বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ফ্রিল্যান্সার থেকে প্রতি মাসে হাজার ডলার ইনকাম

 অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল যে বাংলাদেশ সরকার থেকে ফ্রিল্যান্সার যারা আছেন তাদেরকে স্পেশিয়াল সম্মাননা দেওয়া হবে । ব্যাপারটা অনেক দিন ধরেই মিডিয়াতে আলোচনা হচ্ছিল অবশেষে তার সমাধান হলো ।

বিষয়টা তাহলে খুলি বলি বাংলাদেশ সরকার থেকে ফ্রিল্যান্সারদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য স্পেশাল আইডি কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে । অর্থাৎ যারা ফ্রিল্যান্সিং কাজ করবেন তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ আইডি কার্ড বা সম্মাননা কার্ড দেওয়া হবে ।

সেটাই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 25 শে নভেম্বর 2020 তারিখে বুধবার ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি অ্যাপ এর উদ্বোধন করেন এবং সবচাইতে আলোচিত ছিল যে বিষয়টা সেটা হল ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি বিশেষ আইডি কার্ড আইডি কার্ড এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী ।


Freelacers Bangladesh id


এই ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড কিভাবে পাবো ?


খুবই ভালো প্রশ্ন ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পেতে হলে অবশ্যই চারটা স্টেপ পেরোতে হবে । অর্থাৎ আপনি আমি যে সত্যিকারে ফ্রিল্যান্সার সেই পুরুপ সহ দিতে হবে মোট চারটা স্টেপ যখন আমরা পূরণ করতে পারব তখনই ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডটি আমরা সরকারের পক্ষ থেকে পেয়ে যাব ।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করব ?

ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের জন্য অবশ্যই একটি ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে ।অথবা ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশ নামে গুগল প্লে স্টোরে একটি অ্যাপ রয়েছে সেই অ্যাপটি নামিয়ে সেখানে সাইন আপ করতে হবে । ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশ অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন

অ্যাপটি নামিয়ে নেওয়ার পরে প্রথমেই  সাইন আপ করতে হবে সাইনআপ প্রসেস খুবই সহজ ।
তারপর ছবিতে দেখানো 
এই অপশনে ক্লিক করতে হবে তারপর 

দ্বিতীয় ছবিতে দেখানো স্থানে ক্লিক করলেই ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড আবেদন করার জন্য ফরম ওপেন হবে । ঠিক এখানে মোট চাইটটা স্টেপ পার করতে হবে । এই স্টেপ গুলো সম্পন্ন করতে পারলে । সরকারের পক্ষ থেকে একটি ইসপিসিয়াল ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পাওয়া যাবে ।

ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড পেলে আমাদের কি কি লাভ হবে ?

অনেক মানুষ যখন চাকরি করে তখন তার একটা অফিস থাকে মানুষ বুঝতে পারে যে ওই কোম্পানিতে বা ঐ অফিসে চাকরি করতেছে । আবার অনেক মানুষ যখন ব্যবসা করে বা বিজনেস করে তখন কিন্তু তারও একটা নির্দিষ্ট ব্যবসা থাকে যাতে মানুষ বুঝতে পারে যে এই ব্যবসাটা করে, সে টাকা উপার্জন করতেছে । কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করলে মানুষ বুঝতে পারত না, আসলে  ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে ? বা ফ্রিল্যান্সিং করলে কি হয় ?
 এটা কিন্তু অনেক মানুষই বুঝতে পারেন না ।

একটি মজার ঘটনা বলি অনেক সময় দেখা যায় ফ্রিল্যান্সার যারা আছেন তারা বিয়ে করতে গেলে শ্বশুরবাড়ি পক্ষ থেকে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় । যে ছেলে কি করে ? তখন ছেলের বাড়ির লোকজন বলে ছেলে ফ্রিল্যান্সিং করে । তখন আবার মেয়ে বাড়ির পক্ষ থেকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং সেটা আবার কি ?  আসলে এরকম ঘটনা বাংলাদেশে অনেক ঘটেছে 

অর্থাৎ এখন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ফ্রিল্যান্সিংকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে , এবং একটি স্পেশাল আইডি কার্ড দেওয়া হচ্ছে স্বীকৃতি হিসেবে ।

যাতে মানুষ বুঝতে পারেন যে এটাও একটি পেশা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিন্তু বলেছেন ফ্রিল্যান্সিং ও কিন্তু এক ধরনের চাকরি ।

ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতিমাসে আসলে কত টাকা ইনকাম করা সম্ভব ?

ফ্রিল্যান্সিং করে আসলে মাসে কত টাকা করা সম্ভব এটা সঠিক ভাবে বলা মুশকিল কারণ একেক ফ্রিল্যান্সার একেক রকম ইনকাম করে থাকেন । যার যোগ্যতা যেরকম ঠিক ওরকমই তিনি ইনকাম করে থাকেন ,যেমন এক্সাম্পল বললে বলা যায় যে বাংলাদেশের এখন সবচাইতে বড় ফ্রিল্যান্সার হচ্ছে বাংলাদেশের পেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সার নাসিম ।

উদাহরণস্বরূপ একটি ধারণা নেওয়া যাক যেমন যদি মোটামুটি মানের একজন ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায় তাহলে প্রতি মাসে 50 থেকে 60 হাজার টাকা ইনকাম করা কোন বিষয়ই না ,আর যদি আরেকটু ভালো মানের ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায় তাহলে এক লক্ষ দুই লক্ষ  টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করা খুবই সহজ ।

আমিতো নতুন আমি কি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারব ?


আসলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে তো সবাই নতুন ছিলেন কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং শিখে নিয়েছেন । তাই তারা এখন কাজ পারে বিধায় এখন তারা ফ্রিল্যান্সার ।

কোথায় গিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করব ?

আসলে নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানেন না তারা এরকম প্রশ্ন করাটাই স্বাভাবিক ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে কোথাও যেতে হবে না ঘরে শুয়ে বা বসে থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সিং করা করা যায় ।


নতুনদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা

ইনকামের কথা শুনে নতুন যারা আছেন তারা কখনই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না, কারণ কাজ যদি না শিখেন তাহলে কিন্তু করতে পারবেন না । আর কাজ যদি করতে না পারেন তাহলে কিন্তু দেশের বদনাম অবশ্যই ভালোভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখে নিন, কারণ ফ্রিল্যান্সিংয়ে কিন্তু অনেক ধরনের কাজ রয়েছে আপনার কাছে যে কাজগুলো ভালো লাগে সেটা নিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করা শুরু করে দিতে পারেন ।

আপনারা যদি আরো ভালোভাবে ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড সম্পর্কে জানতে চান ? অথবা ফ্রিল্যান্সার অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করে ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন ।

1 মন্তব্য

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো