্তু সব সময় যে বিটকয়েন এর মুল্য বাড়বে এমনটা কিন্তু নয় । এক্ষেত্রে আপনাকে কিন্তু বেশি টাকা দিয়ে কিনেও কম টাকায় বিক্রি করতে হতে পারে । এই কাজটি সম্পর্কে আপনার যদি অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে কখনোই এই কাজটি করা আপনার জন্য ঠিক হবে না । আপনার যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনি করতে পারেন সেটি ভিন্ন কথা ।
বিটকয়েনের মাধ্যমে ইনকাম করার উপায় ) 


কে জানতো 2012 সালের দিকে জাপানের বিজ্ঞানী ডিজিটাল কারেন্সি তৈরি করবে আবার সেটি এতটা জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারবে । একটা সময় ছিল মানুষ দেওয়া নেওয়ার মাধ্যমে লেনদেন করতে । তারপরে রাজাদের আমলে হীরা , দহরত , মনি-মুক্তার মাধ্যমে লেনদেন করে থাকতো । ( ডিজিটাল  কারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন )



এরপরে মানুষ পয়সার মাধ্যমে লেনদেন করে থাকতো । সময়ের পরিবর্তনে আল্লায় দিলে আবার চলে আসলো কাগজের তৈরি টাকার প্রচলন । যেটাকে আমরা টাকা বা ডলার বলে থাকি । সেই সময়ের প্রয়োজনে আবার সেটিও এখন পরিবর্তন হতে চলেছে । ( বিটকয়েনের ভবিষ্যৎ কী )


অনেক দেশে তো সরকারিভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধতা দিয়েছে । আবার অনেক দেশে বৈধতা দেওয়ার জন্য সরকার পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে ‌‌। বিটকয়েনের হাত ধরে এখন পৃথিবীতে আড়াই হাজারের উপরে ক্রিপ্টোকারেন্সি রয়েছে । ( ক্রিপ্টোকারেন্সি ক্যাটাগরি )



এগুলোকে ট্রেড করে মানুষ এখন হাজার হাজার ডলার উপার্জন করতে আছে । এখন প্রায় প্রতিদিনই বিশ্ববাজারে অনলাইন ক্রিপ্টোকারেন্সি এর এয়ার ড্রপ আসতেছে । তবে সবগুলো থেকে যে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয় । কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কারেন্সি কোম্পানিগুলো চলাকালীন সময় পেমেন্ট করে না । ( airdrop payment )



শতকরার হিসাব করলে আপনি যদি 100 ক্রিপ্টোকারেন্সি এয়ার্ড্রপে জয়েন হন তাহলে পাঁচটিতে পেমেন্ট পাবেন ‌‌ । কোন পাঁচটিতে পেমেন্ট পাবেন সেটা বলা মুশকিল । এর জন্য অ্যা ড্রপ থেকে টাকা ইনকাম করতে হলে প্রতিটি তুই জয়েন হয়ে থাকতে হয় । কারণ কখন কে পেমেন্ট করে বলা যায় না । ( airdrop crypto binance )



এয়ার ড্রপে জয়েন হতে কি কি লাগে ? 

  •  ইমেইল
  •  মোবাইল নাম্বার
  • এনআইডি কার্ড
  • ফেইসবুক , টুইটার , লিনকেদিন , ইনস্টাগ্রাম , টেলিগ্রাম ইউটিউব , টিকটক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া থাকতে হবে ।



তবে ক্ষেত্রবিশেষে বিভিন্ন এয়ার ড্রপে ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশন দিয়ে থাকে তারা যে কন্ডিশন গুলো দেয় সেগুলো ফিলাপ করলে কিছু কিছু এয়ার ড্রপ আছে তারা শর্ত মোতাবেক পেমেন্ট করে থাকে ‌‌। এইজন্য আপনি যদি টাকা ইনকাম করার চিন্তা করে থাকেন তাহলে আপনাকে সব সময় নতুন নতুন এয়ার ড্রপ গুলোতে জয়েন করতে হবে । কে জানে কোনটিতে আপনার কপাল খুলে যায় । ( এয়ার ড্রপ এর কাজ করে পেমেন্ট )



তবে আপনি যদি কাজ চালিয়ে যান মাসের যদি আপনি 200 এয়ার ড্রপ জয়েন হন ওখান থেকে যদি 10 থেকে 15 টি এয়ার ড্রপ আপনাকে পেমেন্ট করে তাও প্রতি মাসে 300 থেকে 400 ডলার ইনকাম করতে পারবেন ।
এয়ার ড্রপের মাধ্যমে কত টাকা ইনকাম করা যাবে )


এখন ভাবতে পারেন আমাদের কেন তারা ফ্রিতে এয়ার ড্রপ এর মাধ্যমে টাকা বা ডলার দিয়ে থাকে । একটি কোম্পানি যখন নতুন আসে তখন পাবলিক তাদের চিনে না আর যদি পাবলিককে তারা টাকা না দেয় পাবলিক কখনোই তাদের সাইটে কাজ করবে না ।
এয়ার ড্রপ মার্কেটপ্লেস )



 অর্থাৎ এই টাকা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের কোম্পানির প্রমোশন করিয়ে নেয় এবং পাবলিক ফ্রিতে কিছু টাকা উপার্জন করতে পারে । এজন্যেই ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলো এয়ার ড্রপ এর মাধ্যমে টাকা বা ডলার দিয়ে থাকে । ( ক্রিপ্টোকারেন্সি এয়ার ড্র্প )



এয়ার ড্রপ থেকে পেমেন্ট নিতে হলে আপনাকে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে হবে । যেমন কয়েনবেস , বাইনাছ , ট্রাস্টেড ,  ওয়ালেট , কয়েন মার্কেটকেপ ইত্যাদি মার্কেটপ্লেস থেকে এক্সচেঞ্জ করে দেশ হিসেবে লোকাল কারেন্সিতে নেওয়ার সুবিধা 
রয়েছে । এই কাজগুলো আপনি চাইলে হাতে থাকায় স্মার্টফোনটি দিয়ে সম্পূর্ণ করতে পারবেন । ( এয়ার গ্রুপ থেকে পেমেন্ট নেওয়ার ক্যাটাগরি )



(১০) ডিজিটাল বাংলা ৩৬০ কোম্পানি থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়


ডিজিটাল বাংলা ৩৬০ কী ?



ডিজিটাল বাংলা 360 হচ্ছে অনলাইন টাকা ইনকাম ভিত্তিক কোম্পানি । পৃথিবীজুড়ে আমরা যারা পড়ালেখা শেষ করেছি বা এখন পর্যন্ত লেখাপড়া করতেছি এবং ভবিষ্যৎ যারা লেখাপড়া করবে অথবা যারা মোটামুটি লেখাপড়া করেছেন তাদের কথা মাথায় রেখে এই কোম্পানির পথচলা । ( Digital Bangla 360 for make money )


আমাদের উদ্দেশ্য হল পৃথিবীজুড়ে যারা বেকার সময় কাটাচ্ছেন ফ্যামিলিতে বোঝা হয়ে রয়েছেন ভালো একটা চাকরির অভাবে অথবা ব্যবসা করবেন টাকা আছে কিন্তু বুঝতে পারছেন না কিভাবে ব্যবসা করবেন ।
Online income tips )


 যাদের টাকা নেই তারা তো আর চাইলেই ব্যবসা করতে পারবেন না । এই দুনিয়াতে প্রথমে আল্লাহ ও রাসুল তারপরে মা বাবা এবং তার পরেই রয়েছে  টাকার অবস্থান । তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাকার অবস্থান মা-বাবার উপরেও চলে যায় । কারণ টাকা না থাকলে মা বাবাও তেমন একটা ভালোবাসে না । ( Digital Bangla 360 for earn money )


এই ধরনের লোকদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ বলতে পারেন ডিজিটাল বাংলা ৩৬০ কোম্পানির । আমি ডিজিটাল বাংলা 360 আল্লায় দিলে কর্ণধার হোসাইন মোহাম্মদ ইউসুফ । আমি নিজেও এক সময় বিভিন্ন সমস্যার মধ্য দিয়ে এসেছি । ( অনলাইন থেকে ইনকাম করার সহজ উপায় )


আল্লায় দিলে তাই আমি চাই পৃথিবীতে যারা এধরনের সমস্যায় রয়েছেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে শুধুমাত্র ভালোবাসার কারণে উপকার বা সাহায্য করতে চাই । এজন্য সবার উদ্দেশ্যে ডিজিটাল বাংলা 360 কোম্পানিটি খোলা । ( the advantage of digital Bangla 360 )

ডিজিটাল বাংলা 360 কি ?


বর্তমান পৃথিবী হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর । অর্থাৎ ডিজিটাল কার্যক্রম দিয়ে এখন বেশিরভাগ সার্ভিস গুলি পরিচালনা করা হচ্ছে । এইজন্য  এই কোম্পানির প্রথম ওয়ার্ডটা নেওয়া হয়েছে ডিজিটাল । ( Digital Bangla )


পৃথিবীজুড়ে এখন বাংলা ভাষাভাষীর বহু মানুষ রয়েছে । তাদের কথা মাথায় রেখে বাংলাতে এই কোম্পানিটি বাংলায় কনটেন্ট তৈরি করে থাকে । এজন্যই এই কোম্পানিটির দ্বিতীয়টি হচ্ছে বাংলা । ( Bangla earning site 


এ কোম্পানিটি একটি ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করতে চায় না । এই জন্য সকল মানুষের কথা ভেবে এই কোম্পানিতে অনলাইন জগতের সকল ধরনের কাজ করতে চায় । এই জন্য এই কোম্পানি তিন নাম্বার ওয়ার্ডে রয়েছে 360 অর্থাৎ চারিদিক । ( Digital Bangla 360 income category ) 



এই কোম্পানীর মাধ্যমে আপনারা অনলাইন জগতের জনপ্রিয় যতগুলো কাজ রয়েছে সবগুলোই আপনাদের কে ফ্রিতে পূর্ব শিখানো হয়েছে এখনো হবে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ । ( Bangla income website )



ডিজিটাল বাংলা 360 কোম্পানিতে কিভাবে কাজ করে ? এ কোম্পানির কি কি রয়েছে ? 


1 / Digital Bangla 360 YouTube channel

2 / Digital Bangla 360 Facebook Channel

3 / Digital Bangla 360 TikTok Channel

4 / Digital Bangla 360 Instagram Channel

5 / Digital Bangla 360 Webtalk Channel

6 / Digital Bangla 360 Telegram Chanel


এখানেই শেষ নয় ডিজিটাল বাংলা 360 এর রয়েছে ওয়েবসাইটও । 


Digital Bangla 360 . Com Google Website ,

Digital Bangla 360 . Net wordpress website


এছাড়াও এ কোম্পানির রয়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে একাউন্ট । যেমন

1 / Digital Bangla 360 Twitter Account

2 / Digital Bangla 360 LinkedIn Account 

3 / Digital Bangla 360 Pinterest Account

4 / Digital Bangla 360 Medium Account

5 / Digital Bangla 360 Tumblr Account

6 / Digital Bangla 360 Imo Account


যে কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে গিয়ে সার্চ অপশনে লিখুন Digital Bangla 360 লিখেেে সার্চ করলেই এই কোম্পানির চ্যানেল অথবা অ্যাকাউন্ট প্রোফাইল পেয়ে যাবেন । ( Digital Bangla 360 official 
homepage )


এই কোম্পানির চ্যানেলগুলোতে কিংবা অ্যাকাউন্ট প্রোফাইল গুলোতে অনলাইন থেকে কিভাবে ঘরে বসে মোবাইল ল্যাপটপ কম্পিউটার দিয়ে যাতে সবাই কাজ করে সৎ পথে থেকে টাকা ইনকাম করতে পারে  । ( স্মার্টফোনের মাধ্যমে ঘরে বসে ইনকাম )


 এইজন্য এ কোম্পানির চ্যানেলগুলোতে কিংবা অ্যাকাউন্ট প্রোফাইল গুলোতে অনলাইন ইনকাম রিলেটিভ ভিডিও কিংবা পোস্ট করা হয় যাতে কাজগুলো সবাই ফ্রিতে শিখে নিতে পারে । এবং সেই কাজগুলো করে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করতে পারে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা । ( tips for online learning success )



যারা নতুন রয়েছেন তারা কিভাবে কাজগুলো শিখবেন অথবা কাজগুলো করবেন এই বিষয়ে ছোট-বড়-মাঝারি টাকা ইনকাম ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন গুলোর বিভিন্ন ক্যাটাগরির টিউটরিয়াল কিংবা আর্টিকেল ও পোস্ট নিয়মিতভাবে দেওয়া হয় যাতে এগুলো দেখে যে কেউ সহজভাবে কাজ শিখে নিতে পারে । ( how to learn online tips )


আমরা যারা একেবারে নতুন রয়েছে অর্থাৎ যাদের ভেতরে এখন পর্যন্ত অনলাইন ভিত্তিক কাজগুলো সম্পর্কে কোন আইডিয়া নেই তারা চাইলেই এই কোম্পানির সাথে থেকে নিজের ক্যারিয়ারকে গঠন করতে পারবে ইনশাআল্লাহ । ( online help 360 )


অনলাইন থেকে উপার্জন করার জন্য কি কি প্রয়োজন ?


একুশ শতকের মূল সম্পদ হলো জ্ঞান । অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার প্রয়োজন মেধা শ্রম , জ্ঞান , দক্ষতা অথবা অভিজ্ঞতা এবং সময় । এই তিনটি বিষয় সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ রেখে ঘরে বসেই আয় করা সম্ভব । ( অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় )



এছাড়াও অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে অধ্যাবসায় । এখানে আপনি যে বিষয় থেকে ইনকাম করতে চান সে বিষয়ে ধারণা অর্জন করতে প্রচুর সময় লেগে যাবে । ধারণা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ধারণা অর্জন করতে হতে পারে । ( অনলাইন ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় )



এক্ষেত্রে আপনার জানতে হবে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে কিভাবে ধারণা অর্জন করতে হয় । অনলাইন প্লাটফর্ম গুলো থেকে ধারণা এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ক্রিয়েটিভিটি থাকা প্রয়োজন । ( how to increase knowledge by online income )



 অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে অবশ্যই মেধাশ্রম খাটিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হবে । বিভিন্ন কাজ এর পাশাপাশি অনলাইন ভিত্তিক পেশার যে কাজগুলো করতে চান সে কাজগুলো সম্পর্কে পর্যাপ্ত পরিমাণে ধারণা থাকতে হবে । ( অনলাইনে আয় করার পদ্ধতি )

 সবথেকে বেশি প্রয়োজন যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে নিজের আগ্রহ । আগ্রহ এবং পরিশ্রম না করতে পারলে অনলাইন থেকে ইনকাম করাটা অনেকটাই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে । আগ্রহ ছাড়া এই কাজগুলোকে করা সম্ভব 
নয় । ( how to increase confidence by income )


প্রতিদিন আপনাকে অনলাইনে কাজ গুলো শিখতে হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় ব্যয় করতে হবে । কমপক্ষে প্রতিদিন 10 থেকে 12 ঘণ্টা সময় দিতে হবে এর থেকে আরও বেশি দিলে ভালো হয় । ( অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে ইনকামের উপায় )



 ইন্টারনেটভিত্তিক কাজগুলোকে করার জন্য অথবা প্ল্যাটফর্ম থেকে শিখার জন্য অবশ্যই টাইম মেইনটেন করে নিতে হবে । প্রতিদিন সময় দিতে না পারলে কাজগুলো থেকে পিছিয়ে পড়বেন  । ( What to do to earn income properly )

Post a Comment

0 Comments