Join Our Telegram channel! name='keywords'/> হার্ট ভালো রাখার সম্পর্কে ১৫টি টিপস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন | Learn more about 15 tips to keep your heart healthy

Ticker

10/recent/ticker-posts

Ads

হার্ট ভালো রাখার সম্পর্কে ১৫টি টিপস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন | Learn more about 15 tips to keep your heart healthy

শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে মস্তিষ্ক এবং হৃৎপিণ্ড বা হার্টকে নিয়েই ভাবনা থাকে বেশি। এর যেকোনো একটি বিকল হলে মহাবিপর্যয় নেমে আসে। রোগ বিবেচনায় অবশ্য হার্টকে নিয়েই বেশি ভয়। তাই হার্ট সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে চলছে নানা ধরনের গবেষণা।শত শত বছর ধরে চলা এসব গবেষণা উপায়ও বাতলে দিয়েছে অনেক। এর মধ্যে ১৫ টিপ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ডিজিটাল বাংলা ৩৬০ এর মাধ্যমে।


হার্ট ভালো রাখার সম্পর্কে ১৫টি টিপস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন | Learn more about 15 tips to keep your heart healthy


১. সপ্তাহে দুইবার শারীরিক সম্পর্ক :

 গবেষণায় দেখা গেছে, সঙ্গীর সঙ্গে যাঁরা মাসে একবার শারীরিক সম্পর্ক করে থাকেন তাঁদের তুলনায় যাঁরা সপ্তাহে দুই বা তার বেশিবার করেন তাঁদের হার্ট বেশি সুস্থ থাকে। আমেরিকান জার্নাল অব কার্ডিওলজির মতে, শারীরিক সম্পর্ক হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াকে নিরাপদ করে তোলে, যেভাবে পোশাক তাপমাত্রার হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

২. প্রতিদিন এক কাপ আখরোট :

 প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ আখরোট-জাতীয় ফল খেলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনপ্রক্রিয়া কার্যকর হয়ে ওঠে। কেননা আখরোট-জাতীয় ফলে থাকে ওমেগা-৩ নামের চর্বি, যা বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেয় এবং এর ফলে দূষিত রক্ত নিয়মিত পরিসঞ্চালিত হয়ে হার্টের গতি স্বাভাবিক রাখে।

৩. নাড়ির গতি লিপিবদ্ধ রাখুন :

 ঘুম থেকে ওঠার পর অন্য কিছু খোঁজার আগে আপনার প্রয়োজন নিজের নাড়ি মেপে রাখা। কারণ এ সময় শরীর আবারও পুরোমাত্রায় কার্যক্ষম হয়ে ওঠার প্রস্তুতি শুরু করে।তাই হার্টও হয়ে ওঠে সচল। স্বাভাবিকভাবে পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষের এ সময় নাড়ির গতি হবে মিনিটে ৭০ বার বা তার চেয়ে কম। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, যদি সপ্তাহ ধরে এর ব্যত্যয় ঘটে, তবে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে স্থানীয় হাসপাতালে।

৪. এড়িয়ে চলুন দূষিত বায়ু :

 সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে দূষিত বায়ুর পরিমাণ বেড়েছে। আবহাওয়াবিদদের ভাষ্য মতে, শীতকালে সকালের দিকে বাতাসে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে।সাধারণত বাতাসে থাকা অতিরিক্ত ধাতব পদার্থ নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে স্কন্ধদেশের ধমনিপ্রাচীরকে আরো পুরু করে তোলে, যে কারণে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়।

৫. বেশি খান শিম, বরবটি :

 আলু কিংবা কলাই-জাতীয় খাবারের চেয়েও গুটিযুক্ত ফলধারী লতা, যেমন- শিম, বরবটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এগুলো রাখতে পারেন ওষুধ বিবেচনায়ও।

৬. করুন মুঠোর ব্যায়াম : 

টানা চার সপ্তাহের মুঠো সঞ্চালন-প্রসারণ ব্যায়ামও আপনার রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে। হাইপারটেনশন জার্নাল জানিয়েছে, এর মাধ্যমে আপনি রক্তের ঊর্ধ্বচাপ কমিয়ে আনতে পারেন প্রায় ১০ শতাংশ হারে।

৭. ডিমও সঙ্গী হবে : 

যাঁরা বলছেন, বেশি বেশি ডিম খেলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। কেননা ব্রাজিলীয় গবেষকরা জানিয়েছেন, ডিমের কুসুমে থাকা ভিটামিন ই, বি-১২ এবং ফলেট করোনারি আর্টারিকে পরিষ্কার রাখে। তবে কেউ যদি দিনে চারটি করে ডিম খেতে থাকেন, তবে তাঁকে এসব গবেষণার কথা ভুলে যেতে হবে।

৮. দৌড়ান নিয়মিত : 

এটা একটা সাধারণ তরিকা। তবে হার্ট ভালো রাখতে হলে প্রতিদিন কমপক্ষে তিন কিলোমিটার করে দৌড়ানোর উপদেশ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ক্ষেত্রে দৌড় শুরুর আগে এবং শেষে হার্ট রেটের সংখ্যা লিপিবদ্ধ করারও অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

৯. শ্বাসের গতি নিয়ন্ত্রণ করুন :

 না, নিজের ইচ্ছামতো গতিতে শ্বাস নিতে কিংবা ছাড়তে বলা হচ্ছে না। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন শ্বাসের ব্যায়াম করুন। উদাহরণ হিসেবে প্রথমে ৩০ সেকেন্ডে ছয়টি পূর্ণাঙ্গ শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পন্ন করুন। এরপর সময়ের পরিমাণ কমাতে থাকুন। এ ব্যায়াম আপনার হৃদ সংকোচনসংক্রান্ত চাপ কমাতে ধন্বন্তরি ভূমিকা রাখবে।

১০. দূরে থাক অবসাদ :

 কোনোভাবেই কাজের ক্লান্তিকে আপনার ওপর চেপে বসতে দেবেন না। এ জন্য মাঝেমধ্যেই অবসাদ দূর করতে আপনার পছন্দকে গুরুত্ব দিন। সুইজারল্যান্ডের এক গবেষণা জানিয়েছে, অবসাদ দূর করার তৎপরতা হৃদযন্ত্রের সংকট কাটায় ৫৭ শতাংশের কাছাকাছি।

১১. বিদায় জানান ফ্লু-কে :

 জার্নাল হার্টের প্রতিবেদন জানিয়েছে, যেসব ওষুধ ফ্লু জাতীয় ভাইরাস দূর করতে ব্যবহার করা হয় তা হার্টের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সারাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। উদাহরণ হিসেবে তারা ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকার কথা বলেছেন। এই টিকা একই সঙ্গে ধমনির প্রদাহ দূর করতেও শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।

১২. বালিশে মাথা রাখুন সময়মতো : 

যাদের অনিদ্রা নামক রাজরোগ আছে, তারা অন্যদের চেয়ে ৪৫ শতাংশ বেশি হার্ট এটাকের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী ঘুমের জন্য প্রতিদিন বেশি বেশি শারীরিক পরিশ্রম করার আহ্বান জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

১৩. নাস্তি অধিক ঘুমেও : 

এমনকি যারা বেশি বেশি ঘুমকাতুরে তাদেরও সাবধান করে দিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, দিনে ১০ ঘণ্টা কিংবা তার বেশি সময় যাদের ঘুমে কাটে তাদের স্থূলতার পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে থাকে, কমতে থাকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। সুতরাং অধিক ঘুমে নাস্তি।

১৪. খাদ্য তালিকায় কমাতে থাকুন চর্বির পরিমাণ : 

খাবারে থাকা চর্বি হৃৎপিণ্ডকে অকার্যকর করে তুলতে ভূমিকা রাখে। সুতরাং খাদ্য তালিকা থেকে নিয়মিতভাবে চর্বির পরিমাণ কমাতে থাকুন, তবে অবশ্যই পুষ্টি তালিকার নিুক্রম ছাড়িয়ে যাবেন না।

১৫. যোগ করুন পটাশিয়ামযুক্ত খাদ্য : 

প্রতি দিনের খাদ্য তালিকায় ক্রমাগতভাবে যুক্ত করতে থাকুন পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণ। এ ক্ষেত্রে কলা এবং মিষ্টি আলুকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ