বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সহায় প্লাস এ কাজ করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা ইনকাম করার সুযোগ

 প্রযুক্তির কল্যাণে এখন আমরা চাইলে ঘরে বসেই টাকা উপার্জন করতে পারি তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছে, একটি চাকরি করার জন্য ২০ থেকে ৩০ বছর লেখাপড়া করার প্রয়োজন হয় অনেক প্রতিষ্ঠান দ্বারে দ্বারে আমাদের যেতে হয় চাকরির জন্য তাও আমরা ভালো মানের একটি চাকরি পাই না । আর যদি চাকরি পেয়ে যাই তাহলে তো সোনায় সোহাগা আর সেই চাকরি ভাগ্যে জতে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম । কারণ বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ যুবক যুবতী রয়েছে তারা কিনা চাকরি এখনো পাইনি ভবিষ্যতে পাবে কিনা আল্লাহই ভাল জানে, হোক সেটা সরকারি চাকরি কিংবা প্রাইভেট কোম্পানির চাকরি ।


বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সহায় প্লাস থেকে প্রতি মাসে 40000 থেকে 50000 হাজার টাকা ইনকাম করার সুযোগ


কেমন হয় বন্ধুরা অল্প কিছু লেখাপড়া জানলেই যদি মেলে ইনকাম করার সুযোগ তাহলে কেমন হয় ? । একবার ভেবে দেখুন তো? জি বন্ধুরা আপনি ঠিকই শুনেছেন ঘরে বসে স্মার্ট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অথবা কম্পিউটার ল্যাপটপ এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ঘরে বসে করা যাচ্ছে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম । কথাটা শুনতে রূপকথার কথার মতো শোনালেও এটাই সত্যি । এমনই একটি রিয়াল বাংলাদেশ কম্পানি সাথে পরিচয় করে দিব যে কোম্পানিটি অলরেডি বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন পেয়েছে, এইখানে অনেক ধরনের কাজ রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং কাজ করে প্রতিমাসে ফ্রিতে ইনকাম করা যাবে কোম্পানির এমডি স্যার বলেছেন 40 থেকে 50 হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব এ কম্পানি থেকে, আমরা সেটাও চাই না আমরা চাই 15 থেকে 20 হাজার টাকা ইনকাম করতে পারলেই আমাদের হয়তোবা যথেষ্ট । এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত অনেকেই আমাকে ফোন কল কমেন্ট করে জানিয়ে থাকেন যে ভাইয়া প্রতি মাসে 5 থেকে 7 হাজার টাকা ইনকাম করতে পারি এরকম একটি ইনকাম ওয়েবসাইট দেন ।

কোম্পানির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে সরকার অনুমোদনের লাইসেন্সের কপি যেটা আপনারা নিচের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন





অনলাইন জগতে রিয়েল সাইট থেকে আসলে ফেক সাইটের সংখ্যা অনেক বেশি সে কারণে মানুষ প্রতারিত হয়ে থাকে, আমরা বলে থাকি দুধ থেকে পানি আলাদা করা কিন্তু খুবই কষ্টকর হয়ে যায় । ঠিক এরকমই অনলাইন জগতে কোনটা Real সাইট কোনটা Fake সাইট বোঝাটা অনেক মুশকিল হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের কাছে । তারপরও কিছু Way বা রাস্তা তো থেকেই যায় যেগুলোর মাধ্যমে বুঝা যায় কোন সাইটটা Real ? কোন সাইটটা Fake ?, সহায় প্লাস লিমিটেড  এমনই একটি রিয়েল সাইট যেখান থেকে সঠিক ভাবে কাজ করলে অবশ্যই পেমেন্ট পাওয়া যায় । আমি নিজেও অনেক বার পেমেন্ট পেয়েছি 

সহায় প্লাস কি ধরনের কোম্পানি ?


সহায় প্লাস একটি প্রাইভেট কোম্পানি যে কোম্পানির মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইনকাম করা যাচ্ছে । সহায় প্লাস কোন বিনিয়োগ কোম্পানি না, অর্থাৎ সহায় প্লাস কোন বিনিয়োগ করতে হয়না, তবে কাজ করার ক্ষেত্রে কিছু রুলস রয়েছে এবং সহায় কম্পানি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং-আউটসোর্সিং ভিত্তিক কোম্পানি আশা করি আপনারা ইতিপূর্বে বুঝতে পেরেছেন সহায় প্লাস ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে ইনকাম করা যাবে ঘরে বসে


সহায় প্লাস এ কি ফ্রিতে কাজ করা যায় ?


অবশ্যই ফ্রী তে কাজ করার সুযোগ রয়েছে তবে সহায় প্লাস কোম্পানিতে কিছু প্রোডাক্ট প্যাকেজ রয়েছে অর্থাৎ কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং কোম্পানি হলেও তাদের আরও একটি পরিচয় রয়েছে সেটা হল সহায় প্লাস ই কমার্স কম্পানি, অর্থাৎ আপনি যদি সহায় প্লাস এর প্যাকেজ কিনে কাজ করতে চান তাহলে যত টাকার প্যাকেজ কিনবেন তার বিপরীতে Sahayplus থেকে প্রোডাক্ট পেয়ে যাবেন বা পণ্য পেয়ে যাবেন তিনদিনর ভিতরে অর্থাৎ তিন দিনের ভিতরে গ্রাহকের ঠিকানায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হয় ।
 এবং যার একাউন্টে থেকে প্যাকেজ কিনা হয়ে থাকে তার অ্যাকাউন্টে সহায় প্লাস কোম্পানি থেকে কিছু স্পেশাল ব্যালেন্স দেওয়া হয় যেগুলো কম্পানি আস্তে আস্তে করে দিয়ে দেয়।
আর যদি আপনি চান সম্পূর্ণ ফ্রি তে কাজ করবো সেটাও করা যাবে । 

সহায় প্লাস কোম্পানি থেকে প্রতি মাসে কত টাকা ইনকাম করা যাবে ?

তবে বলে রাখা ভাল সহায় প্লাস কোম্পানিতে যেহেতু Refer সিস্টেম রয়েছে অতএব যার টিম যত বড় তার ইনকাম কত বেশি সে দিক থেকে বিবেচনা করলে তো বুঝতেই পারছেন নিজে নিজে কাজ করলে ইনকাম একটু কম হবে টিম করে কাজ করতে পারলে ইনকাম বেশি হবে।


সহায় প্লাস এ কি ধরনের কাজ করতে হয় ?

এটা আগেই বলেছি সহায় প্লাস হচ্ছে আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং ভিত্তিক অনলাইন কম্পানি, সেহত এখানে আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে হবে তারপর আপনাদের সুবিধার্তে আমি কিছু ধারণা দিয়ে দিচ্ছি । ধরেন ইউটিউব এর ভিডিও দেখা ফেসবুকের ভিডিও দেখা ফেসবুক পেজ লাইক দেওয়া ওয়েবসাইট ডেভেলপ করা মজার বিষয় হচ্ছে সহায় প্লাস এর মাধ্যমে টিভি দেখলে কিংবা রেডিও রেডিও শুনলেও ইনকাম হবে ।এছাড়াও ইত্যাদি ইত্যাদি মোট 40 ধরনের কাজ করা যাবে ।


সহায় প্লাস একাউন্ট খুলতে টাকা লাগে ?


মোটেও না সহায় প্লাস এ একাউন্ট খোলার জন্য বা সাইন আপ করার জন্য কোন টাকা পয়সা লাগে না ।অর্থাৎ সম্পূর্ণ ফ্রীতে একটি সহায় প্লাস একাউন্ট খোলা যায় ।


সহায় প্লাস একাউন্ট কিভাবে খুলব ?

গুড প্রশ্ন সহায় প্লাস একাউন্ট খোলা খুবই সহজ সহায়  প্লাস একাউন্ট খোলার জন্য খুবই স্পেশাল একটি ভিডিও রয়েছে যে ভিডিওটি দেখে আপনারা সহায় প্লাস অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে পারেন । এখানে ক্লিক করে Sahayplus একাউন্ট খোলার ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন ।

তবে আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে যখন ভিডিওটি বানিয়ে ছিলাম তখন শুধু বাংলাদেশ থেকে কাজ করা যেতো বা অ্যাকাউন্ট খোলা যেত, এখন কিন্তু বিশ্বের অনেক দেশ থেকে সহায় প্লাস এ অ্যাকাউন্ট খোলা যাচ্ছে বা কাজ করা যাচ্ছে যেটা আপনারা নিচের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন হয়তো ভবিষ্যতে আরো অনেক দেশ যুক্ত হতে পারে 

সহায় প্লাস কি পেমেন্ট করে ?

এখন পর্যন্ত কেউ বলতে পারবেনা যে আমি সহায় প্লাস থেকে পেমেন্ট পাইনি, সহায় প্লাস 100% পেমেন্ট করে থাকে । আমি নিজেও পেমেন্ট পেয়েছি এবং আপনারা চাইলে এখানে ক্লিক করে Payment proof ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন ।


কি কি মাধ্যমে সহায় প্লাস পেমেন্ট দিয়ে থাকে ?

সহায় প্লাস থেকে বাংলাদেশের ভিতরে পেমেন্ট নেওয়া যাচ্ছে বিকাশ নগদ রকেট  ব্যাংক টেনাসফার এর মাধ্যমে এবং দেশের বাইরে থেকে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য অন্যান্য মাধ্যমগুলোয় যোগ করা হবে অতি শীগ্রই



আপনি কি প্রতি ঘন্টায় 7000 টাকা কিংবা তারও বেশি ইনকাম করতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করে আর্টিকেলটি দেখে নিন







2 মন্তব্য

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো