Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

Satoshi অ্যাপের দাদা এলো | Stonks FREE Mining App make money online

অনলাইন থেকে ইনকাম করা এখন এই ডিজিটাল যুগে  আহামরি কঠিন কিছু নয় বলা যেতে পারে । কেন এই কথাটা বললাম সেটা সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পরলেই বুঝতে পারবেন । ইন্টারনেট কানেকশন সংযুক্ত রেখে একটি স্মার্টফোনের মাধ্যমে আপনি কিন্তু চাইলেই খুব সহজে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন । অনলাইন ভিত্তিক কাজকর্মগুলো প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে যার কারণে অনেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ছে এসব কাজগুলো করে ইনকাম করার জন্য । অনলাইন থেকে ইনকাম করার বিষয়টির উপর ছোট বড় প্রায় কমবেশি সকলেরই ধারণা রয়েছে । বর্তমান সময়ে মানুষ ঘরে বসেও অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করে যাচ্ছে । বর্তমান সময়ে প্রতিনিয়ত আমরা এসব খবরাখবর বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমগুলোতেও দেখতে পাই । আর এসব কারণেই মানুষের ভেতর এক আস্থা জন্ম নিয়েছে অনলাইন থেকে কাজ করে টাকা ইনকাম করার । একটা সময় ছিল তখন কিন্তু মানুষ অনলাইন থেকে ইনকাম করার বিষয়টিকে অনেকটা তুচ্ছ বলেই মনে করতো । কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা ম্যাক্সিমাম মানুষের ভেতরেই অনলাইন থেকে ইনকাম করার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে দেখে থাকি । আপনি যদি অনলাইন থেকে কাজ করে ইনকাম করতে চান তাহলে আজকের রিভিউটি আপনার জন্য টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে । আবার অনলাইন ইনকামের বিষয়টিকে অনেকে এমন টাও ভেবে নেই যে আজকে কাজ করলাম কালকে টাকা তুলে নিবো । এমনটা কিন্তু নয় । উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে আপনি যদি একটি গাছ লাগান তাহলে কিন্তু কালকেই সেটা থেকে ফল আশা করতে পারেন না । এখানে কিন্তু আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর ফুল থেকে আপনি অবশ্যই ফল লাভ করবেন । ঠিক সেম অনলাইন থেকে কাজ করে আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর অবশ্যই লাভবান হতে পারবেন । আজকে আপনাদের মাঝে তুলে ধরব কিভাবে খুব সহজেই অনলাইন থেকে ইনকাম করা যাবে । আমরা অনেকেই হয়তো জানি আবার অনেকেই জানিনা যে বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে মাইনিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায় । মাইনিং করে ইনকাম করার জন্য বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় একটি মাইনিং সাইড হল Stonks Network । নেটওয়ার্কটি সম্পর্কে আমাদের অনেকের ধারণা রয়েছে আবার অনেকেরই নেই । Stonks Network এর মাধ্যমে মাইনিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করব সে বিষয়ে এ টু জেড রিভিউতে আলোচনা করা হলো ।


Satoshi mining app থেকে ফ্রিতে মাসে ১ লক্ষ টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় জেনে নিন।



Satoshi অ্যাপের দাদা এলো | Stonks FREE Mining App make money online



Stonks Network অ্যাপ কী ?

মাইনিং করে ইনকাম করার জন্য যে কয়টি অ্যাপস রয়েছে সেগুলো থেকে Stonks Network লেটেস্ট মাইনিং অ্যাপ । আমরা অনেকেই হয়তো সাতোশি মাইনিং অ্যাপ বা পাই মাইনিং অ্যাপ সম্পর্কে জানি , আবার অনেকে সেখানে কর্মরত অবস্থায় জড়িত । আমরা যারা কাজ করি তারা হয়তো খুব ভালোভাবেই জানি । সাতোশি , পাই নেটওয়ার্ক বা Stonks Network গুলোতে মূলত মাইনিং করে ইনকাম করা হয় বলে এগুলোকে মূলত মাইনিং অ্যাপ বলা হয়ে থাকে । এখন অনেকের মধ্যেই একটি প্রশ্ন জাগতে পারে যে Stonks Network এর মাধ্যমে আমরা কিভাবে টাকা ইনকাম করবো ? পাই নেটওয়ার্ক বা কোর মাইনিং অ্যাপ গুলোর মাধ্যমে আমরা যেভাবে মাইনিং করে থাকি ঠিক তেমনি Stonks Network সাইডে অ্যাপের মাধ্যমে মাইনিং করতে পারবো । Stonks Network বিটকয়েনের মত মার্কেটপ্লেসে ডিজিটাল কারেন্সি আনতে যাচ্ছ উদাহরণ আমরা দিতে পারি core coin , pi coin এর মতো । Stonks Network এর নিজস্ব কয়েন এর নাম Stonks coin । Stonks Network যেহেতু এখন একটি নতুন একটি মাইনিং অ্যাপ সেহেতো বলা যেতে পারে এটি সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা নেই তো আমরা এখন জেনে নিব এই অ্যাপটির বিস্তারিত সম্পর্কে । Stonks Network অ্যাপটির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস জানতে পারবো তার কারণ হলো প্রতিটি কোম্পানি তাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অথবা তথ্য গুলো তুলে ধরে থাকে তো আমরা এখন দেখব এই কোম্পানিটি কি কি আলোচনা করেছে । তারা পিডিএফ ফাইল এর মধ্যে একটি হোয়াইটপেপারে তুলে ধরেছেন Stonks Network কি এবং এখানে আপনারা কিভাবে কাজ করবেন । আপনারাও চাইলে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যগুলো জানতে পারবেন । এক কথায় তারা এখানে তাদের ফিউচার প্ল্যান তুলে ধরেছে ভবিষ্যতে তারা কি কি আপডেট আনবে এবং কিভাবে এগোবে । এছাড়াও তাদের যে এনএফটিগুলো রয়েছে সেগুলো ফ্রিতে সংগ্রহ করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস ওপেনসিটে বিক্রি করে প্রফিট তুলে নিতে পারবেন ।




Stonks Network অ্যাকাউন্ট খোলে আমরা কিভাবে লাভবান হবো ?

Stonks Network মাইনিং অ্যাপে অ্যাকাউন্ট খোলার পর আমরা সর্বপ্রথম যে সুবিধাটি পাবো সেটি হল এখানে আমরা ফ্রি ভাবে কাজ করতে পারবো । অর্থাৎ কাজ করার জন্য আমাদেরকে কোন টাকা পয়সা ইনভেস্ট করতে হবে না । এখন এখানে কিন্তু একটি প্রশ্ন রয়ে যায় , কোম্পানিতে কেন আমাদেরকে ফ্রি ভাবে কাজ করার এবং ফ্রি ভাবে কয়েন দিচ্ছে ? একটি কোম্পানি বা অ্যাপস মার্কেটে যখন নতুন আসে তখন তাদের প্রমোশনের জন্য এবং মার্কেটপ্লেসে নিজেদের জায়গা দখল করার জন্য ফ্রি ভাবে কয়েন উপার্জন করার সুযোগ দিয়ে থাকে । এছাড়াও তারা উপলব্ধি করতে চায় তাদের ওয়েবসাইটে কোন সমস্যা রয়েছে কিনা । একটি এপস মার্কেটে যখন নতুন আসে তখন বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয় এটা তারা পরবর্তীতে ডেভেলপারের মাধ্যমে সংশোধন করে নেয় । কোম্পানিটি যদি ফ্রি ভাবে কয়েন উপার্জন করার সুযোগ কি দিয়ে যায় তাহলে স্বাভাবিকভাবে এটা জেনে অনেক মানুষ এখানে জড়ো হবে আর তাছাড়া এমনিতেও একটি কোম্পানি ঠিক তখনই বিল্ড আপ বা বৃদ্ধি পায় যখন কোম্পানিতে একটি হিউজ বা বিশাল কমিউনিটি থাকে । তো সে ক্ষেত্রে ফ্রি ভাবে কয়েন গিবওয়ে করা কমিউনিটি বৃদ্ধি করার একটি অন্যতম মাধ্যম । আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে পাই নেটওয়ার্ক গত কয়েক বছর ধরেই তাদের মাইনিং এর কাজ চালিয়ে আসছিল যারা শুরু থেকেই জয়েন হয়েছিলেন এখন পর্যন্ত তাদের কাছে এখন কয়েক লক্ষ কয়েন রয়েছে । এখন আনঅফিশিয়াল ভাবে প্রতিটা pi coin এর দাম উঠেছে 0.33$ । আসুন মূল বিষয়টা তুলে ধরি ধরুন আপনার কাছে এক লক্ষ pi coin রয়েছে যেটার বর্তমান দাম 100,000× 0.33$ = 33000$ যেটা বাংলা টাকায় চলে আসে 33,00000 টাকা । এই pi coin এর দাম যদি  ডলার করে হয়ে যায় কিংবা তারও বেশি তাহলে হিসাব করে মিলিয়ে নিন আপনি কত টাকার মালিক । একটু ভেবে দেখুন আপনি যদি একটি ক্রিপ্ত কারেন্সি থেকে এত টাকার মালিক হতে পারেন তাহলে এই মাইনিং ওয়েবসাইট কিংবা apps গুলোতে কাজ করবেন কিনা সেটা একটু ভেবে দেখুন ? আপনারা ভাবতে পারেন pi coin এখানে কিভাবে আসলো  ? তার প্রধান কারণ গুলোর মধ্যে অন্যতম কিছু কারণ হলো কোম্পানিটি এখানে ফ্রি ভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছিল বিধায় এক বিশাল কমিউনিটি এখানে জড়ো হয়ে কাজ করেছিল । এর কমিউনিটির সংখ্যা প্রায় ফাইভ মিলিয়ন । আর এই বিশাল কমিউনিটির কারণে বিভিন্ন ইনভেস্টমেন্টরা Pi Network কোম্পানিতে ইনভেস্ট করেছে । যার কারণে কোম্পানিটি বড় হতে পেরেছে । আর এই বড় হওয়ার কারণে পি আই কোম্পানিতে অন্যান্য বড় বড় কোম্পানি গুলো চুক্তিবদ্ধ করেছে এর ফলে পিআই কোম্পানির গ্রাহকরা আগামীতে আরো বেশি সুবিধা পেতে চলেছে । তার কারণ হলো কোম্পানি যত বড় হবে কয়েনগুলোর ভ্যালু ততটাই বৃদ্ধি পাবে । আর মানুষের কাছে থাকা কয়েনগুলো ঠিক ততটাই বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে । Pi network এর মধ্য দিয়ে আমরা বুঝতে পারলাম সব মাইনিং কোম্পানিগুলো ফেক নয় এদের মধ্যে অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা প্রথম সারির কোম্পানির ভিতরে নাম লেখাতে যোগ্যতা অর্জন করে কিংবা আগামীতেও আরো এমন অনেক ডিজিটাল ক্রিপ্ত কারেন্সি কোম্পানি হয়তো আসবে সে কোম্পানিগুলোকে একের পর এক আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করবে আপনাদের ভালোবাসার কোম্পানি ডিজিটাল বাংলা 360 যাতে করে আপনারা ভবিষ্যতে লক্ষ লক্ষ কিংবা কোটি টাকার উপরে মালিক হয়ে যেতে পারেন ।



আরো পড়ুন সকল মাইনিং অ্যাপের লিস্ট পেতে এখানে দেখুন


স্টুডেন্টদের জন্য Stonks Network কতোটা উপকারী হবে ?

অনেক স্টুডেন্ট রয়েছে যারা কিনা তাদের স্টাডি অথবা লেখাপড়ার পাশাপাশি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চায় তাদের জন্য Stonks Network একটি খুবই সহজ মাইনিং অ্যাপ । মাইনিং করার জন্য আপনাকে ততটা সময় এই এপে থাকতে হবে না । যার কারণে একজন স্টুডেন্ট খুব সহজেই তার স্টাডির পাশাপাশি এই মাইনিং অ্যাপসে কাজ করতে পারবে । তবে কেবলমাত্র স্টুডেন্টরাই করতে পারবে এমনটা কিন্তু নয় একজন সাধারণ মানুষও চাইলে এই মাইনিং অ্যাপসে কাজ করতে পারবে । শুধুমাত্র একটি স্মার্ট ফোন থাকলেই হবে । তবে এটা আশা করা যায় যে Stonks Network স্টুডেন্ট অথবা সাধারণ মানুষের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে । 

Stonks Network অ্যাপসে অ্যাকাউন্ট খোলার নিয়ম

প্রথমে আপনাদেরকে অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে হবে  । কিভাবে ইন্সটল করবেন সেটা আপনাদের জানার কথা । অ্যাপটি ওপেন হওয়ার সাথে সাথেই আমরা দেখতে পাবো কন্টিনিউ উইথ গুগল সেখানে ক্লিক করে আমরা একটি নির্দিষ্ট gmail এর মাধ্যমে অ্যাপসটিতে লগইন হব । তবে আপনি যে ইমেইলের মাধ্যমে একাউন্ট ক্রিয়েট করবেন সেই ইমেইলের নাম যেন আপনার এনআইডি কার্ডের সাথে মিল থাকে । মনে রাখবেন অ্যাপসটিতে লগইন করার পূর্বে আপনাকে একটি গেমার নেম ক্রিয়েট করতে হবে নিজে থেকে । অ্যাপসটিতে লগইন হওয়ার পর আমরা একটি মানুষের মতো আইকন দেখতে পাবো যেটি মূলত 24 ঘণ্টা পর একবার  ক্লিক করে মাইনিং চালু করে দিতে হবে অন্যথায় মাইনিং থেমে থাকবে । মাইনিং অপশনটি চালু করতে আপনার সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ডের মত সময় লাগবে । কাজের মধ্যে এতোটুকুই কাজ জাস্ট অ্যাপসটিতে ঢুকে মাইনিং অপশনটি চালু করে আবার বেরিয়ে যাবে । এরপরে আপনি স্বাভাবিক জীবনযাত্রার কাজকর্ম করতে পারবেন কোন সমস্যা নেই । এখানে প্রতি সপ্তাহে একটি লটারি চলে যেটির নাম মূলত এভরি উইক বিটকয়েন ড্রো । এটা অনেকটাই লটারির মত কাজ করে থাকে । লটারিতে যদি আপনি জয়ী হন তাহলে পুরস্কার পাবেন । এছাড়াও আপনি যদি কারো ইনভাইটেশন কোড ব্যবহার করেন তাহলে সর্বোচ্চ 50 stonks token পেয়ে যাবেন ।  এছাড়াও যদি আপনার ইনভাইটেশন কোড ব্যবহার করে অন্য কেউ অ্যাকাউন্ট খুলে তাহলে আপনি প্রতিটা রেফার থেকে 0.50 পাওয়ার পাবেন যেটার মাধ্যমে অটোমেটিক আপনার মাইনিং স্পিড বেড়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে কোম্পানি হয়তো এখানে নতুন নতুন অফার যুক্ত করতে পারে । তবে একটি মোবাইলের মাধ্যমে একটি একাউন্টের বেশি খোলা যাবে না । এখন যদি আপনি প্রশ্ন করেন যে মাইনিং এর কয়েন গুলো সেল করে কবে পেমেন্ট নেওয়া যাবে ? এই মাইনিং ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত ১ থেকে ২ বছর মাইনিং অপশন চালু রাখে আর এরপরেই তারা মার্কেটে চলে আসে আর তারা যখন মার্কেটে চলে আসে তখন এই কয়েন গুলো বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট এর মাধ্যমে পেমেন্ট গুলো উইথড্রু করা যায় । ধরুন আপনি দুই বছরের মধ্যে আনুমানিক 2 লক্ষ কয়েন ইনকাম করলেন সেটার প্রাইস হল 0.10$ তাহলে ২ লক্ষ কয়েনের দাম চলে আসে 20,000$ বা 2,000,000 টাকা । তবে মনে রাখবেন এর দাম আরো বেশি হতে পারে । তবে মনে রাখবেন এখানে কাজ করতে কোন টাকা-পয়সার প্রয়োজন নেই শুধুমাত্র ধৈর্য সহকারে কাজ করতে হবে । যদি ধৈর্য ধরে কাজ করতে পারেন তাহলে এই ইনকামের সুযোগটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছে । 

একাউন্ট খোলার জন্য এখানে ক্লিক করে সর্বপ্রথম গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন এরপর জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে একাউন্ট খোলার সময় রেফার কোড হিসাবে DigitalBangla360 এই ইউজার নেম ব্যবহার করুন।

এবং একাউন্ট খুলতে যদি কোন রকমের সমস্যা হয় তাহলে এখানে ক্লিক করে ইউটিউব চ্যানেল থেকে ভিডিওটি দেখে নিন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ