প্রতি ঘন্টায় টাকা ইনকাম নতুন বিজনেস আইডিয়া Make money online 2021

 যদি তুমি কোটিপতি হতে চাও তাহলে বিজনেস করো যদি তুমি জীবনে বড় কিছু হতে চাও স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করতে চাও তাহলে বিজনেস করো । আমরা যে কাউকে যদি বলি বিজনেস করবো না চাকরি করব সবাই কিন্তু এই কথাগলোই আমাদের বলে থাকে, যদি তুমি বড় কিছু হতে চাও তাহলে বিজনেস করো ।

ভাইরে বিজনেস করা টাকিয়ার মুখের কথা । চাইলেই কি আর বিজনেস করা যায় । যার কাছে টাকা আছে কিন্তু বিজনেস আইডিয়া নেই, আবার যার কাছে বিজনেস আইডিয়া আছে ঠিকই টাকা নেই । আর যার কাছে দুইটাই রয়েছে সেই জীবনে বড় কিছু হতে পারে । এটা আমরা সবাই কম আর বেশি আল্লায় দিলে বুঝি ।

প্রতি ঘন্টায় 7000 টাকা ইনকাম নতুন বিজনেস আইডিয়া Make money online 2021

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য প্রত্যেককে ইসলামী ব্যাংক 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিচ্ছে বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন


বর্তমান পৃথিবী হচ্ছে ডিজিটাল যুগ আর এই ডিজিটাল যুগে আসলে অনেক কিছু করা সম্ভব অর্থাৎ আপনার কাছে যদি অল্প কিছু পুঁজি থাকে এবং সাথে ভালো একটা আইডিয়া থাকে তাহলে আপনি যে কোন সময় হতে পারেন মিলিয়ন বা বিলিয়নার অর্থাৎ লাখ লাখ কিংবা কোটি কোটি টাকার মালিক । কথাটা শুনে অনেকেই মিষ্টি করে হাসতাছেন তাইনা ? চলেন আমরা মূল রহস্য টা উৎপাদন করি ।

আপনারা আমরা অনেকেই কিন্তু অ্যামাজনের কথা শুনেছি বা অ্যামাজন যে একটা ই-কমার্স সাইট অনলাইনের মাধ্যমে কেনাকাটা করা যায় সেটা আমরা অনেকেই জানি । কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা । এই ই-কমার্স ব্যবসা করে কিন্তু অ্যামাজনের মালিক আজকে বর্তমানে পৃথিবীতে আল্লায় দিলে এক নম্বর ধনীর কাতারে । 

আপনি যদি অল্প সময়ের মধ্যে কোটিপতি হতে চান তাহলে তিনটা জিনিস সবার আগে প্রয়োজন হবে । 



এক নাম্বার ই-কমার্স ওয়েবসাইট ভালো মানের তৈরি করার জন্য 40 থেকে 50 হাজার টাকা দরকার হবে, দুইনাম্বার আপনার শুধু টাকা থাকলেই হবে না ই-কমার্স বিজনেস করার জন্য আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্ঞান থাকা লাগবে । এই দুইটা শুধু থাকলেই হবে না আপনার সবচাইতে বড় যেটা প্রয়োজন হবে সেটা হল সততা । অর্থাৎ আপনি যদি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট ভালো মানের তৈরি করেন এবং আপনি ব্যবসা সম্পর্কে ভাল বোঝে থাকেন, তাহলে আপনার সততা সবার আগে প্রয়োজন হবে কারণ আপনি যদি কাস্টমারদের কে সঠিক প্রোডাক্টটা প্রদান করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কেনার জন্য কাস্টমারের অভাব হবে না । কারন অনেকে বলে থাকেন জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে 2 কোটি মানুষ অনলাইনে থাকে সব সময় । একবার চিন্তা করে দেখুন দুই কোটি কাস্টমারের একটি বিশাল প্লাটফর্মে আছে আপনার বিজনেস, যেখানে আপনি এই তিনটা জিনিস কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে নিতে পারেন ।


ই-কমার্স ব্যবসা কি সরকার অনুমোদিত ?

আপনি যদি লক্ষ করে থাকেন বিশ্বের বড় বড় যে দেশগুলো আছে বা উন্নতশীল দেশগুলো আছে ওখানে কিন্তু ই-কমার্স ব্যবসা অনেক পপুলার যদিও বাংলাদেশের তেমন একটা ই-কমার্স ব্যবসা এখনও প্রচলিত নয় । বাংলাদেশ সরকারও সব সময় ই কমার্স ব্যবসা কে প্রাধান্য দিয়ে থাকে অর্থাৎ আপনি যদি চান যে ই-কমার্স ব্যবসাটাকে সরকার থেকে লাইসেন্স নিয়ে করবেন তাও করতে পারবেন কারণ ই-কমার্স ব্যবসা কে সরকার সবসময় সাপোর্ট দিয়ে থাকে ।



আমি কি ই-কমার্স ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস করতে পারব ?

কেন পারবেন না অবশ্যই পারবেন পৃথিবীর যেকোন দেশে আপনি প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন তবে ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসা করতে গেলে কিছু নিয়ম কারণ রয়েছে, আপনি শুরুতেই ইন্টারন্যাশনাল ই-কমার্স বিজনেস করতে পারবেন না যখন আপনি একটি বড় প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠবে তখনই আপনি হয়তো বা চাইলে ইন্টারন্যাশনাল নিয়ম কারণ মেনে আপনি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস শুরু করতে পারবেন । উদাহরণস্বরূপ বলা যায় । অ্যামাজন আলীএক্সপ্রেস এগুলা কিন্তু প্রথমে নিজের দেশ থেকে বিজনেস শুরু করেছিল যখন তাদের ব্যবসার প্রসার হয়েছে ঠিক তখনই তারা কিন্তু সারা পৃথিবী ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিয়েছে । আমাদের দেশের ইভালির কথাই ধরুন না কেন ইভ্যালিতে মাত্র কয়েক হাজার টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন মোহাম্মদ রাসেল নামে একজন ব্যক্তি সেই ইভালি এখন 300 কোটি টাকার বেশি লেনদেন করে থাকে প্রতিমাসে তাহলে একবার ভাবুন সবাই পারলে আপনি কেন পারবেন না ?


শুনছি অনলাইন শপিং সাইট গুলো নাকি ফেক হয়ে থাকে মানুষ কি প্রোডাক্ট কিনবো ?


আপনার প্রশ্নটিই খুবই সুন্দর তবে একটি কথা মনে রাখবেন সৎ মানুষ পৃথিবীতে যেমন আছে অসৎ মানুষ ও রয়েছে, ঠিক ওরকমই যেমন আপনাদের অ্যামাজন আলীএক্সপ্রেস ইতালির মতো প্রতিষ্ঠান এর কথা বললাম তারা তো এই পৃথিবীতে ব্যবসা করে আজকে এত বড় প্রতিষ্ঠান হয়েছে । অতএব আপনি যখন সঠিক নিয়ম কারণ মেনে মানসম্মত পণ্য কাস্টমারদের কে দিবেন একজন-দুজন করে করে একসময় দেখবেন কোটি কোটি টাকা প্রতি মাসে পণ্য বিক্রি হচ্ছে । এখন আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন বড় বড় কোম্পানির প্রোডাক্ট গুলো কিন্তু অ্যামাজন আলীএক্সপ্রেস আলিবাবা কিংবা দারাজে পাওয়া যাচ্ছে যেমন স্যামসাং ওয়ালটন নোকিয়া শাওমি ইত্যাদি ইত্যাদি কোম্পানির প্রোডাক্ট । কথায় বলে নীতি ঠিক থাকলে কখনো কোন কিছুর ইতি হয় না ।


এটাও সত্য যে বর্তমানে কিছু কিছু ধোঁকাবাজি ই কমাস প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা কিনা কাস্টমারদের সাথে প্রতারণা করে থাকে কাস্টমাররা যদি মোবাইল অর্ডার দিয়ে তাহলে পিয়াজ কিংবা আলু পাঠিয়ে দেয় কাস্টমারের ঠিকানায়, কাস্টমাররা যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপের অর্ডার দেয় পাথর কিংবা ইট পাঠিয়ে দেয় । তবে মনে রাখবেন এরকম যদি করেন আপনারা তাহলে কোনদিনই উন্নতি করতে পারবেন না, হয়তো বা সামরিক কিছু টাকা পাবেন কিন্তু ইহকাল ও পরকালে কোনোকালেই  কখন শান্তি পাবেন না । কারণ আজকে আপনি চালাকি করে যাদেরকে ঠকাবেন তাদের বদদোয়ায়, মনে রাখবেন আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল আপনার থেকে যখন হিসাব চাইবে পরকালে তখন কিভাবে দিবেন একবার চিন্তা করে দেখুন ?



ই-কমার্স বিজনেস করে প্রতি মাসে কত টাকা লাভ হতে পারে ?

দেখুন এটা নির্দিষ্ট করে বলা আসলে খুবই মুশকিল কারণ হচ্ছে ধরেন আপনি একটি দোকান খুলে বসলেন সেখানে 10 লাখ 20 লাখ টাকা খরচ করে, আপনার মাস শেষে কিন্তু প্রতি মাসে একই রকম পানির বিল কারেন্ট বিল সব খরচ একই আসবে । এখন কথা হচ্ছে আপনার দোকান থেকে যদি প্রতিদিন 50 হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হয় সেখান থেকে যদি 5000 টাকা আপনার লাভ হয় তাহলে মাস শেষে ভালো একটা অ্যামাউন্ট হয়ে যাবে এখন কথা হচ্ছে আপনি যদি সেই 50000 টাকা প্রতিদিন বিক্রি করতে না পারেন, প্রতিদিন যদি 5000 টাকা করে আপনার পণ্য বিক্রি হয় তাহলে কিন্তু আপনার লস এর ভিতরে পড়ে যেতে পারেন আপনার উপার্জনের থেকে যদি ব্যয় বেশি হয়ে যায় । কারণ হচ্ছে অফলাইনে দোকানদারি করলে প্রতিদিন সমান কাস্টমার পাওয়া যায় না, এটা শুধুমাত্র বুঝানোর জন্য বলা । এবার আসি মূল বিষয় । অনলাইন মার্কেট প্লেস টা যেহেতু অনেক বড় বিশাল একটা মার্কেটপ্লেস সেখানে যত বেশি আপনার প্রোডাক্ট সেল হবে তত বেশি আপনার ইনকাম হবে ধরেন এক যেমন আপনার প্রতিদিন 5 লক্ষ টাকার প্রোডাক্ট বিক্রি হয়েছে এখন যদি সেখান থেকে প্রতিদিন আপনার 50 হাজার টাকা করে লাভ হয় তাহলে হিসাব করে দেখুন কত পরিমান আপনার ইনকাম হতে পারে । কারণ আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইট যদি একবার মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে পড়ে তাহলে তো কথাই নেই, অনেক সময় দেখা যাবে প্রতি ঘন্টায় আপনার ওয়েবসাইট থেকে হয়তো বা ১০-১৫ লাখ টাকা প্রোডাক্ট বিক্রি হতে পারে আবার দেখা গেছে প্রথম অবস্থায় আপনার ওয়েবসাইট থেকে পাচ হাজার দশ হাজার টাকা প্রোডাক্ট বিক্রি হচ্ছে সে ক্ষেত্রে তো আপনার লাভটা কি রকম হতে পারে আশাকরি যোগ-বিয়োগ মিলিয়ে নিতে সমস্যা হবে না ।  বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে শপিং করার বিষয়টি মানুষের মধ্যে খুব জনপ্রিয় । এখন আপনারাই বলুন প্রতি ঘন্টায় 7 হাজার টাকা কিংবা তারও বেশি ইনকাম করাটা কি অসম্ভব কিছু ?


আমার তো নিজের পণ্য নেই আমি কিভাবে ই কমার্স ওয়েবসাইট বিজনেস করবো ?


এটা একটা খুবই চমৎকার প্রশ্ন উত্তরটাও কিন্তু খুব সুন্দর অ্যামাজন আলীএক্সপ্রেস দারাজ ইভালির কিন্তু নিজস্ব কোন প্রোডাক্ট নেই । তাহলে তারা কিভাবে কোটি কোটি টাকার বিজনেস করে ? মনে রাখবেন যে কোন কিছু শুরুতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । তাই বলে কি আপনি থেমে যাবেন ? আপনি প্রথমদিকে হয়তোবা কিছু ছোট ছোট কোম্পানির সাথে  চুক্তি করে বিভিন্ন প্রোডাক্ট আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি শুরু করে দিতে পারেন । যখন আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইট টি বড় হয়ে যাবে বা মানুষের কাছে পরিচিত লাভ করবে তখন দেখবেন বড় বড় কোম্পানিগুলো আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের প্রোডাক্ট গুলো বিক্রি করার জন্য লাইন লেগে যাবে ।


ফ্রিতে কি ইনকাম করতে পারব ?

এখানে একটি কথা বলে রাখা ভাল দেখুন যার কাছে টাকা আছে সে বাড়ি বানায় সে বাড়িওয়ালা, আর যার কাছে টাকা নেই সে ওই বাড়ির দারোয়ান গিরি করে এটাই হলো বাস্তবতা । তো আমরা দারুন গিরি করবো না আমরা একটু কৌশল খাটিয়ে ফ্রিতে ইনকাম করে নিব প্রতি ঘণ্টায় হাজার হাজার টাকা কিন্তু কিভাবে ? মানুষ বলে বুদ্ধি থাকলে নাকি ঘর জামাই থাকতে হয় না । যেই বড় বড় ইকমার্স সাইট গুলো রয়েছে অ্যামাজন আলীএক্সপ্রেস দারাজ ইভালির মত তাদের থেকে কিন্তু আমরা অ্যাফিলিয়েট করে বা ডিজিটাল মার্কেটিং করে প্রতি ঘণ্টায় হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারি ইনশাআল্লাহ । কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং বা এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হয় এবং প্রতি ঘন্টায় 7000 টাকা কিংবা তারও বেশি ইনকাম করা যায় সম্পূর্ণ ফ্রিত এ বিষয়ে আগামীতে আর্টিকেল আসবে তাই আপনারা চাইলে এই ওয়েবসাইটটিতে সবসময় চোখ রাখতে পারেন ।

এ বিষয়ে আপনাদের যদি কোনো মতামত থাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন ।





6 মন্তব্য

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো