Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

এয়ারড্রপ থেকে কিভাবে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করব?-এয়ারড্রপ কি?-এয়ারড্রপে কিভাবে কাজ করব?

বর্তমান যুগ হচ্ছে ডিজিটাল যুগ , ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি কাজ এখন অনলাইনে সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত । অনলাইনের মাধ্যমে কাজকর্মের সীমাবদ্ধতা কেবল এখানেই নয় অনলাইন মাধ্যমে  মানুষ এগিয়ে গেছে বহুদূর এখন এখান থেকে ইনকাম করছে লক্ষ লক্ষ টাকা । এটা কিন্তু এখন অবাস্তব কিছু নয় আমাদের চোখের সামনেই এমন অনেক ঘটনা ঘটছে বর্তমান সময়ে । অনলাইনকে কাজে লাগিয়ে মানুষের কাজকর্ম এবং জীবনযাত্রা অনেকদূর এগিয়ে গেছে এর পাশাপাশি মানুষের ইনকামও । ইনভেস্ট না করে যদি আপনি লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারেন তাহলে বিষয়টি কেমন হয় ? অনেকেই হয়তো ভাবছেন ইনভেস্ট না করে ইনকাম কিভাবে করা যায় এটা কি সম্ভব ? বর্তমান ডিজিটাল নির্ভর যুগে অসম্ভব কিছু নেই বললেই চলে বলা যেতে পারে । কোনোরকম ইনভেস্ট ছাড়াই আপনি চাইলে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন । এজন্য অবশ্যই আমাদেরকে অনলাইনের কাজগুলো একটি নিয়মের মধ্য থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে হাতে থাকা স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ দিয়ে ঘরে বসে আপনারা জেনে খুশি হবেন বেশি একটা শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই । ফ্রিতে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে হলে আপনাকে নিয়ম ফলো করতে হবে এটাই কিন্তু স্বাভাবিক । এখন আপনার মনে একটি প্রশ্ন থাকতে পারে যে ফ্রিতে অনলাইন এর মাধ্যমে আমরা কিভাবে ইনকাম করতে পারব এবং কিভাবে সাকসেস হব ? আজকে সেই বিষয়ে আপনাদের মাঝে একটি নির্ভরযোগ্য ইস্যু নিয়ে চলে আসলাম । অনলাইন থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ইনকাম করে নেওয়ার অন্যতম একটি পথ হচ্ছে এয়ার ড্রপ । এয়ার ড্রপ থেকে একেবারে ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট সময় পর নিয়ম মেনে কাজ করে অনেকেই কিন্তু ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করে নিয়েছে । আবার অনেকেই সঠিক ভাবে কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছে যারা ভবিষ্যতে একটি হিউজ পরিমাণ ইনকাম করতে পারবে । কেবলমাত্র তারাই নয় আপনি যদি চান যে এয়ার ড্রপের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করবেন তাহলে সেটিও কিন্তু অবাস্তব কিছু নয় । এয়ার ড্রপের বিষয়ে যাদের কোনরূপ প্রাথমিক ধারণা নেই তাদের মনে হয় তো একটি প্রশ্ন থাকতে পারে যে ভাই আমি এখন পর্যন্ত জানিনা এয়ার ড্রপ কি ? তাহলে এখান থেকে কিভাবে ইনকাম করবো ? প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার ধারণা না থাকাটাই স্বাভাবিক । আর তাদের জন্যই এয়ার ড্রপের এ টু জেড আলোচনা করা হলো জানতে হলে চোখ রাখুন সম্পূর্ণ রিভিউ জুড়ে । ( অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় )


নতুন নতুন ও বিশ্বস্ত এয়ারড্রপগুলোতে জয়েন হয়ে সঠিকভাবে কাজ করে প্রতি মাসে 50000 থেকে 2 লক্ষ টাকা ইনকাম করতে চাইলে এখানে ক্লিক করে এই পেজে গিয়ে নিয়ম মেনে কাজ শুরু করতে পারেন।



এয়ারড্রপ থেকে কিভাবে ফ্রিতে টাকা ইনকাম করব?-এয়ারড্রপ কি?-এয়ারড্রপে কিভাবে কাজ করব?



এয়ারড্রপ কি ?


অনলাইন জগতে সম্পূর্ণ ইনভেস্টমেন্ট ছাড়া অর্থাৎ ফ্রিতে ইনকাম করার অন্যতম একটি রাস্তা হচ্ছে এয়ার ড্রপ । এয়ার ড্রপের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো বিশাল এক কমিউনিটি অর্থাৎ মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারে । সহজ কথায় বলতে গেলে একটি কোম্পানি যখন মার্কেটে নতুন আসে এবং জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য মানুষকে ফ্রিতে কিছু ইনকাম করার জন্য যে সুযোগ সুবিধা গুলো দিয়ে থাকে সেগুলোকেই মূলত এয়ার ড্রপ বলা হয়ে থাকে । আরো সহজ কথায় বলতে গেলে আমরা সকলেই হয়তো Bitcoin , Ether , Sidra coin, pi coin , Satoshi core coin , Dydx, Uniswap , PancakeSwap , Solana , metamask , polygon , Doge Coin ইত্যাদি এবং ভবিষ্যতেও এর থেকে বেটার কয়েন এয়ারড্রব কোম্পানি মার্কেটে আসতে পারে কিংবা আসবে । যে কোম্পানিগুলোর তালিকা আপনারা এখানে দেখলেন  তারা কিন্তু জনগণের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করার জন্য ফ্রিতে বেশ কিছু কয়েন কিংবা NFT মানুষকে ফ্রিতে ইনকাম করার সুযোগ পূর্বে অনেক কোম্পানি দিয়েছে বা আগামীতে অনেক কোম্পানি এমন সুযোগ দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে । সেই সুযোগগুলো চাইলে আপনারাও গ্রহণ করে নিতে পারেন । এই সুযোগ সুবিধার মাধ্যমে  মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য তারা একটি মাইনিং অপশন রেখেছে । আর এই মাইনিং এর মাধ্যমে কিন্তু অনেকেই ফ্রিতে কয়েন গুলো বা NFT কালেক্ট করে রেখেছে বা করবে । এই মাইনিং করার অপশনটি মূলত এয়ার ড্রপ নামে পরিচিত । এখন পাই নেটওয়ার্ক অথবা সাতোশের মত প্রতিটি কোম্পানি কিন্তু মাইনিং এর মাধ্যমে কয়েন গুলো ফ্রিতে দিয়ে থাকে এমনটা কিন্তু নয় । এক এক কোম্পানির কয়েন  give way অর্থাৎ ফ্রিতে দেওয়ার ধরন একেক রকম হতে পারে । কেউ মাইনিং এর মাধ্যমে , আবার কেউ সাইন আপ করার পর সরাসরি পয়েন্ট দিয়ে দেয় , আবার কেউ করার পর বিভিন্ন টাস্ক কমপ্লিট করে আবার কেউ কেউ সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে জয়েন হওয়ার জন্য , আবার কোন কোন কোম্পানি সাইন আপ করার পর একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর কয়েন কিংবা  দিয়ে থাকে আরো সহজ কথায় বলতে গেলে কোম্পানিগুলো যে মাধ্যমে ফ্রিতে কয়েন বা NFT কিংবা ডলার দিয়ে থাকে সেটিকে মূলত এয়ার ড্রপ বলা হয় । ( এয়ার ড্রপ কি )

কোম্পানিগুলো কেন এয়ার ড্রপ ফ্রীতে দিয়ে থাকে ?

 

একটি কোম্পানি মার্কেটপ্লেসে যখন নতুন আসে তখন কিন্তু শুরুর দিকেই মার্কেটে জায়গা দখল করতে পারে না । মার্কেটে জায়গা দখল করতে অনেকটা দিন সময় লেগে যায় এটা যে কোন কোম্পানির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য । উদাহরণস্বরূপ আমরা যদি বিটকয়েনের কথাই ভাবি তাহলে শুরুর দিকে অর্থাৎ ২০০৯ সালের দিকে বিটকয়েনের অবস্থান আর বর্তমান সময়ের বিটকয়েনের অবস্থান কিন্তু আকাশ-পাতাল পার্থক্য । কোম্পানিগুলো নিজেদেরকে পরিচিত করার জন্য এবং বিশাল এক কমিউনিটির কাছে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য এয়ার ড্রপ ফ্রিতে দিয়ে থাকে । যখন কোন কোম্পানি ফ্রিতে কিছু দিয়ে থাকে তাহলে সেগুলো কালেক্ট করে নেওয়ার জন্য কোম্পানির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার এক ধরনের বিশেষ মানসিকতা প্রায় প্রতিটি মানুষের মধ্যে জন্ম নেওয়াটাই স্বাভাবিক । আর ঠিক এজন্যই কোম্পানিগুলো এয়ার ড্রপের মাধ্যমে ফ্রিতে কয়েন গিভওয়ে দিয়ে থাকে । আরো সহজ কথায় বলতে গেলে কিছু কিছু কোম্পানি রয়েছে যারা তাদের প্রোডাক্টগুলোকে মাঝে মাঝে বিভিন্ন ছাড়ের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকে অথবা কখনো কখনো ফিফটি পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট বা কখনো কখনো টেন পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে ‌। আবার কখনো কখনো কোম্পানিগুলো তাদের প্রোডাক্টগুলোকে বিক্রি করে দুইটির সাথে একটি ফ্রি দিয়ে । এটা আসলে কেন করে ? এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু জাগতেই পারে ? এটার মূল কারণ হলো জনপ্রিয়তা অর্জন এবং বেশি বেশি পণ্য সামগ্রী সেল করা । সাধারণ মানুষের কাছে এবং এক বিশাল কমিউনিটি গোষ্ঠীর কাছে নিজেদেরকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য কোম্পানিগুলো কিন্তু এমনটা করে । ঠিক সেম একইভাবে এই ডিজিটাল কোম্পানিগুলোকে সবার মাঝে রিপ্রেজেন্ট বা উপস্থাপন করার জন্য তারা এয়ার ড্রপ ফ্রিতে দিয়ে থাকে । এছাড়াও ফ্রিতে ইনকাম করার জন্য মানুষের ভেতর প্রতিকূলতা একটু বেশিই থাকে যার কারণে তারা এই এয়ারড্রপগুলো ফ্রিতে দিয়ে থাকে । আশা করি বিষয়টি সকলেই বুঝতে পেরেছেন কোম্পানিগুলো কেন ফ্রিতে এয়ার ড্রপ দিয়ে থাকে । আরেকটি জিনিস মনে রাখবেন যে কোম্পানির কমিউনিটি যত বড় সেই কোম্পানিটির ভ্যালু তত বেশি । ( how to get free airdrop on trust wallet )

সকল এয়ার ড্রপ থেকে কি টাকা পাওয়া যায় ?


এবার আপনাদের মাথায় আরো একটি প্রশ্ন জাগতে পারে আর সেটি হল যে সকল কোম্পানির এয়ার ড্রপ থেকেই কি টাকা ইনকাম করা যাবে ? না আপনি কিন্তু প্রতিটি কোম্পানি থেকেই এয়ার ড্রপের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন না ‌। আমরা অনেক অনলাইন ভিত্তিক সাইট দেখেছি যেগুলোতে অনেকদিন কাজ করার পর এবং টাকা ইনভেস্ট করার পরেও তারা টাকা নিয়ে চলে গেছে এবং আমরা অনেকেই প্রতারণার শিকার হয়েছি এমন তথ্য কিন্তু আমরা অনেক সময়ই পত্রিকার হেডলাইনে অথবা গণমাধ্যমগুলোতে দেখতে পাই । তবে ডিজিটাল বাংলা 360 কোম্পানিটি আপনাদের জন্য সব সময় বিশ্বস্ত কোম্পানী গুলো নিয়েই রিভিউ দিয়ে থাকে । কেন আমরা প্রতিটি এয়ার ড্রপের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবো না সেটি কিন্তু আসল বিষয় চলুন শুরু করা যাক । বিটকয়েন এবং ইথার নামক যে ক্রিপ্ত কারেন্স গুলো মার্কেটে রয়েছে সেগুলো কিন্তু শুরুর প্রথম দিকেই মার্কেট প্লেসে জায়গা দখল করে নিতে পারেনি মার্কেটে নিজেদের জায়গা দখল করার জন্য তাদের অনেকটা সময় লেগেছে কিন্তু একটা সময় পর বর্তমানে এই বিটকয়েন এর মাধ্যমে মানুষ অনেক লক্ষ লক্ষ ইনকাম করে যাচ্ছে ট্রেড করে । এখন মূল কথা হলো যেটি সেটি হল বিটকয়েন এবং ইথার এর মত প্রতিটি কোম্পানির যে মার্কেটে নিজেদের জায়গা দখল করতে পারবে এমনটা কিন্তু নয় দেখা গেল আপনি একটি কোম্পানির সাথে যুক্ত হলেন সেখানে এয়ার ড্রপের মাধ্যমে আপনি অনেক কয়েন , NFT কিংবা ডলার ইনকাম করলেন কিন্তু পরবর্তীতে কোম্পানিতে মার্কেটে জায়গা দখল করতে পারলো না তখন কিন্তু আপনার মূল্যবান সময় গুলো বৃথা গেল । কোম্পানিগুলো থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে কয়েন ইনকাম করেও কিন্তু আপনি লাভবান হতে পারবেন না সেক্ষেত্রে । এই ক্ষেত্রে আপনাকে কি করতে হবে বেছে বেছে রিয়েল বা বড় বড় কোম্পানিগুলোতে কাজ করতে হবে । আর যদি আপনি না দেখে না বুঝেই হুটহাট করে যে কোন কোম্পানিতে কাজ করেন তাহলে হয়তো দেখা যেতে পারে একশটি কোম্পানির মধ্যে পাঁচটি কিংবা ১০ টি কোম্পানি থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন । বর্তমান সময়ের মার্কেটপ্লেসে যে বিশ্বস্ত কোম্পানীগুলো রয়েছে সেগুলোকে জেনে বুঝে কাজ করলে আপনি কিন্তু অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন এয়ার ড্রপ থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে । এ বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য আপনাদের পাশে রয়েছে আপনাদেরই ভালোবাসার চ্যানেল ডিজিটাল বাংলা 360 । ( list of free airdrop in trust wallet )

কিভাবে বুঝবেন এয়ার ড্রপ থেকে কয়েন কিংবা এনএফটি পেয়েছেন ?


উপরে আপনাদের মাঝে আলোচনা করা হয়েছে এয়ার ড্রপের মাধ্যমে কিভাবে কয়েন ইনকাম করা যায় এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে সেই ইনকাম করা কয়েনগুলো যে আপনার একাউন্টে রয়েছে বা যুক্ত হয়েছে সেটি কিভাবে বুঝবেন ? এক এক কোম্পানির এয়ার ড্রপের ধরন একেক রকম আপনি যখন কিছু কিছু এয়ার ড্রপে সাইন আপ করবেন তখন কিন্তু কিছুক্ষণ পর আপনাকে কিছু কয়েন ফ্রিতেই দিবে সাইন আপ হওয়ার জন্য । যেগুলো সরাসরি অ্যাকাউন্টে যুক্ত হয়ে যায় সেখান থেকে আপনি চাইলে দেখতে পারেন । আবার অনেক সময় কোম্পানিগুলো বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ ওয়ালেটে লিস্টিং এর পরে এয়ার ড্রপ দিয়ে থাকে । এক্সচেঞ্জ ওয়ালেটে কিছু কিছু কোম্পানি রয়েছে যারা লিস্টিং করার পর এয়ার ড্রপ দেয় আবার কিছু কিছু কোম্পানি লিস্টিং করার পূর্বে এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট এ কয়েন বা এনএফটি দেয় । আবার কিছু কিছু কোম্পানি যাদের নিজস্ব ওয়ালেট থাকে । সেই ওয়ালেটের প্রচার প্রসারের জন্য এয়ার ড্রপগুলো দেয় । আবার ভিন্ন ভিন্ন সময় কোম্পানিগুলো বিভিন্ন ট্রাস্ট কমপ্লিট করতে বলে সেগুলো কমপ্লিট করার সাথে সাথেই অ্যাওয়ার্ড হিসেবে কয়েন দিয়ে দেয় যেগুলো সরাসরি আপনার একাউন্টে যুক্ত হয়ে যায় । এছাড়াও আরো অনেক কোম্পানির রয়েছে যারা একটি পোস্ট শেয়ার এবং লাইক কমেন্ট এর মাধ্যমে ফ্রিতে টোকেন দেয় । আপনি যদি সে কাজগুলো তাদের নিয়ম মেনে সঠিক ভাবে করেন তাহলে কিন্তু তারা অবশ্যই আপনার অ্যাওয়ার্ডটি আপনার একাউন্টে পাঠিয়ে দিবে । হ্যাঁ তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন আর সেটি হল তারা কিন্তু একটি শর্তের উপর ডিপেন্ড করে আপনাকে টোকেন গুলো ফ্রিতে দিবে যদি আপনি শর্তগুলো সঠিকভাবে না পালন করতে পারেন তাহলে কিন্তু কয়েন গুলো পাবেন না । আপনি যদি সঠিকভাবে কাজগুলো করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনাকে কোম্পানিটি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অ্যাওয়ার্ড দিয়ে দিবে যেগুলো আপনার একাউন্ট ওয়ালেটে যুক্ত হয়ে যাবে আপনি সেখান থেকেই দেখে নিতে পারবেন আপনি কত কয়েন ইনকাম করলেন এবং পরবর্তীতে যেগুলোকে এক্সচেঞ্জ করে টাকাগুলোকে পকেটে নিয়ে নিতে পারবেন । ( এয়ার ড্রপ থেকে ফ্রিতে কয়েন পাওয়ার কৌশল )

এয়ার ড্রপ থেকে মাসে কত টাকা ইনকাম করা সম্ভব ?


এয়ার ড্রপের মাধ্যমে একটি হিউজ পরিমাণ অ্যামাউন্ট আপনি মাসে ইনকাম করতে পারবেন । সেটা কত হতে পারে নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন । কিছু কিছু কয়েন রয়েছে যেগুলো মার্কেটে সব সময় স্ট্রাবল অবস্থায় থাকে যেমন এর দাম বাড়েও না আবার কমেও না একটা পর্যায়ে থাকে । আবার এমন অনেক কয়েন রয়েছে যেগুলোর দাম মিনিটে ওঠানামা করে এক কথায় বলা যেতে পারে শেয়ার বাজার এর মত । স্ট্রাবল কয়েন এর উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে সিডরা ব্যাংক , বিএনবি কয়েন , ইউএসদিটি কয়েন । স্ট্রাবল কয়েন সবসময় ডলারের বিপরীতে কাজ করে থাকে অর্থাৎ 1 ডলার = 1 স্ট্রাবল কয়েন । অপরদিকে রয়েছে বিটকয়েন , ইথার কয়েন , ডগি কয়েন ইত্যাদি ইত্যাদি যেগুলোর দাম প্রতিটা মুহূর্তে উঠানামা করে । এটার মূল্য নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন ।  বর্তমান সময়ে বিটকয়েনের দাম ২০ হাজার ডলার বা তার উপরেই কিছুদিন আগে এটার দাম ছিল ৭০ হাজার ডলার । ১ ডলার =সব সময় ৯০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যেই থাকে বা কিছু কিছু সময়ে এর থেকে কমবেশি হতে পারে । তবে গুণীজনরা বলে থাকেন এই একটি বিটকয়েনের দাম আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এক লাখ থেকে দেড় লাখ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে ‌। আবার বেশ কিছু স্ট্রাবল কয়েন রয়েছে যেগুলোর দাম মার্কেটে স্থিতি অবস্থায় থাকে । তবে বিটকয়েন কিংবা বিটকয়েনের মত যে কয়েন গুলো রয়েছে সেগুলো শেয়ারবাজারের মত কাজ করে যেটির মূল্য স্বল্প সময়েই দ্বিগুণ কিংবা তারও বেশি হয়ে যেতে পারে । আর মূল্য যদি দ্বিগুণ বা তারও বেশি হয়ে যায় তাহলে আপনার কাছে থাকা এই নতুন নতুন কয়েন গুলো আপনি কি দরে বেচতে পারবেন সেটি বুঝতেই পারছেন । উদাহরণস্বরূপ ধরুন  50,000 কয়েন ফ্রিতে পেয়েছেন , আর সেগুলোর দাম যদি 0.10$ হয় তাহলে আপনি পেয়ে যাচ্ছেন 5,000$ । যেগুলো দাম বাংলা টাকায় চলে আসে প্রায় 5 লক্ষ টাকার মতো । আর এরকম বিভিন্ন কোম্পানি থেকে যদি প্রতি মাসে দুইটা থেকে তিনটা পেমেন্ট পান তাহলে বুঝতে পারছেন আপনি কত টাকার মালিক হবেন ? এছাড়াও এনএফটি এবং ডলার এয়ার ড্রপ গুলো থেকে কি পরিমান ইনকাম করতে পারবেন সে বিষয়টগুলো রয়ে গেল যেটি অন্য এক সময় অন্য এক রিভিউ এর মাধ্যমে আপনাদের মাঝে আমাদের এই ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে । তাই নিয়মিত আমাদের এই ওয়েবসাইটটিতে ভিজিট করুন । ( এয়ার ড্রপ থেকে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যাবে )

এয়ার ড্রপে অংশগ্রহণ করতে কি কি লাগে ?


এয়ার ড্রপে অংশগ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট কিংবা এপ্লিকেশন গুলোতে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে । এই এয়ার ড্রপ গুলোতে কাজ করতে হলে যে সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো প্রয়োজন হবে সেটি নিচে তালিকার মাধ্যমে তুলে ধরা হলো । 

১/ টেলিগ্রাম একাউন্ট ( Telegram Account )

২/ ফেসবুক একাউন্ট ( Facebook Account )

৩/ টুইটার একাউন্ট ( Twitter Account )

৪/ ডিস্ক কোর্ড একাউন্ট ( discord Account )

৫/ মেবিয়াম অ্যাকাউন্ট ( Mabium Account )

৬/ লিংকেডিন একাউন্ট ( LinkedIn Account )

৭/ ইউটিউব জয়েন ( YouTube Join )

৮/ ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট ( Instagram Account )

৯/ ভিকে অ্যাকাউন্ট ( VK Account )

১০/ গীথহাম একাউন্ট ( Githumb Account )

১১/ টামলার একাউন্ট ( Tumbler Account )

 উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে আপনি যদি কোন কাজ করে থাকেন তাহলে কিন্তু সে কাজের জন্য আপনাকে সরঞ্জাম কিনে নিতে হবে সরঞ্জাম ছাড়া কিন্তু আপনি কাজ করতে পারবেন না আপনাকে সরঞ্জামের বা যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হবেই । আর ঠিক তেমনেই আপনি যদি এয়ার ড্রপ এর মাধ্যমে ইনকাম করতে চান তাহলে উপরিউক্ত সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে । যদিও ম্যাক্সিমাম কোম্পানিগুলো এয়ার ড্রপ দেওয়ার জন্য twitter অথবা টেলিগ্রামকে রিকমেন্ড করে থাকে বেশি । ইনকাম করার জন্য আপনাকে ইউটিউবের প্রয়োজন হবে না তবে কিছু কিছু কোম্পানিগুলোতে ইউটিউবে জয়েন হতে হয় সেজন্য আপনাকে সেখানে জয়েন করতে হতে পারে ‌। এই অ্যাকাউন্ট গুলোকে আপনার সম্পদ মনে করতে হবে তার কারণ হলো এদের মাধ্যমে আপনি এয়ার ড্রপের নিয়মাবলী সঠিকভাবে পালন করবেন । তবে মনে রাখবেন যে সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট গুলো খুলবেন সেগুলো যেন অবশ্যই আপনার এনআইডি কার্ডের সাথে নাম এবং বার্থডে ডেট সহ সকল ইনফরমেশন যেন মিল থাকে । 


তবে গুরুত্ব সহকারে এই কথাগুলো মনে রাখুন যে এয়ার ড্রপ ওয়েবসাইট বা অ্যাপ্লিকেশন গুলোতে আপনি যখন একাউন্ট খুলবেন সেগুলো যেন আপনার এনআইডি কার্ডের ইনফরমেশন অনুযায়ী হয় তার কারণ হল কোম্পানিগুলো কিন্তু ভেরিফাইয়ের মাধ্যমে যাচাই করে নেয় । আপনি যদি ভুল তথ্য দিয়ে এয়ার ড্রপের ওয়েবসাইট কিংবা অ্যাপ্লিকেশন গুলোতে ভুল করে একাউন্ট খুলেন তাহলে কিন্তু পরবর্তীতে ভেরিফাই করতে পারবেন না । এপ্লিকেশনে কিংবা ওয়েবসাইট গুলোতে একাউন্ট গুলো খোলার সময় অবশ্যই এনআইডি card অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের নাম এবং বার্থডে ডেট সহ অন্যান্য সকল ইনফরম্যান্স অনুযায়ী খুলবেন । পরবর্তী সময়ে কোম্পানি যখন ভেরিফিকেশন করবে তখন আপনি যেন ঠিকঠাক মতো ইনফরমেশন দিয়ে আপনার একাউন্টটি ভেরিফাই করে নিতে পারবেন । তবে আরেকটি কথা মনে রাখবেন যখন email একাউন্ট খুলবেন অর্থাৎ সেই ইমেইল দিয়ে আপনারা এয়ার ড্রপের ওয়েবসাইট কিংবা application এর অ্যাকাউন্ট খুলবেন সেই ইমেইলের নাম এবং বার্থডে ডেট সহ আরো অন্যান্য তথ্যগুলো যেন আপনার এনআইডি কার্ডের সাথে বা পাসপোর্ট অথবা এর সাথে মিল থাকে । ( এয়ার ড্রপে অংশগ্রহণ করার জন্য কি প্রয়োজন )


কারণ অনেক এয়ার ড্রপের অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে জয়েন হওয়ার জন্য সরাসরি জিমেইল একাউন্ট দিয়ে একাউন্ট খুলতে হয় । অর্থাৎ সেই জিমেইল একাউন্টের নাম অবশ্যই যেন আপনার এন আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর সাথে মিল থাকে । এক্ষেত্রে আপনার কাছে যদি এন আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স কোনটাই যদি না থাকে তাহলে আপনার ফ্যামিলির অন্য কারোর আইডি কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্ট এর ইনফরমেশন অনুযায়ী  আপনি কাজ করতে পারবেন । তবে মনে রাখবেন সে যেন জীবিত থাকে এবং আপনার কাছে থাকে । 

এয়ার ড্রপের মাধ্যমে কারা সফলতা লাভ করতে পারবেন ?


একটি কথা হয়তো আমরা সবাই জানি যে পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি । তবে পরিশ্রমের সাথে সাথে আপনি যদি ধৈর্য না ধরে কাজ করেন তাহলে কিন্তু সফলতা আসার সম্ভাবনা খুবই কম বিশেষ করে অনলাইন জগতের কাজগুলোতে । সো আমরা এখানে বুঝতে পারলাম যে পরিশ্রমের পাশাপাশি ধৈর্যেরও একটি প্রয়োজন রয়েছে । একটি খটকা কিন্তু রয়ে যায় কারা এয়ার ড্রপের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে পারবে । কোম্পানি যখন মার্কেটে চলে আসে তখন কিন্তু তারা তাদের কয়েন এক্সচেঞ্জ এর মাধ্যমে ইনকাম করার সুযোগ করে দেয় । তবে একটি কোম্পানি কিন্তু হুট করে মার্কেটে চলে আসতে পারে না এজন্য কোন কোন কোম্পানির প্রয়োজন হয়ে পড়ে এক থেকে দুই বছর আবার কোন কোন কোম্পানির প্রয়োজন হয় দুই মাসের । সেক্ষেত্রে আপনাকে কোম্পানিটি মার্কেটে আসার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে । আর এই অপেক্ষা যিনি করতে পারবেন তিনি এয়ার ড্রপের মাধ্যমে ইনকাম করা কয়েন গুলোর বা এনএফটির মাধ্যমে উপার্জন করে নিতে পারবেন লক্ষ লক্ষ টাকা সম্পূর্ণ ফ্রিতে । আর যদি আপনি ধৈর্য সহকারে কাজ না করে ইনকাম করার আশা প্রকাশ করেন তাহলে কিন্তু আপনার সফলতার হার অনেক কম । দেখা গেল আপনি একটি কোম্পানিতে এক মাস মাইনিং করে কয়েন বা এনএফটি ইনকাম করলেন তারপরে আর কাজ করলেন না কিন্তু ৬ মাস পর দেখলেন কোম্পানিটি মার্কেটে চলে এসেছে এবং একটি ভালো দামে কয়েন কিংবা এনএফটি গুলো সেল দিচ্ছে বিভিন্ন মানুষ তখন আপনার কাছে কেমন লাগবে একটু ভেবে দেখুন ? আশা করি বিষয়টি এখন আপনারা সকলেই ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে পেরেছেন ।

এয়ার ড্রপে কয়েন কিংবা এনএফটি কিভাবে বিক্রি করা যাবে ?


জানলে কোন কিছুই কঠিন নয় আর যদি আপনি কঠিন মনে করেন তাহলেই আপনার কাছে কঠিন মনে হবে । আপনি যে কয়েন গুলো কিংবা NFT গুলো  ইনকাম করবেন সেগুলো যে কোন এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট এর মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন তবে এখানে একটি কথা না বললেই নয় সেটি হচ্ছে ধরুন আপনি বাইনাসের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যে কয়েন উপার্জন করেছে সে কয়েন বা NFT গুলো  আপনি এক্সচেঞ্জ করতে যাবেন সেগুলো বাইনাসের কয়েন গ্যাসপি কাটবে । সেম আবার যদি আপনি ইথারের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কোন কয়েন বা NFT মার্কেটে এলো এবং সেখান থেকে আপনি পেমেন্ট ও পেলেন সেগুলোকে এক্সচেঞ্জ করার জন্য ইথারের কয়েন গ্যাসপি হিসেবে কাটবে । আবার কিছু কিছু কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক রয়েছে এখানে তাদের কয়েন গুলোকে এক্সচেঞ্জ করার জন্য সেই নিজস্ব নেটওয়ার্কের কয়েন গ্যাসপি হিসেবে কাটবে । যে কোম্পানির ব্লগচেইন প্রযুক্তি রয়েছে সে কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক রয়েছে । আর যে কোম্পানির নিজস্ব ব্লকচেইন নেই তারাই অন্যের ব্লকচেইন বা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে মার্কেটে নতুন কয়েন বা NFT আনে । উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানি যেমন অন্যের টাওয়ার ভাড়া করে নেটওয়ার্ক সার্ভিস দিয়ে থাকে ঠিক তেমনটার প্রতিচ্ছবি আমরা এখানে দেখতে পাই । এখন আপনি বুঝতেই পারছেন আপনি যে নেটওয়ার্কের কয়েনটি এক্সচেঞ্জ করতে চাচ্ছেন সে নেটওয়ার্কের কয়েন কিংবা NFT গুলো গ্যাসপি হিসেবে কাটবে । এছাড়াও এক্সচেঞ্জ করার আরো বেশ কিছু  এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে কয়েন এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হল  Binance , ম্যাটা মাস্ক , Uniswap , Dydx , PancakeSwap এছাড়াও আরো জনপ্রিয় এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট এর মাধ্যমে । এছাড়াও আমাদের ওয়েবসাইট , youtube , facebook , টিকটক , ডিজিটাল বাংলা 360  চ্যানেল কিংবা আমাদের চ্যানেলে কিভাবে জনপ্রিয় এক্সচেঞ্জ ওয়ালেট গুলোর মাধ্যমে কয়েন গুলোকে এক্সচেঞ্জ করা যায় সে বিষয়ে ভিডিও ও আর্টিকেল রয়েছে এবং আসতে চলেছে । এই বিষয়ে আগামীতেও ভিডিও অথবা আর্টিকেল আসবে । যেগুলো দেখে আপনারা শিখে নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ । ( কয়েন বা NFT বিক্রি করার উপায় )


এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে বিশেষজ্ঞদের মতের উপর ভিত্তি করে ও অভিজ্ঞ লোকদের পরামর্শ নিয়ে সাথে গুগল ও ইউটিউব থেকে সঠিক তথ্য নিয়ে।

Post a Comment

0 Comments